img

পাঁচ ইসলামী ব্যাংক মিলে হবে একটি ব্যাংক, চাকরি হারাবেন না কর্মীরা

প্রকাশিত :  ১২:১১, ১৫ জুন ২০২৫
সর্বশেষ আপডেট: ১৫:১৩, ১৫ জুন ২০২৫

পাঁচ ইসলামী ব্যাংক মিলে হবে একটি ব্যাংক, চাকরি হারাবেন না কর্মীরা

বেসরকারি খাতের পাঁচটি ইসলামী ব্যাংককে শিগগিরই একীভূত করা হবে। একত্রিত হলেও এসব ব্যাংকের কর্মীরা চাকরি হারাবেন না বলে আশ্বস্ত করেছেন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর। আজ  রবিবার (১৫ জুন) বাংলাদেশ ব্যাংকের বোর্ডরুমে এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান। 

গভর্নর বলেন, ‘নির্বাচনের সঙ্গে ব্যাংক মার্জারের কোনো সম্পর্ক নেই।

এটি একটি চলমান প্রক্রিয়া। আমরা আশা করব পরবর্তী সরকার এসে এই প্রক্রিয়াকে এগিয়ে নিয়ে যাবে। তবে নির্বাচন পর্যন্ত অপেক্ষা না করে আগামী কয়েক মাসের মধ্যেই পাঁচটি ইসলামী ব্যাংক মার্জার করা হবে। এ ক্ষেত্রে ব্যাংক কর্মকর্তাদের দুশ্চিন্তার কোনো কারণ নেই।

তবে প্রয়োজনে শাখাগুলো স্থানান্তর করা হবে। যেসব ব্যাংকের শাখা শহরে বেশি সেসব ব্যাংককে গ্রামে পাঠানোর ব্যবস্থা করা যেতে পারে।’ 

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে গভর্নর বলেন, ‘পাচারকৃত সম্পদ উদ্ধারের প্রক্রিয়া ধাপে ধাপে অগ্রসর হতে হবে। আদালতের চূড়ান্ত রায় ছাড়া কোনো সম্পদ উদ্ধার সম্ভব নয়।

এ জন্য আগে সুনির্দিষ্ট তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করে আইনি নথিপত্র তৈরি করতে হবে।’

তিনি বলেন, ‘আমরা চাই আদালতের মাধ্যমে যাচাই হোক—আমাদের দাবি যথাযথ কি না। আদালতের সিদ্ধান্তের ভিত্তিতেই অর্থ উদ্ধার সম্ভব হবে।’

একীভূত হতে যাওয়া ব্যাংকগুলো হলো—

১. ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক,

২. গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক,

৩. ইউনিয়ন ব্যাংক,

৪. সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক,

৫. এক্সিম ব্যাংক।

এডিআর প্রসঙ্গ তুলে বলেন, ‘আদালতের বাইরে সমঝোতার মাধ্যমে অর্থ ফেরত আনার ব্যবস্থাও রয়েছে। এই পদ্ধতিতেও একটি নির্দিষ্ট প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে হয়, যেখানে উভয় পক্ষের আইনজীবীরা আলোচনা করে সমাধান খুঁজবেন।

তিনি জানান, কোন পথে এগোনো হবে—আদালত নাকি এডিআর—সেটি নির্ধারণ করবে সরকার। সরকারের নির্দেশনা পেলেই বাংলাদেশ ব্যাংক সম্পদ উদ্ধারে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন করে আইনজীবী নিয়োগ করতে পারবে।

গভর্নর বলেন, ‘দেশীয় সম্পদের জন্য দেশের আদালতে এবং বিদেশি সম্পদের জন্য সংশ্লিষ্ট দেশের আদালতে মামলা পরিচালনা করতে হবে। এই লক্ষ্যেই প্রস্তুতি চলছে।’

অর্থনীতি এর আরও খবর

img

স্বর্ণের দামে নতুন রেকর্ড, ভরি আড়াই লাখ টাকা ছাড়াল

প্রকাশিত :  ০৮:১৭, ২৩ জানুয়ারী ২০২৬

 দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বৃদ্ধির সব রেকর্ড ছাড়িয়ে  গেছে। সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম ৬ হাজার ২৯৯ টাকা বাড়ানো হয়েছে। এতে পূর্বের সব রেকর্ড ভেঙে এক ভরি স্বর্ণের দাম দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৫৫ হাজার ৬১৭ টাকা।

\r\nস্থানীয় বাজারে তেজাবী স্বর্ণের (পাকা স্বর্ণ) দাম বৃদ্ধি পাওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে এই দাম বাড়ানো হয়েছে। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) জানিয়েছে, শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) দুপুর ১২টা ১৫ মিনিট থেকে নতুন দাম কার্যকর হবে।

বাজুসের স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিং কমিটির বৈঠকে এই দাম বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। পরে কমিটির চেয়ারম্যান ডা. দেওয়ান আমিনুল ইসলাম শাহীন স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।    

\r\n\r\n\r\n\r\n\r\n\r\n\r\n\r\n\r\n\r\n\r\n\r\n\r\n\r\n\r\n\r\n\r\n\r\n

এর আগে ২২ জানুয়ারি ভালো মানের এক ভরি স্বর্ণের দাম ৮ হাজার ৩৯৯ টাকা বৃদ্ধি পেয়েছিল। তার আগে যথাক্রমে ২১ জানুয়ারি ৫ হাজার ২৪৯ টাকা, ২০ জানুয়ারি ৪ হাজার ১৯৯ টাকা, ১৫ জানুয়ারি ২ হাজার ৬২৫ টাকা, ১৩ জানুয়ারি ৪ হাজার ১৯৯ টাকা এবং ১১ জানুয়ারি ১ হাজার ৫০ টাকা বাড়ানো হয়েছিল।
\r\nঅর্থাৎ ছয় দফায় ভালো মানের এক ভরি স্বর্ণের দাম মোট ২৫ হাজার ৬৬১ টাকা বৃদ্ধি পেয়েছে। এতে পূর্বের সব রেকর্ড ভেঙে এক ভরি স্বর্ণের দাম রেকর্ড ২ লাখ ৫২ হাজার ৪৬৭ টাকায় পৌঁছেছিল। এই রেকর্ড দাম নির্ধারণের মাত্র ২৪ ঘণ্টার মধ্যে দাম ৩ হাজার ১৪৯ টাকা কমানো হয়েছিল। তবে মাত্র ১২ ঘণ্টার ব্যবধানে আবার দাম বৃদ্ধির কারণে পূর্বের সব রেকর্ড ভেঙে স্বর্ণের সর্বোচ্চ দামের নতুন রেকর্ড সৃষ্টি হলো।