img

ড. ইউনূসের নেতৃত্বে জাতীয় ঐকমত্য কমিশন গঠন

প্রকাশিত :  ০৪:৪৮, ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

ড. ইউনূসের নেতৃত্বে জাতীয় ঐকমত্য কমিশন গঠন

অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে জাতীয় ঐকমত্য কমিশন গঠন করা হয়েছে। এতে ছয়টি পৃথক সংস্কার কমিশনের প্রধানরা সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন। কমিশনটি আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারি থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যক্রম শুরু করবে।   

আজ বুধবার (১২ ফেব্রুয়ারি) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়। এতে উল্লেখ করা হয়েছে, সরকারের গৃহীত বিভিন্ন সংস্কার কমিশনের সুপারিশগুলো পর্যালোচনা ও বাস্তবায়নের লক্ষ্যে জাতীয় ঐকমত্য কমিশন গঠন করা হয়েছে। এই কমিশনের কার্যক্রম অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টার অনুমোদন সাপেক্ষে পরিচালিত হবে।   

জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস, আর সহ-সভাপতির দায়িত্ব পেয়েছেন সংবিধান সংস্কার কমিশনের প্রধান অধ্যাপক আলী রীয়াজ।  

কমিশনের অন্যান্য সদস্যরা হলেন- জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশন, প্রধান আব্দুল মুয়ীদ চৌধুরী; পুলিশ সংস্কার কমিশন, প্রধান সফর রাজ হোসেন; নির্বাচন ব্যবস্থা সংস্কার কমিশন, প্রধান ড. বদিউল আলম মজুমদার; বিচার বিভাগ সংস্কার কমিশন, প্রধান বিচারপতি এমদাদুল হক; দুর্নীতি দমন কমিশন সংস্কার কমিশন, প্রধান ড. ইফতেখারুজ্জামান।    

এই কমিশনের মূল দায়িত্ব হবে সংস্কার কমিশনগুলোর সুপারিশ পর্যালোচনা, প্রয়োজনীয় সংশোধন প্রস্তাব করা এবং অন্তর্বর্তী সরকারের তত্ত্বাবধানে তা বাস্তবায়নের রূপরেখা তৈরি করা। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, কমিশনটি স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার ভিত্তিতে কাজ করবে, যা দেশের প্রশাসনিক ও আইনি কাঠামোতে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে সহায়ক হবে।


img

খালেদা জিয়ার চিকিৎসায় সাড়া দিচ্ছেন : ডা. জাহিদ

প্রকাশিত :  ১৪:০২, ১০ ডিসেম্বর ২০২৫
সর্বশেষ আপডেট: ১৬:১৩, ১০ ডিসেম্বর ২০২৫

বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে আপাতত রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে রেখেই সর্বোচ্চ চিকিৎসা দেওয়া হবে। বর্তমানে তিনি হাসপাতালটির আইসিইউতে চিকিৎসাধীন। তবে চিকিৎসকরা যে চিকিৎসা দিচ্ছেন তা তিনি গ্রহণ করতে পারছেন এবং রেসপন্স (সাড়া) করছেন বলে জানিয়েছেন তার ব্যক্তিগত চিকিৎসক ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন।

আজ বুধবার (১০ ডিসেম্বর) রাত ৯টার দিকে এভারকেয়ার হাসপাতালের সামনে এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা জানান।

ডা. জাহিদ বলেন, আমরা আশ্বস্ত করতে চাই খালেদা জিয়াকে যে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে, তিনি আগের মতোই সেটি গ্রহণ করতে পারছেন এবং তিনি সত্যিকার অর্থে রেসপন্স করছেন। তার চিকিৎসার জন্য গঠিত মেডিকেল বোর্ড সার্বক্ষণিকভাবে চেষ্টা করে যাচ্ছেন যেন সর্বোত্তম সেবা নিশ্চিত করা যায়। পৃথিবীর মধ্যে সবচেয়ে ভালো চিকিৎসা যেন তিনি (খালেদা জিয়া) পেতে পারেন, সেজন্য চিকিৎসকদের পরামর্শক্রমে চিকিৎসা অব্যাহত রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, আমরা খুবই আশাবাদী, মেডিকেল বোর্ডের সদস্যরাও আশাবাদী যে তার সুচিকিৎসা নিশ্চিত করা যাবে এবং পরবর্তীতে প্রয়োজনে তাকে যে কোনো সময় দেশের বাইরেও নিয়ে যাওয়া হতে পারে।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির এই সদস্য বলেন, অনেকে সোশ্যাল মিডিয়াতে এ বিষয়ে বিভিন্ন ধরনের কথা বলেন। কিন্তু আমরা বিনীতভাবে অনুরোধ করতে চাই যেন, খালেদা জিয়ার মতো এমন একজন নেত্রীর বিষয়ে আবেগ বা অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে যেন বিভ্রান্তি সৃষ্টি না করি। আমরা বলতে চাই তিনি আইসিইউতে চিকিৎসাধীন আছেন এবং সংকটাপন্ন মানুষের জন্য যেটি প্রয়োজন তেমন সর্বোচ্চ পর্যায়ের চিকিৎসা তিনি পাচ্ছেন।

এর আগে সোমবার (৮ ডিসেম্বর) বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) একটি সূত্র জানায়, বেগম খালেদা জিয়াকে লন্ডনে নিতে জার্মানভিত্তিক একটি এয়ার অ্যাম্বুলেন্স মঙ্গলবার (৯ ডিসেম্বর) ঢাকার আসার কথা ছিল কিন্তু সেটি আসছে না। অর্থাৎ বেগম জিয়া আপাতত লন্ডন যাচ্ছেন না।

গত ১৪ দিন ধরে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বিএনপি চেয়ারপারসন। এদিকে বেগম জিয়ার পুত্রবধূ ডা. জুবাইদা রহমান গত শুক্রবার দেশে এসেছেন। নিয়ম করে তিনি খোঁজ নিচ্ছেন শাশুড়ির। অন্যদিকে লন্ডন থেকেও চিকিৎসার বিষয়ে খোঁজ নিচ্ছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

নভেম্বরের ২৩ তারিখে ফুসফুস ও হৃদযন্ত্রের গুরুতর সংক্রমণ নিয়ে ‘সংকটাপন্ন’ অবস্থায় ঢাকার এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি হন খালেদা জিয়া। সবশেষ কিডনি, হৃদরোগ এবং নতুন করে নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হয়ে সেখানেই চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এর মধ্যে তার চিকিৎসায় দেশি, বিদেশি চিকিৎসকদের সমন্বয়ে গঠন করা হয়েছে মেডিকেল বোর্ড। অধ্যাপক ডা. শাহাবুদ্দিন তালুকদারের নেতৃত্বে গঠিত এই বোর্ডের অন্যতম সদস্য ডা. জুবাইদা রহমান।


জাতীয় এর আরও খবর