img

গাজায় যুদ্ধবিরতি টিকবে কি না প্রশ্নে যা বলছেন ইসরাইলিরা

প্রকাশিত :  ০৬:৩৭, ২৫ জানুয়ারী ২০২৫

গাজায় যুদ্ধবিরতি টিকবে কি না প্রশ্নে যা বলছেন ইসরাইলিরা

গাজায় দীর্ঘ ১৫ মাস পর ইসরাইল ও হামাসের মধ্যে শুরু হওয়া যুদ্ধবিরতি টিকবে না বলে মনে করেন ৩৯ শতাংশ ইসরাইলি। সম্প্রতি ইসরাইলি দৈনিক মারিভ পরিচালিত এক জরিপে উঠে এসেছে এ তথ্য।

হামাস ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর ইসরাইলি ভূখণ্ডে ঢুকে নজিরবিহীন হামলা চালায়। এতে ইসরাইলের ১২০০ বাসিন্দা নিহত হন। এছাড়া ২৫০ জনকে জিম্মি করে নিয়ে যায় হামাস।

এই হামলার প্রতিবাদে সেদিন থেকেই গাজায় অভিযান শুরু করে ইসরাইলি সেনাবাহিনী। টানা ১৫ মাস ধরে চলা ইসরাইলি অভিযানে গাজায় নিহত হয়েছেন ৪৭ হাজারের বেশি মানুষ। তবে গত ১৯ জানুয়ারি থেকে গাজায় যুদ্ধবিরতি ও বন্দিবিনিময় চুক্তি হয় হামাস ও ইসরাইলের মধ্যে। 

গাজায় শুরু হওয়া যুদ্ধবিরতি সফল হবে বলে বিশ্বাস করেন জরিপে অংশ নেওয়াদের মধ্যে মাত্র ২৮ শতাংশ। ৩৯ শতাংশ নিশ্চিত যে, এই যুদ্ধবিরতি টিকবে না এবং এটি সফল হবে কি না— সে সম্পর্কে সন্দিহান ৩৩ শতাংশ অংশগ্রহণকারী।

এছাড়া হামাসের ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবরের হামলা এবং নাগরিকদের যথাযথ নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ হওয়ায় ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর পদত্যাগ চান দেশটির ৬২ শতাংশ নাগরিক।  জরিপে অংশ নেওয়া ২৯ শতাংশ জানিয়েছেন যে তারা প্রধানমন্ত্রীর পদে নেতানিয়াহুকেই দেখতে চান এবং ১৯ শতাংশ কোনও মন্তব্য করেননি।

জরিপে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে নেতানিয়াহুর নেতৃত্বাধীন লিকুদ পার্টির সমর্থকদের পাশাপাশি ইসরাইলের ক্ষমতাসীন জোট সরকারভুক্ত দলগুলো এবং বিরোধী দলগুলোর সমর্থকরা ছিলেন। মারিভের জরিপে জানা গেছে, লিকুদ পার্টির ১৮ শতাংশ সমর্থকই নাগরিকদের নিরাপত্তা প্রদানে ব্যর্থতার দায়ে নেতানিয়াহুর পদত্যাগ দেখতে চান। বিরোধী দল এবং সরকারি জোটভুক্ত দলগুলোর সমর্থকদের মধ্যে এই হার যথাক্রমে ৯৩ শতাংশ এবং ৩১ শতাংশ।

তথ্যসূত্র: আনাদোলু এজেন্সি

img

মাঝ আকাশে বিপত্তি, মহাসড়কে আছড়ে পড়ল প্রশিক্ষণ বিমান

প্রকাশিত :  ০৬:৫০, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
সর্বশেষ আপডেট: ০৬:৫৫, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রের জর্জিয়া অঙ্গরাজ্যের এক ব্যস্ত মহাসড়কে জরুরি অবতরণ করতে গিয়ে বেশ কয়েকটি যানবাহনের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়েছে একটি উড়োজাহাজ। গতকাল সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) দেশটিতে এই দুর্ঘটনা ঘটেছে। খবর এনডিটিভির। 

মার্কিন পুলিশের বরাত দিয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, একক ইঞ্জিনের প্রশিক্ষণ বিমানটির পাইলট এটিকে মহাসড়কেই জরুরি অবতরণ করাতে বাধ্য হন। এর কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, বিমানবন্দরে ফিরে যাওয়ার মতো সক্ষমতা ছিল না বিমানটির।

ইতোমধ্যে বিমান সড়কে আছড়ে পড়ার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছডিয়ে পড়েছে। সেখানে দেখা যায়, ছোট বিমানটি ব্যস্ত সড়কে জরুরি অবতরণের পর বেশ কয়েকটি গাড়ির সঙ্গে ধাক্কা খাচ্ছে। 

পুলিশ জানিয়েছে, দুর্ঘটনাটিতে বেশ কয়েকজন সামান্য আহত হয়েছেন। স্থানীয় পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, অবতরণের পর বিমানটির ডান দিকের ডানা একটি গাড়িকে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে উড়োজাহাজের জ্বালানি ট্যাংক আলগা হয়ে ছিটকে একটি এসইউভির পেছনের অংশে ঢুকে যায়।

বিমান দুর্ঘটনার পর ইতোমধ্যে সড়কটি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। এনিয়ে স্থানীয় বাসিন্দাদের দীর্ঘ যানজটের বিষয়ে সতর্ক করা হয়েছে। 

ন্যাশনাল ট্রান্সপোর্টেশন সেফটি বোর্ড (এনটিএসবি) জানিয়েছে, বিমানটি জর্জিয়ার গেইনসভিলের লি গিলমার মেমোরিয়াল বিমানবন্দর থেকে ক্যান্টনের চেরোকি কাউন্টি রিজিওনাল বিমানবন্দরে যাচ্ছিল।  

উড্ডয়নের কিছুক্ষণ পরই পাইলট ইঞ্জিনে ত্রুটি অনুভব করেন, তিনি গেইনসভিলে ফিরে আসার সিদ্ধান্ত নেন। তবে বিমানবন্দরে পৌঁছানোর মতো যথেষ্ট সক্ষমতা না থাকায় পাইলট রাস্তায় জরুরি অবতরণ করেন এবং বিমানটি তিনটি গাড়িতে আঘাত হানে বলে জানায় এনটিএসবি।

এই ঘটনার তদন্ত করা হবে বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। 


আন্তর্জাতিক এর আরও খবর