img

বিনিয়োগ সম্মেলনের প্রস্তুতি চূড়ান্ত, হবে নাসার সঙ্গে চুক্তি

প্রকাশিত :  ০৬:৩৭, ০৭ এপ্রিল ২০২৫

বিনিয়োগ সম্মেলনের প্রস্তুতি চূড়ান্ত, হবে নাসার সঙ্গে চুক্তি

বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) নির্বাহী পরিচালক চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুন বলেছেন, বিনিয়োগ সম্মেলন-২০২৫ এ নাসার সঙ্গে চুক্তি হবে। সম্মেলনে দেশি-বিদেশি পাঁচজন বিনিয়োগকারীকে পুরস্কার দেওয়া হবে।

আশিক মাহমুদ বিন হারুন জানান, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের আয়োজনে বিনিয়োগ সম্মেলনের প্রস্তুতি প্রায় চূড়ান্ত। ৭ এপ্রিল থেকে ১০ এপ্রিল পর্যন্ত চার দিনব্যাপী সম্মেলনে আয়োজক বাংলাদেশসহ অর্ধশতাধিক দেশের সাড়ে পাঁচ শতাধিক শীর্ষ পর্যায়ের কর্মকর্তা অংশ নেবেন। আগামী ৯ এপ্রিল অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস বিনিয়োগ সম্মেলনে বক্তব্য দেবেন। সম্মেলন অনুষ্ঠানটি ফেসবুক ও ইউটিউবে প্রচারিত হবে। এছাড়া বিদেশি বিনিয়োগকারীদের ইন্টারভিউ নিতে মিডিয়া কর্নার থাকবে।

প্রেস ব্রিফিংয়ে উপস্থিত ছিলেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম, ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ মজুমদার ও ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি অপূর্ব জাহাঙ্গীর।

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি এর আরও খবর

ইতালির সঙ্গে চুক্তি

img

ইউরোফাইটার টাইফুন যুদ্ধবিমান কিনবে বাংলাদেশ

প্রকাশিত :  ১৫:২৩, ০৯ ডিসেম্বর ২০২৫
সর্বশেষ আপডেট: ১৬:৩৭, ০৯ ডিসেম্বর ২০২৫

বাংলাদেশ বিমান বাহিনীতে যুক্ত হতে যাচ্ছে অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমান। এর নাম 'ইউরোফাইটার টাইফুন'। এই বিমান কেনার জন্য ইতালির লিওনার্দো এসপিএ কোম্পানির সঙ্গে একটি 'লেটার অফ ইনটেন্ট' বা প্রাথমিক সম্মতিপত্র সই করেছে বাংলাদেশ। বিমান বাহিনীকে আধুনিক ও শক্তিশালী করার পথে এটি একটি বড় পদক্ষেপ।

আজ মঙ্গলবার (৯ ডিসেম্বর) ঢাকার বিমান বাহিনী সদর দপ্তরে এই চুক্তি সই হয়। বিমান বাহিনীর ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খান। বাংলাদেশে নিযুক্ত ইতালির রাষ্ট্রদূত আন্তোনিও আলেসান্দ্রোও সেখানে উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসারসহ দুই দেশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এই অনুষ্ঠানে যোগ দেন।

বিমান বাহিনী জানিয়েছে, এই চুক্তির আওতায় ভবিষ্যতে ইউরোফাইটার টাইফুন বিমানগুলো দেশে আসবে। এগুলো বিমান বাহিনীর মূল বহরে বা 'ফ্রন্টলাইন ফ্লিট'-এ যুক্ত হবে। এই বিমানগুলো নতুন প্রজন্মের এবং বহু ধরণের কাজ করতে সক্ষম।

দেশের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে আধুনিক করার কাজ চলছে। এই 'মাল্টিরোল' বা বহুমুখী ক্ষমতার যুদ্ধবিমান কেনা সেই পরিকল্পনারই অংশ।

এর আগে গত এপ্রিলে সরকার একটি কমিটি গঠন করেছিল। ১১ সদস্যের ওই কমিটির প্রধান ছিলেন বিমান বাহিনী প্রধান। তখন চীনের তৈরি ২০টি জে-১০ যুদ্ধবিমান কেনার আলোচনা চলছিল। ওই প্রকল্পের বাজেট ধরা হয়েছিল ২.২ বিলিয়ন ডলার।

'ওয়ারপাওয়ারবাংলাদেশ ডট কম'-এর তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর হাতে ২১২টি আকাশযান রয়েছে। এর মধ্যে ৪৪টি যুদ্ধবিমান।