বিশ্ববাজারে তেলের দরপতন
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে উত্তেজনা প্রশমনের সম্ভাবনার ইঙ্গিত মিলতেই বিশ্ববাজারে তেলের দামে বড় ধরনের পতন হয়েছে। একদিনে তেলের দাম ৪ শতাংশের বেশি কমে যায়।
\r\n
সোমবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানান, ইরান গুরুত্বপূর্ণ আলোচনার জন্য প্রস্তুত। তার এই মন্তব্যের পরই বাজারে ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া দেখা যায় এবং বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আশার সঞ্চার হয়। উত্তেজনা কমলে তেল সরবরাহে বিঘ্নের আশঙ্কা হ্রাস পাবে—এমন প্রত্যাশায় তেলের দামে এই পতন ঘটে।
এ কারণে জ্বালানি তেলের দাম ব্যাপকভাবে নেমে এসেছে।
লন্ডনের ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেলপ্রতি ২.৮১ ডলার বা ৪.১ শতাংশ কমে ৬৬.৫১ ডলারে নেমে গেছে। একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) ক্রুডের দামও ২.৭০ ডলার বা ৪.১ শতাংশ কমে ৬২.৫১ ডলারে নেমেছে।
এর আগে ওই দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনার কারণে তেলের দাম ছয় মাসের সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছিল। তবে ট্রাম্পের আলোচনার প্রস্তুতির ঘোষণায় এবং ইরানের শীর্ষ নিরাপত্তা কর্মকর্তার সামরিক মহড়ার কোনো পরিকল্পনা না থাকার খবর বাজারের চাপ কমিয়েছে।
ওপেক প্লাস জোট মার্চ মাসে তেল উৎপাদন অপরিবর্তিত রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে এবং দুর্বল মৌসুমি চাহিদার কারণে উৎপাদন বাড়ানোর পরিকল্পনা স্থগিত রেখেছে।


















