img

হলফনামায় প্রদর্শিত হয়নি এমন সম্পদের মালিককে শাসক হিসেবে চাই না: দুদক চেয়ারম্যান

প্রকাশিত :  ০৯:৩২, ১১ জানুয়ারী ২০২৬

হলফনামায় প্রদর্শিত হয়নি এমন সম্পদের মালিককে শাসক হিসেবে চাই না: দুদক চেয়ারম্যান

নির্বাচনী হলফনামায় যেসব সম্পদের তথ্য গোপন রাখা হয়েছে, সেসব সম্পদের মালিকদের ভবিষ্যতে দেশ শাসনের দায়িত্বে দেখতে তিনি চান না—এমন মন্তব্য করেছেন দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ আবদুল মোমেন।

আজ রোববার (১১ জানুয়ারি) দুদকের সাংবাদিকদের সংগঠন রিপোর্টার্স অ্যাগেইনস্ট করাপশন (র‌্যাক)-এর প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী অনুষ্ঠানে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

র‌্যাকের সভাপতি শাফি উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক তাবারুল হকের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে দুদক কমিশনার মিঞা মুহাম্মদ আলি আকবার আজিজী, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) হাফিজ আহ্সান ফরিদ এবং সচিব মোহাম্মদ খালেদ রহীম উপস্থিত ছিলেন।

২০০৮ সালের নির্বাচনের উদাহরণ টেনে দুদক চেয়ারম্যান বলেন, ‘আপনাদের মনে করিয়ে দিই ২০০৮ সালের নির্বাচনে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা হলফনামায় সম্পদের যে বিবরণী দিয়েছিলেন এবং বাস্তবে আমরা যে সম্পত্তি পেয়েছি, তার মধ্যে ছিল বিস্তর ব্যবধান। সেই সময় যদি দুর্নীতি দমন কমিশন এবং নির্বাচন কমিশন সঠিকভাবে কাজ করত, তাহলে তখনই তার প্রার্থিতা বাতিল হওয়ার কথা ছিল; কিন্তু সেটি হয়নি।’

মনোনয়নপত্রের সঙ্গে জমা দেওয়া হলফনামার তথ্য যাচাইয়ের জন্য সাংবাদিকদের সহযোগিতা চেয়ে ড. আবদুল মোমেন বলেন, ‘স্বল্প সময়ে আমাদের পক্ষে অত সূক্ষ্মভাবে কাজ করা কঠিন। আপনারা যদি কোনো ব্যক্তির সম্পদের বিষয়ে সন্দিহান হন, তবে অনুগ্রহ করে সেই তথ্য সবার আগে আমাদের দিন। আপনারা নিজেরাও তো অনুসন্ধানকারী। অনুসন্ধান করে আমাদের সহায়তা করুন। আমরা চাইব না হলফনামায় প্রদর্শিত হয়নি, এমন সম্পদের মালিক আগামী দিনে শাসক হিসেবে আসুক।’

রাষ্ট্রের ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রত্যাশা ব্যক্ত করে দুদক চেয়ারম্যান বলেন, সবার জন্য সুশাসন ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা আমাদের লক্ষ্য। একটি ন্যায়নিষ্ঠ ও সুবিচারসম্পন্ন রাষ্ট্র গঠনের জন্য দুর্নীতি নিরসন জরুরি। আমাদের প্রত্যাশা থাকবে, আগামীতে যারা শাসক হবেন তারা যেন অবশ্যই ন্যায়নিষ্ঠ হন।

জাতীয় এর আরও খবর

img

বাংলাদেশে শান্তিপূর্ণ ও নিরাপদ নির্বাচন চায় জাতিসংঘ

প্রকাশিত :  ০৬:৪৬, ২১ জানুয়ারী ২০২৬
সর্বশেষ আপডেট: ০৬:৪৬, ২১ জানুয়ারী ২০২৬

বালাদেশে আসন্ন  ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনকে ঘিরে আন্তর্জাতিক নজরদারি অব্যাহত রয়েছে। শান্তিপূর্ণ, নিরাপদ ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনী পরিবেশ নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেছে জাতিসংঘ। নিয়মিত ব্রিফিংয়ে সংস্থাটির শীর্ষ কর্মকর্তারা বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া নিয়ে তাদের অবস্থান স্পষ্ট করেছেন।

জাতিসংঘের নিয়মিত ব্রিফিংয়ে এ বিষয়ে কথা বলেন মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেসের ডেপুটি মুখপাত্র ফারহান হক। এক সাংবাদিক বাংলাদেশ পরিস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন তোলেন।

সাংবাদিক প্রশ্ন করেন, জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থানের পর নোবেলজয়ী অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হয়েছে এবং সরকার আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন নির্ধারণ করেছে। এই প্রেক্ষাপটে নির্বাচনকালীন ও নির্বাচন-পরবর্তী সময়ে গণতন্ত্র ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা বজায় রাখতে মহাসচিবের কোনো পরামর্শ আছে কি না?
প্রশ্নের জবাবে ফারহান হক বলেন, জাতিসংঘ চায় বাংলাদেশে নির্বাচন প্রক্রিয়া এগিয়ে যাক এবং সেটি সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হোক। তিনি বলেন, “জাতিসংঘের পক্ষ থেকে আমরা পুরো সময়জুড়েই স্পষ্ট করে বলে এসেছি—এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ যে নির্বাচনের জন্য এমন একটি পরিবেশ নিশ্চিত করা হবে, যেখানে সব মানুষ নিরাপদ ও শান্তিপূর্ণভাবে জনজীবনে অংশ নিতে পারবেন এবং ভিন্ন ভিন্ন মতামত স্বাধীনভাবে প্রকাশ করতে পারবেন।”

জাতীয় এর আরও খবর