img

কোরআন পোড়ানো সেই ব্যক্তিকে সুইডেনে গুলি করে হত্যা!

প্রকাশিত :  ১১:২০, ৩০ জানুয়ারী ২০২৫
সর্বশেষ আপডেট: ১১:২৪, ৩০ জানুয়ারী ২০২৫

কোরআন পোড়ানো সেই ব্যক্তিকে সুইডেনে গুলি করে হত্যা!

২০২৩ সালে প্রকাশ্যে পবিত্র কোরআনের কপি পুড়িয়ে আলোচনায় আসা সালওয়ান মোমিকাকে বুধবার (২৯ জানুয়ারি) রাতে সুইডেনে তার অ্যাপার্টমেন্টে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে।

বিবিসির প্রতিবেদন বলছে, স্থানীয় সময় বুধবার (২৯ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় স্টকহোমের একটি অ্যাপার্টমেন্টে ৩৮ বছর বয়সী ইরাকি শরণার্থী সালওয়ান মোমিকাকে হত্যা করা হয় বলে জানা গেছে।

কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ঘটনাটি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। স্টকহোম পুলিশের একজন মুখপাত্র নিশ্চিত করেছেন, এই ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য এক সন্দেহভাজনকে আটক করা হয়েছে।

২০২৩ সালে ইসলামের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতে গিয়ে প্রথম দুইবার কোরআন পোড়ান মোমিকা। প্রথম দফাটি হয় স্টকহোমের একটি মসজিদের বাইরে। দ্বিতীয়টি ইরাকি দূতাবাসের বাইরে।

বাকস্বাধীনতা আইনের অজুহাতে সুইডিশ পুলিশ কর্তৃক অনুমোদিত এই ধর্ম অবমাননাকর কাজটি মুসলিম বিশ্বে ক্ষোভ ও নিন্দার ঢেউ ছড়িয়ে দেয়।

গত আগস্টে সুইডেনের একজন প্রসিকিউটর মোমিকা ও কোরআন পোড়ানোর সঙ্গে জড়িত আরেক ব্যক্তির বিরুদ্ধে 'একটি জাতিগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে আন্দোলনের' অভিযোগ আনেন।

আন্তর্জাতিক এর আরও খবর

img

ধ্বংসস্তুপের চিত্র প্রকাশ করলেই ধরে নিয়ে যাচ্ছে ইসরাইলি সেনারা

প্রকাশিত :  ১৭:৩৭, ০৯ মার্চ ২০২৬
সর্বশেষ আপডেট: ১৯:৪৬, ০৯ মার্চ ২০২৬

ইরানে গণহত্যাকারী ইসরাইল ও তাদের সহযোগী যুক্তরাষ্ট্রের আগ্রাসন ১০ম দিনে গড়িয়েছে। সংঘাত ছড়িয়ে পড়েছে পুরো মধ্যপ্রাচ্যে। প্রতিশোধমূলক হামলার অংশ হিসেবে তেল আবিবসহ উগ্র ইহুদিবাদী অবৈধ ভূখণ্ডটিতে বৃষ্টির মতো ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন নিক্ষেপ করছে তেহরান। 

তবে এতে কী পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি হচ্ছে তার তেমন কিছুই প্রকাশ হচ্ছে না বলে ধারণা সচেতন মহলের। এর কারণ খুঁজতে গিয়ে জানা গেল, ভয়ঙ্কর ‘মিডিয়া ব্ল্যাকআউটের’ (তথ্য প্রকাশে নিষেধাজ্ঞা) তথ্য।

ইসরাইলের দখল করা ফিলিস্তিনের পশ্চিম তীরের রামাল্লাহ থেকে এ বিষয়ে অভিজ্ঞতা তুলে ধরেছেন আলজাজিরার রিপোর্টার নুর ওদেহ।

তিনি জানান, এই পুরো যুদ্ধজুড়ে—আমি বলতে বাধ্য হচ্ছি যে, আগে কখনও এমন কিছু দেখিনি—সামরিক সেন্সর কর্তৃপক্ষ অত্যন্ত কঠোর অবস্থানে রয়েছে।

ইরান বা হিজবুল্লাহর ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্র এবং রকেটগুলো ঠিক কোথায় পড়ছে এবং কতগুলো ছোড়া হয়েছে, সে সম্পর্কিত তথ্যের ওপর তারা মূলত একটি সংবাদ ব্ল্যাকআউট জারি করেছে। যেসব সাংবাদিক অন-এয়ারে বা সরাসরি সম্প্রচারে 'প্রয়োজনের চেয়ে বেশি' তথ্য বলছেন বলে মনে করা হচ্ছে, কর্তৃপক্ষ তাদের তুলে নিয়ে যাচ্ছে।

এদিকে আমরা জানতে পেরেছি যে, আজ সোমবার (৯ মার্চ) ইসরাইলের তেল আবিবের কাছে বেন গুরিয়ন বিমানবন্দরের পার্শ্ববর্তী একটি এলাকায় দুজন নিহত হয়েছেন।

প্রত্যক্ষদর্শীদের বিবরণ থেকে আমরা জানতে পেরেছি, ইরান যেসব ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ছে তার কয়েকটিতে 'ক্লাস্টার ওয়ারেড' বা গুচ্ছ বোমা রয়েছে। এর অর্থ হলো, এগুলো আঘাত হানার সময় খণ্ডবিখণ্ড হয়ে যায় এবং অনেক বড় ভৌগোলিক এলাকা জুড়ে ছড়িয়ে পড়ে প্রচুর ক্ষয়ক্ষতি করতে পারে।

লক্ষ্যবস্তু হওয়া এলাকাগুলোতে কোনো অবিস্ফোরিত গোলা রয়ে গেছে কিনা তা নিশ্চিত করতে জরুরি উদ্ধারকারী দলগুলোর দীর্ঘ সময় লাগছে। 

এসব কারণে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হলেও তা প্রকাশ করছে না কর্তৃপক্ষ- ধারণা সচেতন মহলের।

সোমবার ইসরাইলে ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে একজন নিহত ও দুজন আহত হয়েছে বলে প্রকাশ করেছে তেল আবিব। তবে নুর ওদেহর বক্তব্য থেকে জানা যায়, এ ঘটনায় দুজন নিহত হয়েছে।