img

সুনামগঞ্জে আওয়ামী লীগের ৬ নেতা গ্রেপ্তার

প্রকাশিত :  ১৫:০৬, ১০ জানুয়ারী ২০২৬

 সুনামগঞ্জে আওয়ামী লীগের ৬ নেতা গ্রেপ্তার

সুনামগঞ্জ জেলার ছাতক উপজেলায় পৃথক অভিযানে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের ছয় জন নেতা-সমর্থককে গ্রেপ্তার করেছে ছাতক থানা পুলিশ।

শুক্রবার গভীর রাত (১০ জানুয়ারি) থেকে ভোর পর্যন্ত টানা অভিযানে তাদের নিজ নিজ বাড়ি থেকে আটক করা হয়।

শনিবার দুপুরে গ্রেফতার ব্যক্তিদের আদালতে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন ছাতক থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মিজানুর রহমান। তিনি বলেন, গ্রেপ্তার ছয় জনের মধ্যে দুজন নাশকতা মামলার আসামি, বাকী চারজন বিভিন্ন মামলার পলাতক ছিলেন। অভিযান চলমান আছে, অপরাধীদের কেউই ছাড় পাবে না।\'

গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে রয়েছেন- জাউয়াবাজার ইউনিয়নের জাউয়া গ্রামের বাসিন্দা জুমেন আহমদ ওরফে জুমেন মামুন (৩৪)। তিনি ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি। একই ইউনিয়নের একই ওয়ার্ডের আওয়ামী লীগ সভাপতি হিসেবে পরিচিত সিরাজুল ইসলাম (৫২), নোয়ারাই ইউনিয়নের চড়ভাড়া গ্রামের মঈন উদ্দিনের ছেলে লাহিন (২৫), জুড়াপানি গ্রামের মৃত আজমান আলীর ছেলে কয়েছ মিয়া, সিলেটের দক্ষিণ সুরমা উপজেলার গোটাটিকর গ্রামের সুন্দর আলীর ছেলে লায়েক আহমদ (২৪) এবং সদর ইউনিয়নের চাইরচিরা গ্রামের মৃত সুনীল চন্দ্র দাসের ছেলে হিমাংশু।

পুলিশ সূত্র জানায়, তাদের মধ্যে কেউ কেউ দীর্ঘদিন ধরে গা-ঢাকা দিয়ে ছিলেন। সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে শুক্রবার রাতে টানা অভিযানে তাদের আটক করা সম্ভব হয়।

স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি করেছে এ গ্রেফতার অভিযান। পুলিশ বলছে, এলাকায় আইন-শৃঙ্খলা স্বাভাবিক রাখতে এবং পূর্বের সহিংসতার ঘটনার বিচার কার্যক্রম এগিয়ে নিতে অভিযান অব্যাহত থাকবে।

পরে গত শনিবার দুপুরে থানা থেকে কঠোর নিরাপত্তার মাধ্যমে সকলকে সুনামগঞ্জ আদালতে পাঠানো হয়।

সিলেটের খবর এর আরও খবর

img

সিলেটে সেনাবাহিনীর হাতে আটক বিএনপি ও স্বেচ্ছাসেবক দল নেতার বাসা থেকে দেশিয় অস্ত্র উদ্ধার

প্রকাশিত :  ১৪:১৪, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬

সিলেট নগরীতে মধ্যরাতে অভিযান চালিয়ে বিএনপি ও স্বেচ্ছাসেবক দলের দুই নেতাকে আটক করে সেনাবাহিনী। আটককৃতরা হলেন- সিলেট জেলা বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক আনোয়ার হোসেন মানিক ও মহানগর স্বেচ্ছাসেবকদল নেতা মো: সেলিম মিয়া।

আটকের সময় তার কাছ থেকে দা লাঠি, চাকু, হাতুড়িসহ বেশ কিছু দেশিয় অস্ত্র, বেশ কয়েকটি মোবাইল ফোন ও একাধিক ল্যাপটপ জব্দ রো হয়।

বৃহস্পতিবার বিকেলে তাদের সন্দেহভাজন হিসেবে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

সিলেট কতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মঈনুল জাকির জানান, সকালে মানিককে সন্দেহভাজন হিসেবে আমাদের কাছে সোপর্দ করা হয়। বিকেলে আমরা তাকে আদালতে প্রেরণ করেছি।

তিনি বলেন, মানিকের কাছ থেকে দা, লাঠি, মোবাইল ফোসসহ কিছু সামগ্রী উদ্ধার করা হয়েছিলো। এগুলো অস্ত্র আইনে পড়ে না।

এরআগে বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) ভোরে সিলেট জেলা বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক আনোয়ার হোসেন মানিককে তার বাসা থেকে আটক করে সেনাবাহিনী।প্রায় একই সময়ে নগরীর পীরমহল্লার বাসা থেকে মহানগর স্বেচ্ছাসেবকদল নেতা

মো: সেলিম মিয়াকে আটক করা হয়।

পরে বৃহস্পতিবার সকালে মানিককে কোতোয়ালি থানায় হস্তান্তর করে সেনাবাহিনীর অভিযানকারী দলটি।

মানিকের পরিবারের দাবি বুধবার গভীর রাতে আনুমানিক ৩টার সময় সিলেট জেলা বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক আনোয়ার হোসেন মানিকের বাসায় অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করে নিয়ে যায় সেনা সদস্যরা।

বিএনপি নেতা মানিককে গ্রেপ্তারের বিষয়ে সিলেট জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এমরান আহমদ বলেন, ‘বিষয়টি শুনেছি। আমরা বিস্তারিত খোঁজ করে দেখছি কী কারণে তাকে গ্রেপ্তার করা হলো।