img

তুরস্কে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ১৬

প্রকাশিত :  ০৫:০৩, ০২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

তুরস্কে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ১৬

তুরস্কে দুটি পৃথক সড়ক দুর্ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত ১৬ জন নিহত হয়েছেন। দেশটির দক্ষিণাঞ্চলে এ দুর্ঘটনা ঘটে। আজ রোববার (০১ ফেব্রুয়ারি) গালফ নিউজের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

দেশটির সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আনতালিয়া শহরের কাছে মহাসড়কে একটি দুর্ঘটনা ঘটেছে। এলাকাটিতে একটি বাস সড়ক থেকে ছিটকে পড়ে গেলে ৯ জন নিহত এবং ২৫ জন আহত হন। আহতদের মধ্যে ৭ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছেন আনতালিয়া প্রদেশের গভর্নর হুলুসি শাহিন।

ডিএইচএ বার্তা সংস্থা জানিয়েছে, আনতালিয়া থেকে ইসপার্তা যাওয়ার মহাসড়কের বুরদুর এলাকায় আরেকটি দুর্ঘটনা ঘটেছে। এতে ৭ জন নিহত এবং আরও ৫ জন আহত হয়েছেন।

গভর্নর শাহিন জানান, বাসটিতে মোট ৩৪ যাত্রী ছিলেন। তারা তুরস্কের পশ্চিমাঞ্চলীয় শহর তেকিরদাগ থেকে আনতালিয়ার দিকে যাচ্ছিলেন। তবে নিহতদের মধ্যে কোনো বিদেশি নাগরিক ছিলেন কি না, সে বিষয়ে তিনি কিছু জানাননি।

তিনি বলেন, এটি এমন একটি সংযোগস্থল যেখানে দ্রুতগতিতে গাড়ি চালানো উচিত নয়। কিন্তু ধারণা করা হচ্ছে, বাসটি উচ্চগতিতে সেখানে প্রবেশ করেছিল। বৃষ্টির কারণে সড়কটি পিচ্ছিল হয়ে পড়েছিল।

উল্লেখ্য, আনতালিয়া উপকূলীয় অঞ্চলটি তুরস্কের অন্যতম জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্র। এ অঞ্চলে প্রতি বছর বিপুল সংখ্যক বিদেশি পর্যটক ভ্রমণ করেন।


আন্তর্জাতিক এর আরও খবর

img

বৈশ্বিক উত্তেজনার মাঝেই ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়লেন কিম

প্রকাশিত :  ১১:৫৪, ০৫ মার্চ ২০২৬

বিশ্ব পরিস্থিতি যখন ক্রমেই অস্থির হয়ে উঠছে, ঠিক তখনই নিজেদের সামরিক শক্তির প্রদর্শন করল উত্তর কোরিয়া। দেশটির নতুন নির্মিত একটি ডেস্ট্রয়ার যুদ্ধজাহাজ থেকে সফলভাবে ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণ করা হয়েছে। এ সময় উত্তর কোরিয়ার সর্বোচ্চ নেতা কিম জং-উন স্বশরীরে উপস্থিত থেকে পুরো কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করেন।

গতকাল বুধবার (৪ মার্চ) উত্তর কোরিয়ার পশ্চিম উপকূলে অবস্থিত নাম্পো শিপইয়ার্ড থেকে ‘চো হিওন’ নামের নতুন এই ডেস্ট্রয়ার জাহাজ আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু করে। উত্তর কোরিয়ার সরকারি সংবাদমাধ্যম কেসিএনএ জানিয়েছে, দেশটির নৌবাহিনীর নিজস্ব প্রযুক্তিতে নির্মিত প্রায় ৫০০ টন ওজনের এই জাহাজ থেকেই ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্রটি উৎক্ষেপণ করা হয়েছে।

জাহাজটির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে গিয়ে কিম জং-উন বলেন, অচিরেই তাদের নৌবাহিনী পানির নিচ থেকে এবং সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকেও আঘাত হানার সক্ষমতা অর্জন করবে। পাশাপাশি নৌবাহিনীকে পরমাণু অস্ত্রে সজ্জিত করার যে পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে, সেটিও ইতিবাচকভাবে এগিয়ে যাচ্ছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।

সাম্প্রতিক এই সাফল্যের কথা উল্লেখ করে কিম বলেন, নৌ প্রতিরক্ষায় এ ধরনের অগ্রগতি দেশের সামুদ্রিক সার্বভৌমত্ব রক্ষায় বড় ধরনের পরিবর্তন এনেছে, যা গত পাঁচ দশকেও সম্ভব হয়নি।

বিশ্লেষকদের মতে, উত্তর কোরিয়ার এই নতুন সমরাস্ত্র প্রদর্শন অঞ্চলজুড়ে ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা আরও বাড়িয়ে দিতে পারে।