img

‘আমি কথা বলতে চাই’─ আইনি নোটিশ প্রসঙ্গে তাসনিম জারা

প্রকাশিত :  ১৯:০৮, ২৫ এপ্রিল ২০২৫

‘আমি কথা বলতে চাই’─ আইনি নোটিশ প্রসঙ্গে তাসনিম জারা

ডা. তাসনিম জারাসহ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অশ্লীলতা ছড়ানো ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিতে একটি আইনি নোটিশ দেওয়া হয়েছে।

আজ শুক্রবার (২৫ এপ্রিল) রাতে এ নিয়ে ফেসবুকে নিজের ভরিফায়েড আইডিতে একটি বিবৃতি দিয়েছেন তিনি।

বিবৃতিতে তাসনিম জারা লেখেন, ‘গত কয়েক দিন ধরে, আমার ছবিসহ একটি আইনি নোটিশ মিডিয়ায় প্রচার করা হয়েছে এবং একটি হাস্যকর অভিযোগ যে আমি একটি ‘পর্নোগ্রাফিক কালচার’ প্রচার করছি।

‘এমন ভিত্তিহীন বিষয়টি প্রত্যাখ্যান করার কোনো প্রয়োজন নেই। বরং আমি কথা বলতে চাই কারণ নীরবতাকেও ভুল বোঝা যায়।’

তিনি বলেন, ‘যখন আপনি পরিষ্কার হাত ও খোলা মন নিয়ে জনজীবনে প্রবেশ করেন, তখন আপনি মনে করেন যে সংগ্রাম হবে চিন্তা নিয়ে, নীতি নিয়ে, স্বপ্ন নিয়ে। কিন্তু তারা আপনার চিন্তার সঙ্গে সঙ্গে বিতর্ক করার আগেই আপনার নাম কলুষিত করার চেষ্টা করে।’

‘এটি একটি পুরোনো কৌশল, যা লজ্জা দেওয়া, মনোযোগ সরানো এবং বিকৃত করার জন্য নেওয়া হয়েছে। কিন্তু আমি বিভ্রান্ত হব না এবং এমন লজ্জা বহনও করব না, যা আমার নয়।’

‘বহু বছর ধরে আমি জনস্বাস্থ্যসেবায় কাজ করেছি, মানুষের সাহায্য করার জন্য প্ল্যাটফর্ম তৈরি করতে অতিরিক্ত সময় দিয়েছি। আমার নাম ব্যবহার করে ভুয়া পেজ এবং ভেজাল ওষুধ সম্পর্কে আমি বারবার জনসাধারণকে সতর্ক করেছি। যারা এখন সেটাকে একটি শিরোনামে বিকৃত করার চেষ্টা করছে, তারা একটি বিষয় ভুলে গেছে, তবে মানুষ মনে রেখেছে।’

‘তারা মনে রেখেছে কারা তাদের প্রয়োজনের সময় পাশে দাঁড়িয়েছিল। তারা সেই কণ্ঠস্বর মনে রেখেছে যা শান্তভাবে চরম অস্থিরতার মধ্যেও কথা বলেছিল। তারা মনে রেখেছে কারা ভাঙা সিস্টেমকে কাজে লাগানোর চেষ্টা না করে মেরামত করার চেষ্টা করেছিল। এবং রাজনীতিতে উচ্চবাচ্যের চেয়ে মনে রাখা বেশি শক্তিশালী।’

‘আমি আরামের জন্য এখানে আসিনি। আমি জেনেই এসেছি যে এটি কঠিন হবে। জেনেই এসেছি যে এটি নোংরা হবে। কিন্তু আমি এই বিশ্বাস নিয়েও এসেছি যে আমরা ভিন্নভাবে, সততার সাথে, শালীনতার সাথে, সাহসের সাথে রাজনীতি করতে পারব।’

তিনি বলেন, ‘সুতরাং, যারা আশা করছেন এ ঘটনা আমার গতি মন্থর করে দেবে তাদের বলছি–

না, আমি পিছপা হব না। না, আমি লুকাব না। না, আমি আপনাদের ফাঁদে পা দেব না।

বরং, এই অবস্থান আমার সংকল্পকে আরও দৃঢ় করেছে। কারণ যখন মিথ্যাই অবশিষ্ট থাকে, এর মানে হলো আপনার সত্য ইতোমধ্যে যুক্তিতে জিতেছে।

