img

তাহিরপুরে পাওনা টাকা নিয়ে বিরোধের জের ধরে হত্যা, কারাগারে ৫

প্রকাশিত :  ১১:৫৮, ১৩ জানুয়ারী ২০২৬

তাহিরপুরে পাওনা টাকা নিয়ে বিরোধের জের ধরে হত্যা, কারাগারে ৫

সুনামগঞ্জ জেলার তাহিরপুরে পাওনা টাকা নিয়ে বিরোধের জেরধরে প্রতিপক্ষের হামলায় সোনা মিয়া হত্যার ঘটনায় ৫জনকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব।

সোমবার (১২ জানুয়ারি) দুপুরে গ্রেপ্তারকৃতদেরক হত্যা মামলায় আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠায় তাহিরপুর থানা পুলিশ। এর আগে রবিবার (১১ জানুয়ারি) র‌্যাব সোনা মিয়া হত্যা মামলায় সুনামগঞ্জের তেঘরিয়া এলাকা থেকে ৩জন ও মল্লিকপুর নতুন বাসস্ট্যান্ড এলাকা থেকে আরও ২জনকে পৃথক অভিযান চালিয়ে গ্রেপ্তার করে।

পরে স্থানীয়রা গুরুতর আহত অবস্থায় সোনা মিয়াকে উদ্ধার করে প্রথমে সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে, পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৪ অক্টোবর ভোরে সোনা মিয়া মারা যান। এ ঘটনায় নিহতের ছেলে বাদী হয়ে তাহিরপুর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলো, সুনামগঞ্জ জেলার তাহিরপুর থানাধীন হল-হলিয়া গ্রামের মোহাম্মদ আলীর ছেলে জহুর মিয়া (৪২), আব্দুল মোতালিবের ছেলে বিল্লাল মিয়া (৩৪), আমীর আলীর ছেলে শাহজাহান (৩৬)। র‌্যাবের পৃথক আরেক অভিযানে সোনা মিয়া হত্যা মামলায় সুনামগঞ্জ জেলার সদর থানাধীন মল্লিকপুর নতুন বাসস্ট্যান্ড এলাকা থেকে আরও ২জনকে গ্রেপ্তার করেছে। গ্রেপ্তারকৃতরা হচ্ছে, তাহিরপুরের হলহলিয়া গ্রামের আমীর আলীর ছেলে আল আমিন (৩২) ও শাহ করিম (৩৪)।

 রবিবার (১১ জানুয়ারি) রাতে র‌্যাব এসব তথ্য নিশ্চিত করেছে।

 র‌্যাব জানায়, নিহত সোনা মিয়ার ছেলে আব্দুর রহমানের কাছে হত্যা মামলার আসামী নজির হোসেন পাওনা ১৫০০ টাকা নেওয়ার জন্য গত ২১ সেপ্টেম্বর রাতে সোনার মিয়ার বাড়িতে যান। পাওনা টাকার বিষয় নিয়ে নিহতের ছেলে আব্দুর রহমানের সাথে কথা কাটাকাটি হয়।

এরই জের ধরে ২২ সেপ্টেম্বর সকালে আসামীরা পূর্ব পরিকল্পিতভাবে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে সোনা মিয়ার বসতবাড়িতে অনধিকার প্রবেশ করে। এসময় নিহত সোনা মিয়া প্রতিবাদ করায় হামলাকারীরা তার মাথায়, ডান পায়ে, পিঠে ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে পালিয়ে যায়।


img

নবীগঞ্জে ভোটকেন্দ্রে বিশৃঙ্খলা করায় যুক্তরাজ্য প্রবাসীর কারাদণ্ড

প্রকাশিত :  ১১:৩২, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

হবিগঞ্জ জেলার নবীগঞ্জের একটি ভোটকেন্দ্রে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি ও ব্যালট পেপার ছেড়ার অভিযোগে গোলাম রসুল নামের এক প্রবাসীকে কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে উপজেলার ইনাতগঞ্জ ইউনিয়নের মোস্তফাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে এ ঘটনা ঘটে। সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রুহুল আমীন ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রুহুল আমিন জানান, গোলাম রসুল ভোটকেন্দ্রে প্রবেশ করে ভেতরের পরিবেশ নিয়ে আপত্তি তোলেন। এক পর্যায়ে তিনি ভোট দেবেন না বলে একটি ব্যালট পেপার ছিঁড়ে ফেলেন। খবর পেয়ে দায়িত্বপ্রাপ্ত সেনাসদস্যরা এগিয়ে এলে তাদের সঙ্গেও ধস্তাধস্তি করেন তিনি।

পরে ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে ভোটকেন্দ্রে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি ও ব্যালট পেপার নষ্ট করার দায়ে তাকে পাঁচ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়। রায় কার্যকর করতে তাকে হবিগঞ্জ জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

গোলাম রসুল ইনাতগঞ্জ ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা আহাদুর রহমানের ছেলে এবং ইংল্যান্ড প্রবাসী।

সিলেটের খবর এর আরও খবর