img

দেশের বাজারে ৫ ঘণ্টার ব্যবধানে ফের বাড়ল স্বর্ণের দাম

প্রকাশিত :  ১২:২৫, ০৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

দেশের বাজারে ৫ ঘণ্টার ব্যবধানে ফের বাড়ল স্বর্ণের দাম

বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে । নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ভরিতে ১০ হাজার ৯০৬ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা। আজ বিকাল ৪টা থেকে এ নতুন দাম কার্যকর হবে।

আজ মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। 

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) দাম বাড়ায় সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।

নতুন দাম অনুযায়ী, দেশের বাজারে প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৬২ হাজার ১৮৪ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৫০ হাজার ১৯২ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১৪ হাজার ৪৪৩ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৭৫ হাজার ৪৮৪ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে ২৪ বারের মতো সমন্বয় করা হলো স্বর্ণের দাম। যেখানে দাম ১৬ বাড়ানো হয়েছে, কমানো হয়েছে ৮ দফা। আর গত ২০২৫ সালে দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়। যেখানে ৬৪ বার দাম বাড়ানো হয় এবং ২৯ বার কমানো হয়।


img

পুঁজিবাজারে আস্থার জয়গান: বিনিয়োগকারীদের জয় হোক রোববারের সূর্যোদয়ে

প্রকাশিত :  ০৫:৪৯, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
সর্বশেষ আপডেট: ০৬:৩১, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

রাজনীতিতে যখন পরিবর্তনের হাওয়া লাগে, অর্থনীতির পালেও তখন নতুন গতি সঞ্চার হয়। দীর্ঘ প্রতীক্ষিত ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে রাজনৈতিক পটপরিবর্তন এবং বিএনপির নিরঙ্কুশ জয় আমাদের ঝিমিয়ে পড়া পুঁজিবাজারে নতুন প্রাণের সঞ্চার করেছে। আগামী রোববার কেবল একটি সাধারণ কার্যদিবস নয়; বরং এটি সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হারানো আত্মবিশ্বাস ফিরে পাওয়ার মাহেন্দ্রক্ষণও হতে পারে।

নতুন দিনের হাতছানি
গত কয়েক বছরে দেশের পুঁজিবাজার নানাবিধ অস্থিরতা ও আস্থার সংকটে ভুগেছে। তবে পরিবর্তনের এই সময়ে বাজারের আকাশে নতুন সূর্যোদয়ের আভা দেখা যাচ্ছে। দীর্ঘদিন পর বাজার এখন সিন্ডিকেটমুক্ত ও সুশাসনের প্রত্যাশা করছে। নবনির্বাচিত সরকারের সম্ভাব্য অর্থনৈতিক পরিকল্পনা ও বিনিয়োগবান্ধব দৃষ্টিভঙ্গিই হতে পারে আগামীর প্রধান চালিকাশক্তি।

বিনিয়োগকারীদের জন্য কিছু জরুরি কথা
আতঙ্ক নয়, এখন ধৈর্যের সময়: মনে রাখবেন, বাজারের তলানি থেকেই নতুন উচ্চতার সূচনা হয়। বর্তমান রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা সূচকের গ্রাফকে ঊর্ধ্বমুখী করতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে। তাই সাময়িক অস্থিরতায় বিচলিত না হয়ে বিচক্ষণ সিদ্ধান্ত নিন।

সুশাসনের প্রত্যাশা: বিপুল জনসমর্থন নিয়ে কোনো সরকার ক্ষমতায় এলে নীতি-নির্ধারণে স্বচ্ছতা ও গতিশীলতা আসে বলে প্রত্যাশা করা যায়। এটি বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণেও সহায়ক হতে পারে, যার সুফল পেতে পারেন সাধারণ বিনিয়োগকারীরা।

রোববার হোক আস্থার দিন: দীর্ঘ সময় ধরে যারা ধৈর্য ধরে আছেন, রোববারের সূচক তাদের মুখে আশার হাসি ফুটিয়ে তুলতে পারে। শেয়ার কেনাবেচায় হুজুগে না মেতে কোম্পানির মৌলিক ভিত্তি যাচাই করে সুপরিকল্পিতভাবে বিনিয়োগ করুন।

একটি সমৃদ্ধ পুঁজিবাজারই দেশের অর্থনীতির প্রকৃত আয়না। সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিবর্তন সেই আয়নাকে আরও উজ্জ্বল করবে—এমন প্রত্যাশাই এখন সবার। সাধারণ বিনিয়োগকারীদের পরিশ্রমের প্রতিটি টাকা যেন সুরক্ষিত থাকে এবং বাজারের সম্ভাব্য ঊর্ধ্বমুখী গতি যেন দীর্ঘস্থায়ী হয়—এই কামনাই রাখি।