img

‘আমার মেয়ে বিদায়ী সৌদি রাষ্ট্রদূতের দ্বিতীয় স্ত্রী হতে চায়নি’

প্রকাশিত :  ০৫:৪৪, ১৩ এপ্রিল ২০২৫

‘আমার মেয়ে বিদায়ী সৌদি রাষ্ট্রদূতের দ্বিতীয় স্ত্রী হতে চায়নি’

‘সৌদি আরবের সদ্য বিদায়ী রাষ্ট্রদূত ঈসা বিন ইউসুফ আল দুহাইলানের প্রতারণার শিকার আমার মেয়ে মেঘনা। ছয় মাস ধরে তার সঙ্গে মেয়ের ঘনিষ্ঠতা। তার দুই থেকে তিন মাস আগে থেকে তাদের মধ্যে পরিচয়।’ মডেল মেঘনা আলমের বাবা বদরুল আলম এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, মেঘনা ‘মিস বাংলাদেশ’ নামে একটি ফাউন্ডেশন তৈরি করেছিল। তার মাধ্যমে দেশে–বিদেশে নানা ধরনের অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। সেখানে অনেক বিশিষ্টজন, গুণী লোকজন আসতেন। ঢাকায় সেই ধরনের একটি অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে তার প্রথম দেখা হয়। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা সব জানেন। তিনি দু’জনকে সহযোগিতা করেন। এরপর মেঘনার সঙ্গে বিদায়ী দূতের মধ্যে ধীরে ধীরে ঘনিষ্ঠতা তৈরি হয়। এক পর্যায়ের প্রেমের সম্পর্কের প্রস্তাব দেন। এরপর বিয়ে করতে চান। গত ৪ ডিসেম্বর মেঘনা ও দুহাইলানের আংটি বদল হয়েছিল বলে দাবি করেন বদরুল। তবে দাবির পক্ষে কোনো প্রমাণ দেখাতে পারেনি তিনি।  

বদরুল বলেন, মেঘনার বসুন্ধরার বাসায় আসা–যাওয়া ছিল বিদায়ী রাষ্ট্রদূতের। সম্পর্কের একপর্যায়ে মেঘনা জানতে পারে তার স্ত্রী ও ছেলে–মেয়ে রয়েছে। তখন সে আংটি ফেরত দেয়। সে কারো দ্বিতীয় স্ত্রী হতে চায়নি। সৌদি দূতের স্ত্রীকে ঘটনাটি জানায়। এরপরই ক্ষিপ্ত হয়ে উঠেন বিদায়ী রাষ্ট্রদূত। হুমকি দিতে থাকেন। একপর্যায়ে মেঘনা ফেসবুক এ সম্পর্কে কিছু লেখা পোস্ট করেন। এরপরই মেঘনার বিরুদ্ধে অভিযোগ দেন দুহাইলান। 

মেঘনার বাবা আরও বলেন, প্রতারণার শিকার হয়েছে এটা জেনেও মেঘনা চেয়েছিল বিদায়ী রাষ্ট্রদূত তার কাছে এসে দুঃখ প্রকাশ করুক। কিন্তু সেটা করেননি তিনি। উল্টো বিনা অপরাধে পুলিশ দিয়ে গ্রেপ্তার করানো হয়েছে। বিষয়টির সমঝোতার চেষ্টা করা হলে শেষ পর্যন্ত হয়নি। 

এক প্রশ্নের জবাবে বদরুল বলেন, কেন আমার মেয়ে তাকে ফাঁসাবে। যদি সে অন্যায় করত তাহলে তার বিরুদ্ধে তো সুনির্দিষ্ট মামলা হত। আইন সবার জন্য সমান। আমরা এখন ন্যায় বিচার চাই। সরকার আমার মেয়ের নিরাপত্তা দেবে এটা আমার দাবি। 

মেঘনার বাবা বলেন, নর্থ–সাউথে পড়াশোনার সময় বসুন্ধরা একটি ফ্ল্যাট ভাড়া করে মেঘনা থাকত। সেখানে মাঝে মাঝে আমরা যেতাম। পরিবারের অন্যরা বেইলী রোডে থাকি। 


img

কর্তন ছাড়াই সেন্সর সার্টিফিকেশন সনদ পেল ‘দম’

