img

জহির রায়হানকে একুশে পদক উৎসর্গ করলেন ববিতা

প্রকাশিত :  ০৮:৪০, ০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

জহির রায়হানকে একুশে পদক উৎসর্গ করলেন ববিতা

নায়িকা ববিতা চলচ্চিত্র অভিনয়ে বিশেষ অবদানের জন্য ২০২৬ সালের ‘একুশে পদক’-এ ভূষিত হয়েছেন। পদকটি তিনি কিংবদন্তি চলচ্চিত্রকার জহির রায়হানকে ‘একুশে পদক’ উৎসর্গ করেছেন।

গত বৃহস্পতিবার ঘোষণা করা হয়েছে ২০২৬ সালের একুশে পদকপ্রাপ্ত গুণীজনদের নামের তালিকা। এবার ৯ জন ব্যক্তি ও এক প্রতিষ্ঠান পাচ্ছে এই পদক। 

পদকপ্রাপ্তির খবর শুনে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় ববিতা বলেন, ‘দেরিতে হলেও একুশে পদক পেয়েছি, তাতেই আমি খুব খুশি।’ বৃহস্পতিবার বিকেল থেকেই মোবাইল ফোনে প্রিয়জনদের শুভেচ্ছা বার্তা পাচ্ছেন তিনি।

অভিনেত্রী বলেন, ‘মহান আল্লাহর কাছে অসীম শুকরিয়া যে তিনি আমাকে সুস্থ রেখেছেন, ভালো রেখেছেন। অনেক ভালো লাগার বিষয় এটাই যে আমি জীবদ্দশায় একুশে পদক পেতে যাচ্ছি। জীবদ্দশায় এমন রাষ্ট্রীয় পদক পাওয়াটাও ভাগ্যের ব্যাপার। আমি রাষ্ট্রের প্রতি এবং যারা আমাকে চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত করেছেন, তাদের প্রতি আন্তরিকভাবে কৃতজ্ঞ।

অনেক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা আমার ভক্ত-দর্শকের প্রতি। তারা সব সময়ই আমার কাজে অনুপ্রেরণা দিয়েছেন, ভালো-মন্দের খোঁজ নিয়েছেন। তাদের অনুপ্রেরণাতেই আমি আজকের ববিতা। কৃতজ্ঞতা সংবাদমাধ্যমের প্রতি। আমার অভিনয়জীবনের শুরু থেকে সংবাদমাধ্যম সব সময় আমার পাশে ছিল।’

১৯৬৮ সালে জহির রায়হানের ‘সংসার’ চলচ্চিত্রে শিশুশিল্পী হিসেবে অভিষেক ঘটে ববিতার, সেখানে রাজ্জাক-সুচন্দার মেয়ের চরিত্রে অভিনয় করেন তিনি। এরপর আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি।

এ সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘শ্রদ্ধেয় শহীদ জহির রায়হানের হাত ধরেই আমার অভিনয়ে আসা, চলচ্চিত্রে আসা, তাই আমার একুশে পদকটি তাকেই শ্রদ্ধার সঙ্গে উৎসর্গ করছি।’

১৯৭৫ সালে ‘বাদী থেকে বেগম’ সিনেমাতে অভিনয়ের জন্য প্রথম শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী হিসেবে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পান ববিতা। এরপর ১৯৭৬ সালে ‘নয়নমণি’ সিনেমার জন্য এবং ১৯৭৭ সালে ‘বসুন্ধরা’ সিনেমার জন্য তিনি একই সম্মাননা লাভ করেন। এরপর ‘রামের সুমতি’,‘ হাছন রাজা’, ‘পোকামাকড়ের ঘরবসতি’ (শ্রেষ্ঠ প্রযোজক হিসেবে), ‘কে আপন কে পর’ সিনেমার জন্য জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পান তিনি।

চলচ্চিত্রে অবদানের জন্য ২০১৬ সালে তিনি আজীবন সম্মাননায় ভূষিত হন। অস্কারজয়ী বিশ্ববরেণ্য চলচ্চিত্রকার সত্যজিৎ রায়ের ‘অশনিসংকেত’ সিনেমায় অনঙ্গ বউ চরিত্রে অভিনয় করে দেশে-বিদেশে প্রশংসিত হয়েছেন ববিতা।

img

মিমি চক্রবর্তীর বিরুদ্ধে দুই মামলা, ২০ লাখ রুপি ক্ষতিপূরণ দাবি

প্রকাশিত :  ০৭:২৭, ০৪ মার্চ ২০২৬

টালিউড অভিনেত্রী মিমি চক্রবর্তীর বিরুদ্ধে মিথ্যা অপবাদ, মানহানি ও চুক্তিভঙ্গের অভিযোগে  দুটি পৃথক মামলা দায়ের করা হয়েছে। জ্যোতিষী তনয় শাস্ত্রী এ মামলা দুটি করেন।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমসের প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, আদালতে তনয় শাস্ত্রীর পক্ষে মামলা পরিচালনা করছেন আইনজীবী তরুণজ্যোতি তিওয়ারি। মামলায় মিথ্যা অপবাদ ও মানহানির পাশাপাশি চুক্তিভঙ্গের অভিযোগও আনা হয়েছে।

তনয়ের দাবি, নির্ধারিত সময়ে অনুষ্ঠানে অংশ না নেওয়ায় মিমিকে দেওয়া অগ্রিম অর্থ ফেরত দিতে হবে। সেই সঙ্গে অভিনেত্রীর কাছে ২০ লাখ রুপি ক্ষতিপূরণও দাবি করা হয়েছে।

নতুন বছরের শুরুতে পশ্চিমবঙ্গের বনগাঁয় এক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে অংশ নিতে গিয়ে বিতর্কে জড়ান মিমি। অভিযোগ রয়েছে, অনুষ্ঠান শুরুর কিছুক্ষণের মধ্যেই তনয় শাস্ত্রী মঞ্চে উপস্থিত হয়ে অনুষ্ঠান বন্ধের চাপ সৃষ্টি করেন। পরিস্থিতির মুখে দর্শকদের শুভরাত্রি জানিয়ে মঞ্চ ত্যাগ করেন অভিনেত্রী।

এ ঘটনার পর তনয় শাস্ত্রীর বিরুদ্ধে বনগাঁ থানায় অভিযোগ দায়ের করেন মিমি চক্রবর্তী। অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ তনয়কে গ্রেপ্তার করে। পরে তিনি জামিনে মুক্তি পান এবং পাল্টা আইনি পদক্ষেপ হিসেবে অভিনেত্রীর বিরুদ্ধে মামলা করেন।