মিলছে না পরিচয়

img

গাজায় ধ্বংসস্তূপে মিলল আরও ৭০০’র বেশি ফিলিস্তিনির লাশ

প্রকাশিত :  ০৪:৫৬, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
সর্বশেষ আপডেট: ০৫:০৩, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

গাজায় ধ্বংসস্তূপে মিলল আরও  ৭০০’র বেশি ফিলিস্তিনির লাশ

গাজা উপত্যকার বিভিন্ন এলাকা থেকে ইসরাইলি বর্বরতায় নিহত আরো  ৭০০-র বেশি মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে গাজা সিভিল ডিফেন্স। উদ্ধারকৃত মৃতদেহের বেশিরভাগের শরীরেই তীব্র আঘাতের চিহ্ন রয়েছে, ফলে মৃতদেহগুলোর পরিচয় শনাক্ত করা যাচ্ছে না।

প্যালেস্টাইন টুডে গাজার মুখপাত্র মেজর মাহমুদ বাসলের বরাত দিয়ে এই তথ্য জানিয়েছে।

এক বিবৃতিতে বাসল ব্যাখ্যা করেছেন, উপলব্ধ পরীক্ষাগারের অভাবের কারণে মৃত ব্যক্তির পরিচয় সনাক্তকরণে বেগ পেতে হচ্ছে তাদের। তিনি আরও উল্লেখ করেছেন, বেসামরিক প্রতিরক্ষা দলগুলি মৃতদেহ উদ্ধার এবং ধ্বংসস্তূপ পরিষ্কার করার জন্য প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম পায়নি।

গাজায় ইসরাইলের বর্বরতায় ধ্বংসস্তূপের নিচে এখনও ১০ হাজার মৃতদেহ আটকা পড়ে আছে বলেও জানান তিনি। বলেন, ‘১০ হাজারেরও বেশি মৃতদেহ ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে আছে এবং সিভিল ডিফেন্স তাদের উদ্ধার করতে পারছে না। প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম সরবরাহ না করা পর্যন্ত এই সমস্যাটি অমীমাংসিত থাকবে।’

ফিলিস্তিনি মানুষের দুর্ভোগ নিরসনে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের জরুরি সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রয়োজন বলেও জানান তিনি। বলেন, ‘অজ্ঞাত মৃতদেহগুলিকে ‘অজানা’ শ্রেণীবিভাগের অধীনে মনোনীত কবরস্থানে সমাহিত করা হচ্ছে। এই দেহাবশেষগুলির মধ্যে বেশিরভাগই দেহের টুকরো টুকরো অংশ বা হাড়। নিখোঁজ ব্যক্তিদের ইস্যুটি অমীমাংসিত রয়ে গেছে। যারা প্রিয়জনের সন্ধান করছে সেই সব হাজার হাজার পরিবারের যন্ত্রণা দীর্ঘায়িত হচ্ছে।


img

ট্রাম্পের অভিবাসন নীতির প্রতিবাদে উত্তাল যুক্তরাষ্ট্র

প্রকাশিত :  ০৪:২৪, ২১ জানুয়ারী ২০২৬

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদের প্রথম বার্ষিকী উপলক্ষে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন শহর ও বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসগুলোতে হাজার হাজার শ্রমিক ও শিক্ষার্থী ব্যাপক বিক্ষোভ প্রদর্শন করেছেন। 

গতকাল মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) আয়োজিত এই প্রতিবাদ কর্মসূচিতে ট্রাম্প প্রশাসনের আগ্রাসী অভিবাসন নীতির বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করা হয়। 