প্রকাশিত :  ১৫:৪৬, ১৬ মার্চ ২০২৬

জ্যৈষ্ঠ প্রতিবেদক সৈয়দ আমানউল্লাহ: ঈদ উপলক্ষে মুক্তির অপেক্ষায় থাকা আলোচিত সিনেমা ‘দম’ কোনো ধরনের কর্তন ছাড়াই সেন্সর ছাড়পত্র পেয়েছে। Bangladesh Film Certification Board সিনেমাটিকে ‘ইউ’ (U) ক্যাটাগরিতে সনদ দিয়েছে, যার অর্থ—এটি সব বয়সী দর্শকের জন্য উপযোগী। ফলে ঈদের সিনেমাগুলোর মধ্যে ‘দম’ই প্রথম হিসেবে সেন্সর সার্টিফিকেশন সনদ পেল।

সিনেমাটি নির্মাণ করেছেন  রেদওয়ান রনি । দীর্ঘ প্রায় এক দশক পর বড় পর্দায় তার প্রত্যাবর্তন হওয়ায় শুরু থেকেই চলচ্চিত্রটি নিয়ে দর্শকদের মধ্যে আলাদা আগ্রহ তৈরি হয়েছে। একই সঙ্গে প্রথমবারের মতো একসঙ্গে বড় পর্দায় হাজির হচ্ছেন দুই জনপ্রিয় অভিনেতা আফরান নিশো ও চঞ্চল চৌধুরীর । শক্তিশালী এই জুটিকে কেন্দ্র করে  সিনেমাটিকে ঘিরে দর্শকদের কৌতূহল আরও বেড়েছে।

কোনো দৃশ্য কর্তন ছাড়াই সেন্সর সনদ পাওয়ায় স্বাভাবিকভাবেই উচ্ছ্বসিত নির্মাতা রেদওয়ান রনি। তিনি বলেন, “সিনেমাটি সব বয়সী দর্শকের দেখার উপযোগী হিসেবে ছাড়পত্র পাওয়ায় আমরা অত্যন্ত আনন্দিত। ‘দম’ সিনেমায় উঠে এসেছে সাধারণ মানুষের জ্বলে ওঠার গল্প। পোস্টার ও টিজারে দর্শকের যে সাড়া পেয়েছি, তাতে আমরা অভিভূত। আশা করছি বড় পর্দায় সিনেমাটি দর্শকদের নতুন অভিজ্ঞতা দেওয়ার পাশাপাশি অনুপ্রেরণার গল্পও শোনাবে।”

ইতোমধ্যে সিনেমাটির অফিশিয়াল পোস্টার ও টিজার প্রকাশের পর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বেশ আলোচনায় রয়েছে ‘দম’। টিজারে অ্যাকশন, নাটকীয়তা এবং আবেগঘন গল্পের আভাস দর্শকদের মধ্যে সিনেমাটি দেখার আগ্রহ আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।

সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, শক্তিশালী গল্প, জনপ্রিয় অভিনেতাদের উপস্থিতি এবং নির্মাতার ভিন্নধর্মী নির্মাণশৈলীর কারণে ঈদের সিনেমার প্রতিযোগিতায় ‘দম’ গুরুত্বপূর্ণ অবস্থান তৈরি করতে পারে। এখন দর্শকদের অপেক্ষা—ঈদের বড় পর্দায় সিনেমাটি কতটা সাড়া ফেলতে পারে।

সিনেমাটির বিশেষ আকর্ষণ হিসেবে যুক্ত হয়েছেন সাবিনা ইয়াসমীন। দীর্ঘ ৪৪ বছর পর তিনি নিজের গাওয়া কালজয়ী ‘এই মন তোমাকে দিলাম’ গানটি নতুন সংগীতায়োজনে ‘দম’ সিনেমার জন্য প্লেব্যাক করেছেন। সিনেমায় অভিনয় করেছেন আফরান নিশো, পূজা চেরী, চঞ্চল চৌধুরী, ডলি জহুর প্রমুখ। সিনেমাটির চিত্রনাট্য লিখেছেন রেদওয়ান রনি, রবিউল আলম, সৈয়দ আহমেদ শাওকী, আল-আমিন হাসান, মো. সাইফুল্লাহ।