img

পুরান ঢাকায় ব্যবসায়ী হত্যা: ছাত্রদল নেতা রবিনের দায় স্বীকার

প্রকাশিত :  ১৪:২৫, ১২ জুলাই ২০২৫
সর্বশেষ আপডেট: ১৪:৩১, ১২ জুলাই ২০২৫

পুরান ঢাকায় ব্যবসায়ী হত্যা: ছাত্রদল নেতা রবিনের দায় স্বীকার

পুরান ঢাকায় মো. সোহাগ নামে এক ভাঙারি ব্যবসায়ীকে পাথর দিয়ে মাথায় আঘাত করে হত্যার ঘটনায় করা অস্ত্র মামলায় ছাত্রদল নেতা তারেক রহমান রবিন আদালতে দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন।

আজ শনিবার (১২ জুলাই) বিকেলে ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট হাসিব উল্লাহ গিয়াসের আদালতে স্বেচ্ছায় এ জবানবন্দি দেন তিনি। এরপর তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন আদালত। জানা যায়, আসামি তারেক রহমান রবিন রাজধানীর চকবাজার থানার ৩০ নম্বর ওয়ার্ড ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক।

এর আগে বৃহস্পতিবার (১১ জুলাই) রবিনের দুদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জুয়েল রানা। রিমান্ড শেষে আদালতে হাজির করা হলে স্বেচ্ছায় জবানবন্দি দেন রবিন।

জানা যায়, ভাঙারি ব্যবসায়ীকে হত্যার ঘটনায় কোতোয়ালি থানায় দুটি মামলা হয়। একটি হত্যা অন্যটি অস্ত্র মামলা। এর মধ্যে হত্যা মামলায় মাহমুদুল হাসান মহিনকে পাঁচদিন এবং তারেক রহমান রবিনকে অস্ত্র মামলায় দুদিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে।

গত বুধবার (৯ জুলাই) সন্ধ্যা ৬টার দিকে মিটফোর্ড হাসপাতালের ৩ নম্বর গেটসংলগ্ন রজনী ঘোষ লেনে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর পুলিশ মাহমুদুল হাসান মহিন ও তারেক রহমান রবিনকে আটক করে। পরে কোতোয়ালি থানায় একটি হত্যা ও একটি অস্ত্র মামলা হয়।

নিহত মো. সোহাগ কেরানীগঞ্জ মডেল থানার পূর্ব নামাবাড়ি গ্রামের ইউসুফ আলী হাওলাদারের ছেলে। তিনি দীর্ঘদিন ধরে মিটফোর্ড এলাকার ৪ নম্বর রজনী ঘোষ লেনে ভাঙারির ব্যবসা করতেন।

এদিকে পাথর নিক্ষেপ করে প্রকাশ্যে সোহাগকে হত্যার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক ভাইরাল হয়েছে। ফেসবুকে অনেকেই এর নিন্দা জানিয়েছেন।

জাতীয় এর আরও খবর

img

আবারও ফ্যাসিবাদ কায়েমের ইঙ্গিত দিচ্ছে সরকার: জামায়াত আমির

প্রকাশিত :  ১২:৪৭, ১২ এপ্রিল ২০২৬

ডা. শফিকুর রহমান বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে তীব্র সমালোচনা করেছেন । তিনি অভিযোগ করেছেন, সরকার আবারও ফ্যাসিবাদ কায়েমের ইঙ্গিত দিচ্ছে, তবে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে তা প্রতিহত করা হবে।

আজ রোববার (১২ এপ্রিল) রাজধানীর ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স, বাংলাদেশে জুলাই শহীদ পরিবার ও আন্দোলনে অংশগ্রহণকারীদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন তিনি।

জামায়াতের আমির দাবি করেন, জুলাই জাদুঘর জনগণের সম্পদ হলেও সেটিকে দলীয়করণের পথে নেওয়া হচ্ছে। তিনি আরও অভিযোগ করেন, বিএনপি সংস্কার পরিষদের শপথ না নিয়ে জাতির সঙ্গে প্রতারণা করেছে এবং বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান যেমন ক্রিকেট বোর্ড, বিশ্ববিদ্যালয় ও জেলা পরিষদে প্রভাব বিস্তার করছে।

তিনি বলেন, “গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোতে অবৈধ হস্তক্ষেপের মাধ্যমে রাজনৈতিক পরিবেশ সংকুচিত করা হচ্ছে। এই পরিস্থিতি মেনে নেওয়া হবে না, জনগণকে সঙ্গে নিয়ে এর বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলা হবে।”

রাজনৈতিক অবস্থান স্পষ্ট করে শফিকুর রহমান বলেন, সংসদের ভেতরে যতদিন সংগ্রাম সম্ভব ততদিন থাকবেন, তবে মূল লড়াই হবে রাজপথে।

একই অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন নাহিদ ইসলাম। তিনি বলেন, জুলাই আন্দোলনের শহীদদের আত্মত্যাগ বৃথা যেতে দেওয়া হবে না। আসন্ন আন্দোলনে ১১ দলের শীর্ষ নেতারা সামনে থেকে নেতৃত্ব দেবেন বলেও জানান তিনি।

নাহিদ ইসলাম বলেন, “এবার আমরা আংশিক নয়, পূর্ণ সফলতার লক্ষ্য নিয়ে রাজপথে নামবো। প্রয়োজনে নেতারাই সামনে থেকে ঝুঁকি নেবেন।”