পরিবারের অভিযোগ

img

বিশ্বনাথে রেছনাকে আগুনে পুড়িয়ে হত্যা করা হয়েছে

প্রকাশিত :  ১০:৩০, ২০ জানুয়ারী ২০২৬

বিশ্বনাথে রেছনাকে আগুনে পুড়িয়ে হত্যা করা হয়েছে

সিলেট জেলার বিশ্বনাথ উপজেলায় বিয়ের ১৬ দিনের মাথায় আগুনে দগ্ধ হয়ে রেছনা বেগম (২৩) নামের এক নারীর মৃত্যুর ঘটনায় স্বামী আবদুল মালিককে কারাগারে পাঠিয়েছে আদালত।

এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই পরিবারের পক্ষ থেকে পাল্টাপাল্টি অভিযোগ করা হচ্ছে।

রেছনা বেগম বিশ্বনাথ উপজেলার খাজাঞ্চী ইউনিয়নের দ্বীপবন্দ বিলপাড় গ্রামের আবদুল মালিকের (৩৪) স্ত্রী ও অলংকারী ইউনিয়নের আলমনগর গ্রামের আবদুশ শহীদ সরকারের মেয়ে। চলতি বছরের ২ জানুয়ারি পারিবারিকভাবে আবদুল মালিকের সঙ্গে তাঁর বিয়ে হয়।

রেছনার পরিবারের অভিযোগ, শ্বশুরবাড়িতে নির্যাতনের পর তাঁকে আগুনে পুড়িয়ে হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় মামলা করার প্রস্তুতি চলছে। এরই মধ্যে পুলিশ আবদুল মালিককে সন্দেহভাজন হিসেবে (৫৪ ধারায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে) সোমবার আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠিয়েছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত রোববার বিকেলের দিকে স্বামীর বাড়িতে আগুনে দগ্ধ হন রেছনা বেগম। প্রতিবেশীরা তাঁকে উদ্ধার করে সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নেওয়ার পথে তাঁর মৃত্যু হয়।

অন্যদিকে, আবদুল মালিকের পরিবারের দাবি, ঘটনার দিন সকালে আবদুল মালিক বাড়ি ছিলেন না। তাঁর বড় ভাইয়ের অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীকে চিকিৎসার জন্য সিলেটের একটি ক্লিনিকে নিয়ে যান। পরিবারের অন্য সদস্যরাও সঙ্গে ছিলেন। ওই সময় ঘরে ছিলেন শুধু রেছনা ও আবদুল মালিকের আট বছর বয়সী এক ভাগনি। বেলা সাড়ে ৩টার দিকে রান্নাঘর থেকে চিৎকার শুনে প্রতিবেশীরা গিয়ে রেছনাকে দগ্ধ অবস্থায় উদ্ধার করেন।

রেছনার চাচা আবদুল সাত্তারের অভিযোগ, রেছনাকে শ্বশুরবাড়ির লোকজন নির্যাতন করে আগুনে পুড়িয়ে থাকতে পারে। এ ঘটনায় দ্রুত মামলা করা হবে।

আবদুল মালিককে জেলহাজতে পাঠানোর সত্যতা নিশ্চিত করে বিশ্বনাথ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গাজী মাহবুবুর রহমান বলেন, রেছনার মরদেহ ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। পরিবারটির পক্ষ থেকে মামলা করার প্রস্তুতি চলছে।


img

নবীগঞ্জে ভোটকেন্দ্রে বিশৃঙ্খলা করায় যুক্তরাজ্য প্রবাসীর কারাদণ্ড

প্রকাশিত :  ১১:৩২, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

হবিগঞ্জ জেলার নবীগঞ্জের একটি ভোটকেন্দ্রে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি ও ব্যালট পেপার ছেড়ার অভিযোগে গোলাম রসুল নামের এক প্রবাসীকে কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে উপজেলার ইনাতগঞ্জ ইউনিয়নের মোস্তফাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে এ ঘটনা ঘটে। সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রুহুল আমীন ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রুহুল আমিন জানান, গোলাম রসুল ভোটকেন্দ্রে প্রবেশ করে ভেতরের পরিবেশ নিয়ে আপত্তি তোলেন। এক পর্যায়ে তিনি ভোট দেবেন না বলে একটি ব্যালট পেপার ছিঁড়ে ফেলেন। খবর পেয়ে দায়িত্বপ্রাপ্ত সেনাসদস্যরা এগিয়ে এলে তাদের সঙ্গেও ধস্তাধস্তি করেন তিনি।

পরে ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে ভোটকেন্দ্রে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি ও ব্যালট পেপার নষ্ট করার দায়ে তাকে পাঁচ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়। রায় কার্যকর করতে তাকে হবিগঞ্জ জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

গোলাম রসুল ইনাতগঞ্জ ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা আহাদুর রহমানের ছেলে এবং ইংল্যান্ড প্রবাসী।

সিলেটের খবর এর আরও খবর