তাদের কথা বলতে দিন। আমি কাজ চালিয়ে যাব।’

এর আগে ফেসবুক, ইউটিউব, টিকটক, লাইকিসহ সব অনলাইন মাধ্যমে অশ্লীল ও পর্নোগ্রাফিক ভিডিও, বিজ্ঞাপন ও প্রচারণা বন্ধ করতে সরকারকে আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৪ এপ্রিল) সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার মোহাম্মদ হুমায়ন কবির পল্লব এ নোটিশ পাঠান।

নোটিশে ডা. জাহাঙ্গীর কবির ও ডা. তাসনিম জারাসহ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অশ্লীলতা ছড়ানো ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ জানানো হয়েছে।

এ ছাড়া সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে ল’ অ্যান্ড লাইফ ফাউন্ডেশন জনস্বার্থে হাইকোর্টে রিট করে যথাযথ আইনি পদক্ষেপ নেবে বলেও নোটিশে জানানো হয়েছে।


img

সোনালী যুগের অভিনেতা জাভেদ আর নেই

প্রকাশিত :  ০৭:০২, ২১ জানুয়ারী ২০২৬

বাংলা সিনেমার সোনালী যুগের জনপ্রিয় অভিনেতা ইলিয়াস জাভেদ দীর্ঘদিন ধরে ক্যানসারের সঙ্গে লড়াই করছিলেন। অবশেষে আজ মারা গেছেন তিনি (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্নাইলাইহি রাজিউন)। মৃত্যুকালে তার বয়স ছিল ৮২ বছর। 

আজ  বুধবার (২১ জানুয়ারি) সংবাদমাধ্যমকে অভিনেতা জাভেদের মৃত্যর খবরটি নিশ্চিত করেছেন বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির কার্যনির্বাহী সদস্য সনি রহমান।

তিনি বলেন, ‘জাভেদ ভাই দীর্ঘদিন ধরেই অসুস্থ ছিলেন। আজ চিরবিদায় নিয়ে চলে গেলেন। 
\r\nসবাই জাভেদ ভাইয়ের আত্মার শান্তির জন্য দোয়া করবেন। 

\r\n\r\n\r\n\r\n\r\n\r\n\r\n\r\n\r\n\r\n\r\n\r\n\r\n\r\n\r\n\r\n\r\n\r\n\r\n\r\n\r\n\r\n\r\n\r\n\r\n\r\n\r\n\r\n\r\n\r\n\r\n\r\n\r\n\r\n\r\n\r\n\r\n\r\n\r\n\r\n\r\n\r\n\r\n\r\n\r\n

১৯৬৪ সালে উর্দু ছবি \'নয়ি জিন্দেগি\' দিয়ে নায়ক হিসেবে অভিষেক হয় জাভেদের। তবে ১৯৬৬ সালে \'পায়েল\' সিনেমার পর দর্শকপ্রিয়তা বাড়তে থাকে এই নায়কের। এই সিনেমায় তার নায়িকা ছিলেন শাবানা।
\r\n 
\r\nএছাড়া তিনি ছিলেন একজন নৃত্য পরিচালকও। তার আসল নাম রাজা মোহাম্মদ ইলিয়াস। নৃত্য পরিচালনা দিয়ে চলচ্চিত্র জগতে অভিষেক ঘটলেও পরবর্তিতে নায়ক হিসেবে প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেন শতাধিক চলচ্চিত্রে। তিনি তার অনেক কাজের মধ্যে ‘নিশান’ চলচ্চিত্রের জন্য বেশি পরিচিত।
\r\n 
\r\nজাভেদ ১৯৪৪ সালে ব্রিটিশ ভারতের পেশাওয়ারে জন্মগ্রহণ করেন। পরে তিনি স্বপরিবারে সেখান থেকে পাঞ্জাবে চলে আসেন। ব‍্যক্তি জীবনে তিনি ১৯৮৪ সালে  চিত্রনায়িকা ডলি চৌধুরীকে বিয়ে করেন।