img

৩১ বছরের ছোট রাশমিকার সঙ্গে প্রেম, ঝলকমুক্তির অনুষ্ঠানে জবাব দিলেন ‘সিকন্দর’

প্রকাশিত :  ০৯:১১, ২৪ মার্চ ২০২৫
সর্বশেষ আপডেট: ০৯:২৫, ২৪ মার্চ ২০২৫

৩১ বছরের ছোট রাশমিকার সঙ্গে প্রেম, ঝলকমুক্তির অনুষ্ঠানে জবাব দিলেন ‘সিকন্দর’

এবার কটাক্ষের শিকার সালমান খান! ‘দেখেছিস, হাঁটুর থেকেও ছোট নায়িকার সঙ্গে রোম্যান্স করছে’! ‘সিকন্দর’ ছবির জন্য এমন কথাই শুনতে হয়েছে তাঁকে। সে দিন একটা কথাও বলেননি তিনি। চুপচাপ শুনেছেন। জবাব দিলেন রবিবার, ছবির ট্রেলারমুক্তির দিন। ‘ভাইজান’-এর সঙ্গে এ দিন ছিলেন ছবির নায়িকা রশ্মিকা মন্দনা, সত্যরাজ, প্রযোজক সাজিদ নাদিয়াদওয়ালা, কাজল আগরওয়াল প্রমুখ। সকলের সামনে সালমান ধুইয়ে দিলেন নিন্দকদের। সপাট বললেন, “হোক ৩১ বছরের পার্থক্য! রশ্মিকার আপত্তি নেই। ওঁর বাবার কোনও আপত্তি নেই। তা হলে আপনাদের সমস্যা কোথায়?”

অভিনেতা এ দিন শুরু থেকেই মেজাজে ছিলেন। প্রেক্ষাগৃহে ছেলের ছবির ট্রেলার দেখতে এসেছিলেন চিত্রনাট্যকার বাবা সেলিম খান। সারা ক্ষণ বাবাকে আগলাতে দেখা যায় তাঁকে। রশ্মিকাকেও সমানে আগলেছেন তাঁর ৩১ বছরের বড় নায়ক! মঞ্চে হাত ধরে তাঁকে সামনে এগিয়ে আসার অনুরোধ জানিয়েছেন। কখনও রশ্মিকার প্রিয় ভঙ্গি নকল করে অনুরাগীদের মন জয় করেছেন। পর্দায় তাঁদের জুটি নিয়ে যতই কাটাছেঁড়া হোক, বাস্তবে তাঁদের কাজ করার অভিজ্ঞতা খুবই ভাল— এ কথা জানাতেও ভোলেননি।

সেই জায়গা থেকে সালমানের দাবি, “আগামীতে রশ্মিকা বিয়ে করবেন। তাঁর সন্তান হবে। তার পরেও আমরা জুটি বেঁধে কাজ করব।” বলেই নায়িকাকে জিজ্ঞেস করেন, “কী তাই তো?” সঙ্গে সঙ্গে বড় করে মাথা নাড়িয়ে সম্মতি দেন রশ্মিকা। সালমান রসিকতাও করেন, আশা, রশ্মিকার মা তাঁর সঙ্গে অভিনয়ের অনুমতি দেবেন। প্রেক্ষাগৃহে তখন করতালির ঝড়। এ দিন ছবিশিকারিদেরও ছাড়েননি তিনি। তাঁদের লক্ষ্য করে বলে ওঠেন, “মাঝেমাঝে নানা কারণে হয়তো কয়েক রাত ঘুম হল না। সঙ্গে সঙ্গে নেটাগরিকেরা হাত ধুয়ে পিছনে পড়ে যান। নানা ভাবে কৌতূহল প্রকাশ করেন। তাঁদের বোঝাতে হয়, ‘সালমানের সব কিছু এখনও ফুরিয়ে যায়নি’!” উপস্থিত প্রত্যেকে ‘ভাইজান’-এর রসিকতায় খুশি। ট্রেলার দেখে এ দিন উপস্থিত দর্শক অনুরাগী এবং সমালোচকেরা সালমানের প্রশংসা করতে বাধ্য হয়েছেন। প্রযোজকের কথায়, “৩০ মার্চ, ইদে আমাদের ভাগ্যপরীক্ষা। আমরা থাকব না কি থাকব না— সে দিন নির্ধারিত হবে।”

অনুষ্ঠান শেষের পর রাতারাতি সালমানকে দেশের বাইরে উড়ে যেতে দেখা যায়। তাঁর সফরসঙ্গী ইউলিয়া ভন্তুর।

img

সোনালী যুগের অভিনেতা জাভেদ আর নেই

প্রকাশিত :  ০৭:০২, ২১ জানুয়ারী ২০২৬

বাংলা সিনেমার সোনালী যুগের জনপ্রিয় অভিনেতা ইলিয়াস জাভেদ দীর্ঘদিন ধরে ক্যানসারের সঙ্গে লড়াই করছিলেন। অবশেষে আজ মারা গেছেন তিনি (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্নাইলাইহি রাজিউন)। মৃত্যুকালে তার বয়স ছিল ৮২ বছর। 

আজ  বুধবার (২১ জানুয়ারি) সংবাদমাধ্যমকে অভিনেতা জাভেদের মৃত্যর খবরটি নিশ্চিত করেছেন বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির কার্যনির্বাহী সদস্য সনি রহমান।

তিনি বলেন, ‘জাভেদ ভাই দীর্ঘদিন ধরেই অসুস্থ ছিলেন। আজ চিরবিদায় নিয়ে চলে গেলেন। 
\r\nসবাই জাভেদ ভাইয়ের আত্মার শান্তির জন্য দোয়া করবেন। 

\r\n\r\n\r\n\r\n\r\n\r\n\r\n\r\n\r\n\r\n\r\n\r\n\r\n\r\n\r\n\r\n\r\n\r\n\r\n\r\n\r\n\r\n\r\n\r\n\r\n\r\n\r\n\r\n\r\n\r\n\r\n\r\n\r\n\r\n\r\n\r\n\r\n\r\n\r\n\r\n\r\n\r\n\r\n\r\n\r\n

১৯৬৪ সালে উর্দু ছবি \'নয়ি জিন্দেগি\' দিয়ে নায়ক হিসেবে অভিষেক হয় জাভেদের। তবে ১৯৬৬ সালে \'পায়েল\' সিনেমার পর দর্শকপ্রিয়তা বাড়তে থাকে এই নায়কের। এই সিনেমায় তার নায়িকা ছিলেন শাবানা।
\r\n 
\r\nএছাড়া তিনি ছিলেন একজন নৃত্য পরিচালকও। তার আসল নাম রাজা মোহাম্মদ ইলিয়াস। নৃত্য পরিচালনা দিয়ে চলচ্চিত্র জগতে অভিষেক ঘটলেও পরবর্তিতে নায়ক হিসেবে প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেন শতাধিক চলচ্চিত্রে। তিনি তার অনেক কাজের মধ্যে ‘নিশান’ চলচ্চিত্রের জন্য বেশি পরিচিত।
\r\n 
\r\nজাভেদ ১৯৪৪ সালে ব্রিটিশ ভারতের পেশাওয়ারে জন্মগ্রহণ করেন। পরে তিনি স্বপরিবারে সেখান থেকে পাঞ্জাবে চলে আসেন। ব‍্যক্তি জীবনে তিনি ১৯৮৪ সালে  চিত্রনায়িকা ডলি চৌধুরীকে বিয়ে করেন।