img

২০২৬ সালে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছুটিও ৬৪ দিন

প্রকাশিত :  ১১:৫৬, ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫

২০২৬ সালে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছুটিও ৬৪ দিন

সরকার শিক্ষার্থীদের শেখার সময় বাড়ানোর লক্ষ্যে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছুটির সংখ্যা কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে । ২০২৬ শিক্ষাবর্ষে আগের বছরের তুলনায় ১২ দিন কমিয়ে মোট ৬৪ দিন ছুটি নির্ধারণ করা হয়েছে। নতুন ছুটির তালিকায় পবিত্র রমজান মাসের প্রায় পুরোটা সময় বিদ্যালয় খোলা রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) বিকেলে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের উপসচিব রওশন আরা পলির সই করা ২০২৬ শিক্ষাবর্ষের বাৎসরিক ছুটির তালিকা পর্যালোচনা করে এসব তথ্য জানা গেছে।

ছুটির তালিকা অনুযায়ী, ২০২৬ সালে পবিত্র রমজান ও ঈদুল ফিতরের ছুটি শুরু হবে ৮ মার্চ থেকে। তবে চাঁদ দেখার ওপর নির্ভর করে আগামী বছর ১৭ ফেব্রুয়ারি থেকেই রোজা শুরু হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সে ক্ষেত্রে রমজান শুরু হলেও ২১ রমজান পর্যন্ত সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় খোলা থাকবে।

২০২৫ শিক্ষাবর্ষে পবিত্র রমজান, শ্রী শ্রী হরিচাঁদ ঠাকুরের আবির্ভাব, স্বাধীনতা দিবস, জুমাতুল বিদা, শবে কদর ও ঈদুল ফিতর উপলক্ষে মোট ২৮ দিন ছুটি ছিল। কিন্তু ২০২৬ শিক্ষাবর্ষে এসব দিবসের ছুটি কমিয়ে ১৯ দিন নির্ধারণ করা হয়েছে।

এছাড়া ঈদুল আজহা ও গ্রীষ্মকালীন অবকাশ মিলিয়ে ছুটি ১৫ দিন থেকে কমিয়ে ১২ দিন করা হয়েছে। শীতকালীন অবকাশও এক দিন কমিয়ে ১০ দিন নির্ধারণ করা হয়েছে।

নতুন ছুটির তালিকা অনুযায়ী, ২০২৬ সালে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের উল্লেখযোগ্য ছুটির মধ্যে রয়েছে—

রোজা ও ঈদুল ফিতরসহ টানা ১৯ দিন,

ঈদুল আজহা ও গ্রীষ্মকালীন অবকাশে ১২ দিন,

দুর্গাপূজায় ৫ দিন,

শীতকালীন অবকাশে ১০ দিন।

সব মিলিয়ে অন্যান্য সাধারণ ছুটিসহ ২০২৬ শিক্ষাবর্ষে দেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে মোট ছুটি থাকবে ৬৪ দিন।

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের কর্মকর্তারা বলছেন, শিক্ষার্থীদের পাঠদান কার্যক্রম আরও গতিশীল করতে এবং বার্ষিক শিক্ষা ক্যালেন্ডার কার্যকরভাবে বাস্তবায়নের লক্ষ্যেই ছুটির সংখ্যা কমানো হয়েছে। তবে রমজান মাসে বিদ্যালয় খোলা রাখার সিদ্ধান্ত নিয়ে শিক্ষক ও অভিভাবকদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে।


শিক্ষা এর আরও খবর

img

এইচএসসি পরীক্ষা পেছাবে কিনা, যা জানা গেল

প্রকাশিত :  ০৭:৪৬, ০৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
সর্বশেষ আপডেট: ০৭:৪৮, ০৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার কার্যক্রম শুরু হবে কি না—এ নিয়ে শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও অভিভাবকদের মধ্যে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। তবে নির্বাচন শুরুর আগে এইচএসসি পরীক্ষার তারিখ চূড়ান্ত করার কোনো পরিকল্পনা নেই বলে জানিয়েছে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড।

বর্তমানে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার প্রশ্নপত্রসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র মুদ্রণের কাজ চলমান থাকায় নির্বাচন শেষ না হওয়া পর্যন্ত এইচএসসি পরীক্ষাসংক্রান্ত কার্যক্রম শুরু করতে চান না সংশ্লিষ্টরা।

রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড ও আন্তঃশিক্ষা বোর্ডের এক দায়িত্বশীল কর্মকর্তা এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, ‘আগামী এপ্রিলের শেষ সপ্তাহে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হবে। আর এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে জুনের শেষ সপ্তাহে। তবে এইচএসসি পরীক্ষার ফরম পূরণ কার্যক্রম শুরু হবে আগামী ১ মার্চ থেকে।’

স্বাভাবিক শিক্ষাবর্ষ অনুযায়ী প্রতি বছর ফেব্রুয়ারিতে এসএসসি এবং এপ্রিলে এইচএসসি পরীক্ষা হওয়ার কথা থাকলেও করোনা মহামারি ও পরবর্তী বিভিন্ন পরিস্থিতির কারণে গত কয়েক বছর ধরে নির্ধারিত সূচি বজায় রাখা সম্ভব হয়নি।

চলতি বছর জাতীয় নির্বাচন ও পবিত্র রমজান মাস বিবেচনায় নিয়ে এসএসসি পরীক্ষা এপ্রিলের শেষ সপ্তাহে আয়োজনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যে এসএসসি পরীক্ষার্থীদের নির্বাচনি পরীক্ষা ও ফরম পূরণের কাজ শেষ হয়েছে। বর্তমানে প্রশ্নপত্র প্রস্তুতসহ পরীক্ষার চূড়ান্ত প্রস্তুতি চলছে। এসএসসি পরীক্ষা শেষে এইচএসসি পরীক্ষার কার্যক্রম শুরু হবে।

শিক্ষা বোর্ড কর্মকর্তারা জানান, পরীক্ষাগুলো সুষ্ঠু, সুন্দর ও নিরাপদভাবে সম্পন্ন করতে সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক থাকলে নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ীই এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।


শিক্ষা এর আরও খবর