img

ইসির সংলাপ থেকে বের করে দেওয়া হলো ইসলামী ঐক্যজোটের একাংশকে

প্রকাশিত :  ০৯:০৫, ১৬ নভেম্বর ২০২৫

ইসির সংলাপ থেকে বের করে দেওয়া হলো ইসলামী ঐক্যজোটের একাংশকে

ইসলামী ঐক্যজোটের দুই অংশের বিরোধের কারণে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সঙ্গে সংলাপে  দলটির একাংশকে বের করে দেওয়া হয়েছে। আজ রোববার (১৬ নভেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে ইসির সম্মেলন কক্ষে সংলাপ শুরুর আগে এ ঘটনা ঘটে।

এ সময় প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনসহ নির্বাচন কমিশনের চার কমিশনার ও ৬টি রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

জানা গেছে, সংলাপ শুরুর কয়েক মিনিট আগে মহাসচিব মুফতি সাখাওয়াত হোসেন রাজির নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল হলরুমে প্রবেশ করলে সেখানে আগেই উপস্থিত ছিলেন হাসানাত আমিনীর অংশের প্রতিনিধি দল। সেখানেই সাখাওয়াত হোসেন রাজি অন্য অংশকে ‘ফ্যাসিবাদের দোসর’ আখ্যায়িত করেন। তিনি বলেন, ‘তারা বিগত নির্বাচনে ফ্যাসিবাদকে বৈধতা দিয়েছে, তাই তারা থাকলে আমরা সংলাপে অংশ নেবো না।’

এরপর ইসির সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ উভয় পক্ষের আমন্ত্রণপত্র পরীক্ষা করতে চান। রাজির অংশ হার্ডকপি দেখাতে সক্ষম হলেও আমিনীর অনুসারীরা কেবল মোবাইলে থাকা কপি দেখান। সচিব ঘোষণা করেন, ‘হার্ডকপি না থাকলে আপনাদের চলে যেতে হবে।’ একাধিক অনুরোধের পরও এই সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করা হয়নি। ফলে আমিনীর অংশকে সম্মেলনকক্ষ থেকে বের হয়ে যেতে হয়।

বের হয়ে যাওয়া অংশের যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা আলতাফ হোসেন সাংবাদিকদের অভিযোগ করেন, ‘নির্বাচন কমিশন একতরফা সিদ্ধান্তে আমাদের বের করে দিয়েছে। অথচ আমাদের নামে দল নিবন্ধিত এবং আমাদেরই আমন্ত্রণপত্র দেওয়া হয়েছিল। ব্ল্যাকমেল করে আমন্ত্রণপত্র অন্য অংশ নেয়েছে।’

সংলাপের শুরুতে সিইসি বলেন, সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজনের জন্য রাজনৈতিক দলগুলোর সহযোগিতা প্রয়োজন। তিনি আরও বলেন, আচরণবিধি অনুসরণে সংলাপ ও ভোট প্রক্রিয়া সুন্দরভাবে সম্পন্ন করা সম্ভব এবং দলগুলোও এই আচরণবিধি প্রচারে অংশ নিতে পারে।

সকাল সংলাপে অংশ নেয় গণফোরাম, গণফ্রন্ট, ইসলামী ঐক্যফ্রন্ট বাংলাদেশ, ইসলামী ঐক্যজোট, বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টি-বিএসপি এবং বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি।


img

জার্মানি থেকে খালেদা জিয়ার জন্য এয়ার অ্যাম্বুলেন্স পাঠাচ্ছে কাতার

প্রকাশিত :  ১৩:০১, ০৫ ডিসেম্বর ২০২৫

বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে চিকিৎসার জন্য লন্ডনে নেওয়ার উদ্দেশ্যে কাতার সরকারের ব্যবস্থাপনায় জার্মানি থেকে একটি এয়ার অ্যাম্বুলেন্স ঢাকায় আসছে। আজ বিকেল ৫টায় এয়ার অ্যাম্বুলেন্সটি হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করার কথা রয়েছে।

আজ শুক্রবার সন্ধ্যায় ঢাকায় কাতার দূতাবাসের জনসংযোগ কর্মকর্তা আসাদুর রহমান আসাদ সমকালকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, ‘কাতার সরকার একটি এয়ার অ্যাম্বুলেন্স ভাড়া করে দিচ্ছে, সেটা জার্মানি থেকে ঢাকায় আসবে। আগামীকাল শনিবার বিকেলে এটি শাহজালাল বিমানবন্দরে পৌঁছানোর কথা রয়েছে।’

এর আগে কাতারের আমিরের পক্ষ থেকে একটি বিশেষ এয়ার অ্যাম্বুলেন্স পাঠানোর কথা ছিলো। তবে শেষ মুহূর্তে যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে তা সম্ভব না হয়নি। তাই কাতার বিকল্প ব্যবস্থা হিসেবে এখন জার্মানভিত্তিক প্রাইভেট ভাড়া করে পাঠাচ্ছে।

এয়ার অ্যাম্বুলেন্সটি খালেদা জিয়াকে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে নিয়ে লন্ডনের উদ্দেশ্যে রওনা হবে বলে জানিয়েছেন ঢাকায় কাতারে দূতাবাসের মিডিয়া কর্মকর্তা।

গত ২৩ নভেম্বর থেকে বসুন্ধরার এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন খালেদা জিয়া। তার ফুসফুসে সংক্রমণে অবস্থার অবনতি হলে গত ২৭ নভেম্বর থেকে ক্রিটিক্যাল কেয়ার ইউনিটে নিয়ে চিকিৎকরা তাকে বিশেষ ব্যবস্থায় নিবিড়ভাবে চিকিৎসা দিচ্ছেন। অধ্যাপক শাহাবুদ্দিন তালুকদারের নেতৃত্বে বিশেষজ্ঞদের একটি মেডিকেল বোর্ড খালেদা জিয়ার চিকিৎসা কার্যক্রম তদারকি করছেন। 

৮০ বছর বয়সী সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া দীর্ঘদিন ধরে হৃদ্‌রোগ, ডায়াবেটিস, আর্থ্রাইটিস, লিভার সিরোসিস, কিডনির জটিলতাসহ নানা শারীরিক জটিলতায় ভুগছেন।


জাতীয় এর আরও খবর