img

শহীদ বুদ্ধিজীবী ও বিজয় দিবসে পুলিশকে অত্যন্ত সতর্ক থাকার নির্দেশ

প্রকাশিত :  ১৫:৫৬, ০৮ ডিসেম্বর ২০২৫
সর্বশেষ আপডেট: ১৭:৩০, ০৮ ডিসেম্বর ২০২৫

শহীদ বুদ্ধিজীবী ও বিজয় দিবসে পুলিশকে অত্যন্ত সতর্ক থাকার নির্দেশ

আসন্ন শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস (১৪ ডিসেম্বর) ও মহান বিজয় দিবস (১৬ ডিসেম্বর) সুষ্ঠুভাবে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে পুলিশকে অত্যন্ত সতর্ক থাকার নির্দেশ দিয়েছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (অ্যাডমিন) মো. সরওয়ার।

আজ সোমবার (৮ ডিসেম্বর) ডিএমপি হেডকোয়ার্টার্সে সম্মেলন কক্ষে সমন্বয় সভায় তিনি এ নির্দেশনা দেন। জাতীয় দিবস দুটি যথাযোগ্য মর্যাদায় উদযাপনে এবং জাতীয় কর্মসূচিগুলো সুষ্ঠুভাবে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে সার্বিক আইনশৃঙ্খলা ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। 

অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মো. সরওয়ার বলেন, সবাইকে অত্যন্ত সতর্ক থাকতে হবে। রাষ্ট্রীয় কর্মসূচি সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে জনবল মোতায়নে কোনো বিলম্ব করা যাবে না। সংশ্লিষ্ট সব সংস্থার মধ্যে সমন্বয় রাখতে হবে। ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ দুটি গুরুত্বপূর্ণ দিবসকে কেন্দ্র করে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেবে।

অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) এস এন মো. নজরুল ইসলাম বলেন, আশা করি সবার সহযোগিতায় দিবস দুটি নির্বিঘ্নে উদ্‌যাপিত হবে। সবাইকে যথাযথভাবে নিজ নিজ পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে হবে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলোতে গুজব বা ভুয়া সংবাদ ছড়িয়ে জনমনে যেন বিভ্রান্তি সৃষ্টি করতে না পারে সেজন্য সজাগ দৃষ্টি রাখতে হবে।

সমন্বয় সভার শুরুতে ডিএমপির যুগ্ম পুলিশ কমিশনার (অপারেশনস্) মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে আসন্ন শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস ও মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে গৃহীত সার্বিক নিরাপত্তা পরিকল্পনা উপস্থাপন করেন।


জাতীয় এর আরও খবর

img

বাংলাদেশে শান্তিপূর্ণ ও নিরাপদ নির্বাচন চায় জাতিসংঘ

প্রকাশিত :  ০৬:৪৬, ২১ জানুয়ারী ২০২৬
সর্বশেষ আপডেট: ০৬:৪৬, ২১ জানুয়ারী ২০২৬

বালাদেশে আসন্ন  ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনকে ঘিরে আন্তর্জাতিক নজরদারি অব্যাহত রয়েছে। শান্তিপূর্ণ, নিরাপদ ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনী পরিবেশ নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেছে জাতিসংঘ। নিয়মিত ব্রিফিংয়ে সংস্থাটির শীর্ষ কর্মকর্তারা বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া নিয়ে তাদের অবস্থান স্পষ্ট করেছেন।

জাতিসংঘের নিয়মিত ব্রিফিংয়ে এ বিষয়ে কথা বলেন মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেসের ডেপুটি মুখপাত্র ফারহান হক। এক সাংবাদিক বাংলাদেশ পরিস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন তোলেন।

সাংবাদিক প্রশ্ন করেন, জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থানের পর নোবেলজয়ী অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হয়েছে এবং সরকার আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন নির্ধারণ করেছে। এই প্রেক্ষাপটে নির্বাচনকালীন ও নির্বাচন-পরবর্তী সময়ে গণতন্ত্র ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা বজায় রাখতে মহাসচিবের কোনো পরামর্শ আছে কি না?
প্রশ্নের জবাবে ফারহান হক বলেন, জাতিসংঘ চায় বাংলাদেশে নির্বাচন প্রক্রিয়া এগিয়ে যাক এবং সেটি সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হোক। তিনি বলেন, “জাতিসংঘের পক্ষ থেকে আমরা পুরো সময়জুড়েই স্পষ্ট করে বলে এসেছি—এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ যে নির্বাচনের জন্য এমন একটি পরিবেশ নিশ্চিত করা হবে, যেখানে সব মানুষ নিরাপদ ও শান্তিপূর্ণভাবে জনজীবনে অংশ নিতে পারবেন এবং ভিন্ন ভিন্ন মতামত স্বাধীনভাবে প্রকাশ করতে পারবেন।”

জাতীয় এর আরও খবর