img

বাংলাদেশের ভিসা পাননি আইসিসির ভারতীয় কর্মকর্তা, আসছেন একজন

প্রকাশিত :  ০৭:১৫, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬

বাংলাদেশের ভিসা পাননি আইসিসির ভারতীয় কর্মকর্তা, আসছেন একজন

ভারত ও শ্রীলঙ্কার মাটিতে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের বাকি নেই এক মাসও। তবে মোস্তাফিজকে আইপিএল থেকে বাদ দেওয়ায় নিরাপত্তা ইস্যুতে ভারতে বিশ্বকাপ খেলতে যেতে চায় না বাংলাদেশ। আইসিসিকে ই-মেইলের মাধ্যমে সেটি জানিয়েও দেওয়া হয়েছে। 

একাধিক ই-মেইলের পর জুম মিটিংয়েও আলোচনা করেছে বিসিবি ও আইসিসি। তবে আজ শনিবার আইসিসির একজন প্রতিনিধি বাংলাদেশে আসছেন বিসিবির সঙ্গে মিটিং করতে। যদিও মোট দুজন আসার কথা ছিল। তবে আসছেন মাত্র একজন।

আসছেন আইসিসির অ্যান্টি করাপশন এবং নিরাপত্তা বিভাগের প্রধান অ্যান্ড্রু এফগ্রেভ। ভিসা পাননি অন্য আইসিসির কর্মকর্তা, যিনি কিনা ভারতীয় নাগরিক। এই সফরে সেই প্রতিনিধি বিসিবির সঙ্গে বৈঠক করবেন। এমনকী বাংলাদেশ সরকারের প্রতিনিধির সঙ্গে তার বৈঠক হতে পারে।

মোস্তাফিজুর রহমানকে আইপিএল থেকে বাদ দেওয়ার পর ভারতের মাটিতে বিশ্বকাপ খেলতে অস্বীকৃতি জানায় বাংলাদেশ। দাবি তোলে ভেন্যু পরিবর্তনের। এরই প্রেক্ষিতে আজ ১৭ জানুয়ারি বিসিবি ও বাংলাদেশ সরকারের বিভিন্ন পর্যায়ের সঙ্গে আলোচনা করতে আইসিসির দুজন প্রতিনিধি আসছেন। তবে শেষ পর্যন্ত জানা গেছে, একমাত্র প্রতিনিধি হিসেবে আসছেন আইসিসির অ্যান্টি করাপশন এবং নিরাপত্তা বিভাগের প্রধান অ্যান্ড্রু এফগ্রেভ।

যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ নজরুলের নির্দেশে নিরাপত্তা শঙ্কায় ভারতে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলতে না যাওয়ার কথা চিঠিতে আইসিসিকে জানায় বিসিবি। এরপরও একাধিকবার চিঠি চালাচালি হয়েছে। যদিও শোনা যাচ্ছে, আইসিসি ভেন্যু পরিবর্তনে রাজি নয়। এসব নিয়েই মিরপুরে বিসিবির কার্যালয়ে আইসিসির সঙ্গে বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। সেই বৈঠকে উপস্থিত থাকতে পারেন বাংলাদেশ সরকারের কয়েকজন প্রতিনিধি।

এ প্রসঙ্গে বিসিবি পরিচালক ইফতেখার রহমান মিঠু বলেন, ‘এটা (শুধু কি বিসিবির সঙ্গেই বসবে) আমি জানি না। কিন্তু আমি জানি কালকে (আইসিসির প্রতিনিধি) আসছে। এটা সভাপতি সাহেব জানে। আসলে সভাপতি, সহ-সভাপতি উনারা বসবেন। আমরা আশা করছি ভালো একটা আউটকাম আসবে।’

img

অস্ট্রেলিয়ার ‘আশ্রয়’ ত্যাগ করে ইরানে ফিরছেন আরও ৩ ফুটবলার

প্রকাশিত :  ০৭:১০, ১৫ মার্চ ২০২৬
সর্বশেষ আপডেট: ০৭:১৮, ১৫ মার্চ ২০২৬

অস্ট্রেলিয়ায় মানবিক ভিসা নিয়ে থেকে যাওয়া ইরানি নারী ফুটবল দলের আরও তিনজন সদস্য দেশে ফিরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। আজ রোববার অস্ট্রেলিয়ার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী টনি বার্ক এই তথ্য জানান। এতে প্রথমে সাতজন আশ্রয় নিলেও এখন মাত্র তিনজন অস্ট্রেলিয়ায় আছেন।

বার্ক বিবৃতিতে বলেন, ‘গভীর রাতে ইরানি নারী ফুটবল দলের তিনজন সদস্য বাকি দলের সঙ্গে ইরানে ফেরার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। অস্ট্রেলিয়ান কর্মকর্তাদের কাছে এই সিদ্ধান্তের কথা জানানোর পর তাদের বারবার বিকল্প নিয়ে কথা বলার সুযোগ দেওয়া হয়েছিল।’

ইরানি দল গত ফেব্রুয়ারিতে নারী এশিয়ান কাপের জন্য অস্ট্রেলিয়ায় এসেছিল। ২৮ ফেব্রুয়ারি মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ শুরুর আগেই তারা পৌঁছেছিলেন।

২৬ সদস্যের দল থেকে প্রথমে ছয়জন খেলোয়াড় ও একজন সাপোর্ট স্টাফ সদস্য মানবিক ভিসা নিয়ে থেকে যান। ৯ মার্চ বাকি দল সিডনি থেকে মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুরে চলে যায়। এরপর একজন মত বদলে দেশে ফেরেন। শনিবার রাতে আরও তিনজন সিডনি থেকে কুয়ালালামপুরের পথে রওনা দেন। বাকি দলটি তখন থেকে কুয়ালালামপুরেই অপেক্ষা করছিল।

ইরানের সংবাদ সংস্থা তাসনিম জানিয়েছে, সর্বশেষ ফেরা তিনজনের মধ্যে দুজন খেলোয়াড় ও একজন সাপোর্ট স্টাফ সদস্য। এই তিনজন ‘পরিবার ও মাতৃভূমির উষ্ণ আলিঙ্গনে ফিরছেন’ বলে সংবাদ সংস্থাটি বিবৃতিতে জানায়।

প্রথম ম্যাচের আগে জাতীয় সংগীত না গাওয়ায় খেলোয়াড়দের ইরানে ফিরলে বিপদের আশঙ্কা তৈরি হয়েছিল। অস্ট্রেলিয়ায় ইরানি প্রবাসী গোষ্ঠী এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও তাদের সাহায্য করার জন্য অস্ট্রেলিয়া সরকারকে আহ্বান জানিয়েছিলেন।

তবে ইরানের তাসনিম সংবাদ সংস্থা খেলোয়াড়দের দলে ফেরাকে ‘আমেরিকান-অস্ট্রেলিয়ান প্রকল্পের লজ্জাজনক ব্যর্থতা এবং ট্রাম্পের আরেকটি পরাজয়’ হিসেবে বর্ণনা করেছে।