img

‘জুলাই যোদ্ধাদের দায়মুক্তি দিতে অধ্যাদেশের খসড়া তৈরি’

প্রকাশিত :  ১১:৫১, ০৮ জানুয়ারী ২০২৬
সর্বশেষ আপডেট: ১১:৫৮, ০৮ জানুয়ারী ২০২৬

‘জুলাই যোদ্ধাদের দায়মুক্তি দিতে অধ্যাদেশের খসড়া তৈরি’

আইন মন্ত্রণালয় জুলাই যোদ্ধাদের দায়মুক্তি অধ্যাদেশের খসড়া প্রস্তুত করেছে। খুব শিগগিরই এটি অনুমোদনের জন্য উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে উপস্থাপন করা হবে বলে জানিয়েছেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল।

আজ বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) বিকালে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুকের এক পোস্টে এসব কথা বলেন তিনি।

‘জুলাই যোদ্ধাদের দায়মুক্তি’ শীর্ষক ওই পোস্টে আইন উপদেষ্টা লিখেছেন, ‘জুলাই যোদ্ধারা জীবন-বাজি রেখে দেশকে ফ্যাসিস্ট শাসন থেকে মুক্ত করেছিল। অবশ্যই তাদের দায়মুক্তির অধিকার রয়েছে। জুলাই গণঅভ্যুত্থানকালে ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনার খুনিদের বিরুদ্ধে তারা যে প্রতিরোধমূলক কার্যক্রম করেছিল সেজন্য তাদের দায়মুক্তি দিয়ে আইন প্রণয়নের প্রয়োজনও রয়েছে।’

পোস্টে তিনি আরও লিখেছেন, ‘এ ধরনের আইন প্রণয়ন সম্পূর্ণ বৈধ। আরব বসন্ত বা সমসাময়িককালে বিপ্লব (বা গণঅভ্যুত্থানে) জনধিকৃত সরকারগুলোর পতনের পর বিভিন্ন দেশে এ ধরনের দায়মুক্তির আইন হয়েছে। বাংলাদেশের সংবিধানের ৪৬ অনুচ্ছেদে দায়মুক্তির আইনের বৈধতা রয়েছে এবং ১৯৭৩ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধের পর মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য দায়মুক্তি আইন হয়েছিল।’

আইন উপদেষ্টা আরও লিখেছেন, ‘এসব নজীর ও আইনের আলোকে আইন মন্ত্রণালয় দায়মুক্তি অধ্যাদেশের একটি খসড়া তৈরি করেছে। ইনশাআল্লাহ্ আগামী উপদেষ্টামণ্ডলীর বৈঠকে তা অনুমোদনের জন্য উপস্থাপন করা হবে। জুলাইকে নিরাপদ রাখা আমাদের পবিত্র দায়িত্ব।’

জাতীয় এর আরও খবর

img

বাংলাদেশে শান্তিপূর্ণ ও নিরাপদ নির্বাচন চায় জাতিসংঘ

প্রকাশিত :  ০৬:৪৬, ২১ জানুয়ারী ২০২৬
সর্বশেষ আপডেট: ০৬:৪৬, ২১ জানুয়ারী ২০২৬

বালাদেশে আসন্ন  ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনকে ঘিরে আন্তর্জাতিক নজরদারি অব্যাহত রয়েছে। শান্তিপূর্ণ, নিরাপদ ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনী পরিবেশ নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেছে জাতিসংঘ। নিয়মিত ব্রিফিংয়ে সংস্থাটির শীর্ষ কর্মকর্তারা বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া নিয়ে তাদের অবস্থান স্পষ্ট করেছেন।

জাতিসংঘের নিয়মিত ব্রিফিংয়ে এ বিষয়ে কথা বলেন মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেসের ডেপুটি মুখপাত্র ফারহান হক। এক সাংবাদিক বাংলাদেশ পরিস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন তোলেন।

সাংবাদিক প্রশ্ন করেন, জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থানের পর নোবেলজয়ী অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হয়েছে এবং সরকার আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন নির্ধারণ করেছে। এই প্রেক্ষাপটে নির্বাচনকালীন ও নির্বাচন-পরবর্তী সময়ে গণতন্ত্র ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা বজায় রাখতে মহাসচিবের কোনো পরামর্শ আছে কি না?
প্রশ্নের জবাবে ফারহান হক বলেন, জাতিসংঘ চায় বাংলাদেশে নির্বাচন প্রক্রিয়া এগিয়ে যাক এবং সেটি সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হোক। তিনি বলেন, “জাতিসংঘের পক্ষ থেকে আমরা পুরো সময়জুড়েই স্পষ্ট করে বলে এসেছি—এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ যে নির্বাচনের জন্য এমন একটি পরিবেশ নিশ্চিত করা হবে, যেখানে সব মানুষ নিরাপদ ও শান্তিপূর্ণভাবে জনজীবনে অংশ নিতে পারবেন এবং ভিন্ন ভিন্ন মতামত স্বাধীনভাবে প্রকাশ করতে পারবেন।”

জাতীয় এর আরও খবর