img

আদিবাসী ভোটারদের সচেতনতা বৃদ্ধিতে জয়পুরহাটে ইনক্লুসিভ ভোটার এডুকেশন প্রকল্পের সভা

প্রকাশিত :  ০৬:০৯, ১২ নভেম্বর ২০২৫

আদিবাসী ভোটারদের সচেতনতা বৃদ্ধিতে জয়পুরহাটে ইনক্লুসিভ ভোটার এডুকেশন প্রকল্পের সভা

সংগ্রাম দত্ত: আগামী ২০২৬ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আদিবাসী জনগোষ্ঠীর স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ ও সঠিকভাবে ভোটদান নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সচেতনতা বৃদ্ধির উদ্দেশ্যে জয়পুরহাট জেলার পাঁচ উপজেলার বিশটি ইউনিয়ন এবং দিনাজপুরের দুই উপজেলার সাতটি ইউনিয়নে “ইনক্লুসিভ ভোটার এডুকেশন প্রকল্প” শীর্ষক পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (১১ নভেম্বর) সকাল ১১টায় জয়পুরহাটের উচাই আদিবাসী একাডেমীর কনফারেন্স রুমে পিপলস অব দ্য মার্জিনালাইজড ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন (পামডো) এর আয়োজনে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় সভাপতিত্ব করেন পামডো’র প্রতিষ্ঠাতা ও সমতলভূমি আদিবাসীদের মধ্যে প্রথম এমবিবিএস ও বিসিএস ক্যাডার চিকিৎসক ডাঃ দ্বিজেন্দ্রনাথ সরকার, যিনি এ অঞ্চলের আদিবাসীদের জীবনমান উন্নয়ন ও সংস্কৃতি সংরক্ষণে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছেন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জয়পুরহাট জেলার পুলিশ সুপার মুহম্মদ আবদুল ওয়াহাব।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মোঃ মাহমুদ হাসান, সহকারী পুলিশ সুপার (পাঁচবিবি সার্কেল) তুহিন রেজা, জেলা গোয়েন্দা শাখার ওসি আসাদুজ্জামান আসাদ, পাঁচবিবি থানার অফিসার ইনচার্জ নিয়ামুল হক, উপজেলা সহকারী নির্বাচন কর্মকর্তা জুই আক্তার, এবং উপজেলা মহিলা বিষয়ক কার্যালয়ের সহকারী মো. আবু রায়হান।

এছাড়া আইএফইএস (IFES)-এর সিনিয়র প্রোগ্রাম ম্যানেজার কানিজ ফাতেমা, সহযোগী প্রতিষ্ঠান স্বর্ণভূমির নির্বাহী পরিচালক সারাহ মারান্ডী, এবং পামডো’র জেনারেল ম্যানেজার জনাব শাহাবুর রহমান অনুষ্ঠানের সফল পরিচালনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।

ডাঃ দ্বিজেন্দ্রনাথ সরকার তাঁর বক্তব্যে বলেন, “আদিবাসী জনগোষ্ঠীর গণতান্ত্রিক অংশগ্রহণ নিশ্চিত না হলে দেশের সামগ্রিক উন্নয়ন পূর্ণতা পাবে না। এই প্রকল্পের মাধ্যমে আদিবাসী নারী-পুরুষের ভোটাধিকার সচেতনতা আরও বৃদ্ধি পাবে বলে আমি আশাবাদী।”

উল্লেখ্য, ইউকে ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট, ইন্টারন্যাশনাল ফাউন্ডেশন ফর ইলেকটোরাল সিস্টেমস (IFES), ইউএনডিপি ও সিডা’র সহযোগিতায় বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে সমন্বয়ে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করতে সারাদেশে ১৩টি বেসরকারি সংস্থার মাধ্যমে এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হচ্ছে।

সভায় অংশগ্রহণকারী কর্মকর্তারা আদিবাসী সম্প্রদায়ের স্বতঃস্ফূর্ত ভোটার নিবন্ধন, ভোটাধিকার প্রয়োগ ও নির্বাচনী তথ্যপ্রাপ্তিতে সহায়তার গুরুত্বের ওপর জোর দেন। অনুষ্ঠানে স্থানীয় আদিবাসী নারী-পুরুষের উপস্থিতি অনুষ্ঠানকে প্রাণবন্ত করে তোলে।

সভা শেষে আয়োজক পামডো পক্ষ থেকে উপস্থিত সকল কর্মকর্তা, অতিথি ও অংশগ্রহণকারীদের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা হয়।


img

লিবিয়া থেকে দেশে ফিরলেন ৩১০ বাংলাদেশি

প্রকাশিত :  ১৩:৫২, ০৫ ডিসেম্বর ২০২৫

লিবিয়া থেকে দেশে ফিরিয়ে আনা হয়েছে ৩১০ বাংলাদেশিকে। আজ শুক্রবার (৫ ডিসেম্বর) সকাল ১০টায় একটি চার্টার্ড ফ্লাইটে তারা দেশে পৌঁছান। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, তাদের বেশিরভাগই সমুদ্র পথে অবৈধভাবে ইউরোপ যাওয়ার উদ্দেশ্যে মানবপাচারকারীদের প্ররোচনা ও সহযোগিতায় লিবিয়ায় অনুপ্রবেশ করে। অনেকে লিবিয়ায় বিভিন্ন সময় অপহরণ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

লিবিয়ায় বাংলাদেশ দূতাবাস, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সমন্বিত উদ্যোগে—লিবিয়া সরকার ও আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার (আইওএম) সহযোগিতায় বাংলাদেশিদের দেশে ফিরিয়ে আনা হয়েছে।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও আর্ন্তজাতিক অভিবাসন সংস্থার কর্মকর্তারা প্রত্যাবাসিত বাংলাদেশি নাগরিকদের বিমানবন্দরে অভ্যর্থনা জানান। জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে তাদের এই দুর্বিষহ অভিজ্ঞতা সম্ভাব্য সকলের সাথে বিনিময় করার জন্য পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে তাদের অনুরোধ জানানো হয়। আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার পক্ষ থেকে প্রত্যাবাসন করা প্রত্যেককে পথ খরচ, কিছু খাদ্যসমগ্রী ও প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, লিবিয়ার বিভিন্ন ডিটেনশন সেন্টারে আটক বাংলাদেশি নাগরিকদের নিরাপদে প্রত্যাবাসনের ব্যবস্থা করতে মন্ত্রণালয়, লিবিয়ায় বাংলাদেশ দূতাবাস, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং আর্ন্তজাতিক অভিবাসন সংস্থা একসঙ্গে কাজ করছে।