বিশেষ করে সম্প্রতি মিনিয়াপলিসে ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট (আইস) এজেন্টের গুলিতে ৩৭ বছর বয়সী মার্কিন নাগরিক রেনি গুড নিহত হওয়ার ঘটনায় এই গণবিক্ষোভ নতুন মাত্রা পেয়েছে। রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, ওয়াশিংটন ডিসি থেকে শুরু করে নর্থ ক্যারোলিনা এবং ওহিও পর্যন্ত বিক্ষোভকারীরা রাজপথে নেমে ট্রাম্পের অভিবাসন অভিযানের তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন।
\r\nবিক্ষোভের কেন্দ্রবিন্দু ছিল মিনিয়াপলিস, যেখানে গত ৭ জানুয়ারি এক অভিবাসন অভিযানের সময় রেনি গুডকে তার গাড়ি থেকে টেনে বের করে গুলি করা হয়েছিল। এই ঘটনার প্রতিবাদে বিক্ষোভকারীরা ‘নো আইস, নো কেকেকে, নো ফ্যাসিস্ট ইউএসএ’ স্লোগান দিয়ে রাজপথ প্রকম্পিত করেন। 

\r\n\r\n\r\n\r\n\r\n\r\n\r\n\r\n\r\n\r\n\r\n\r\n\r\n\r\n\r\n\r\n\r\n\r\n\r\n\r\n\r\n\r\n\r\n\r\n\r\n\r\n\r\n\r\n\r\n\r\n\r\n\r\n\r\n\r\n\r\n\r\n\r\n\r\n\r\n\r\n\r\n\r\n

ওহিও অঙ্গরাজ্যের ক্লিভল্যান্ডে বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়ারা এবং নিউ মেক্সিকোর সান্তা ফে-তে হাইস্কুলের শিক্ষার্থীরা ক্লাস বর্জন করে ‘আইস সন্ত্রাস বন্ধ করো’ দাবিতে সমাবেশে যোগ দেন। বিক্ষোভকারীদের মতে, ট্রাম্প প্রশাসন জনমতের তোয়াক্কা না করে অমানবিক উপায়ে লক্ষ লক্ষ মানুষকে বিতাড়িত করার যে ম্যান্ডেট দাবি করছে, তা প্রকৃতপক্ষে মার্কিন মূল্যবোধের পরিপন্থী।
\r\nএই বিক্ষোভের নেপথ্যে ছিল ইনডিভিবল এবং ৫০৫০১-এর মতো বামপন্থী রাজনৈতিক গোষ্ঠী, বিভিন্ন শ্রমিক ইউনিয়ন এবং তৃণমূল পর্যায়ের সংগঠনগুলো। তারা বিশেষ করে টেক্সাসের এল পাসোর মতো জায়গায় স্থাপিত অভিবাসী ডিটেনশন ক্যাম্পগুলোর ভয়াবহ পরিস্থিতির প্রতিবাদ জানান। 
\r\nফেডারেল কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, গত ছয় সপ্তাহে ওই ক্যাম্পে অন্তত তিনজন আটক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। সাম্প্রতিক জনমত জরিপগুলোতে দেখা গেছে যে, অধিকাংশ আমেরিকান নাগরিক আইস এবং অন্যান্য ফেডারেল সংস্থাগুলোর মাধ্যমে অভিবাসন প্রত্যাশীদের ওপর বলপ্রয়োগের এই প্রক্রিয়ার বিরোধী।
\r\nমঙ্গলবার সকালের দিকে শুরু হওয়া এই বিক্ষোভ পর্যায়ক্রমে যুক্তরাষ্ট্রের পশ্চিমাঞ্চলী শহর যেমন সান ফ্রান্সিসকো এবং সিয়াটলের দিকে ছড়িয়ে পড়ে। সেখানে সন্ধ্যা পর্যন্ত বড় ধরনের সমাবেশের পরিকল্পনা করা হয়েছিল। 
\r\nট্রাম্প প্রশাসন অবশ্য দাবি করে আসছে যে, অবৈধ অভিবাসীদের দেশ থেকে বের করে দেওয়ার মাধ্যমে তারা কেবল ভোটারদের দেওয়া প্রতিশ্রুতিই পালন করছে। তবে দেশজুড়ে ছড়িয়ে পড়া এই বিক্ষোভ ইঙ্গিত দিচ্ছে যে, প্রশাসনের এই অনমনীয় অবস্থানের বিরুদ্ধে সাধারণ মানুষের অসন্তোষ ক্রমশ বাড়ছে।
\r\nসূত্র: রয়টার্স।

আন্তর্জাতিক এর আরও খবর