img

ভোটের হাওয়া: অ্যাপে জানা যাবে নির্বাচনী সব সংবাদ

প্রকাশিত :  ০৭:১৬, ০৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
সর্বশেষ আপডেট: ০৭:২৮, ০৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

 ভোটের হাওয়া: অ্যাপে জানা যাবে নির্বাচনী সব সংবাদ

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচন উপলক্ষে বিশেষ পরিষেবা ইলেকশন কর্নারে ভোটের হাওয়া অপশন চালু করেছে স্থানীয় ওটিটি প্ল্যাটফর্ম।

নির্বাচনী তথ্য ও নির্ভরযোগ্য সব সংবাদ পাওয়া যাবে টফির মধ্যে থাকা সুনির্দিষ্ট ডিজিটাল আইকনে।

বাংলাদেশের বিশ্বস্ত ও নির্ভরযোগ্য কয়েকটি সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে কৌশলগত অংশীজন হয়ে ভোটের হাওয়াতে যুক্ত করা হয়েছে যাচাইকৃত নির্বাচনী তথ্য ও ডিজিটাল কনটেন্ট। এর ফলে জরুরি সময়ে নির্ভরযোগ্য যে কোনো তথ্য পাওয়া যাবে অ্যাপের ইলেকশন কর্নারে।

নিজেদের পিপল ফার্স্ট নীতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বিশ্বস্ত সব সংবাদমাধ্যমকে একক প্ল্যাটফর্মে সমন্বয় করা হয়েছে এই অ্যাপে।

নির্বাচনের সময়ে আগ্রহীরা যে কোনো তথ্য জানতে পারবেন এতে। মূলধারার সব টেলিভিশন চ্যানেল এতে যুক্ত করা হয়েছে। ফলে ভোটারদের জন্য তৈরি হয়েছে পরিপূর্ণ ডিজিটাল মাধ্যম।

লাইভ সম্প্রচারের সঙ্গে ভোটের হাওয়াতে রয়েছে নির্বাচিত সংবাদ ভিডিও। ডিজিটাল আকারে ছোট ও সহজে দেখার মতো এসব ভিডিওতে তাৎক্ষণিক ঘটনার সারসংক্ষেপ পাওয়া যাবে। এই কর্নারে রয়েছে বিশ্লেষণধর্মী প্রতিবেদন ও কিছু বিষয়ের বিশদ লেখা, যা আগ্রহীদের সমসাময়িক রাজনৈতিক ইস্যু ও ঘটনাক্রম বুঝতে সহায়ক হবে। এ ছাড়া গ্রাহকের মতামত জানাতে রাখা হয়েছে ইন্টারঅ্যাকটিভ পোল। নির্বাচনকালীন জনমতের প্রতিফলন দেখা যাবে এই অংশে।

জানানো হয়, গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় গঠনমূলকও ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে এমন উদ্যোগ নেওয়া। এর লক্ষ্য কনটেন্ট, প্রযুক্তি ও আগ্রহীর অংশগ্রহণকে সমন্বয় করে নির্বাচনের পুরো সময়ে নির্ভরযোগ্য তথ্য উপস্থাপন করা।

বাংলালিংকের চিফ করপোরেট ও রেগুলেটরি অ্যাফেয়ার্স অফিসার তাইমুর রহমান ভোটের হাওয়া অপশন প্রসঙ্গে বলেন, অর্থবহ নাগরিক অংশগ্রহণ নিশ্চিতে নির্ভরযোগ্য তথ্যের সহজ প্রাপ্তি সময়ের দাবি। এই অ্যাপের ভোটের হাওয়ার মাধ্যমে আমরা দায়িত্বশীল ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে নির্বাচিত সংবাদ, বিশ্লেষণ ও নাগরিকের তথ্য জানার অধিকারকে এক জায়গায় সন্নিবেশ করেছি। এবার আমাদের লক্ষ্য সারাদেশে নির্বাচনকেন্দ্রিক বিশ্বাসযোগ্য তথ্য সুলভ ও সহজলভ্য করা। ভবিষ্যতেও ধারাবাহিকভাবে সময়ের জরুরি কনটেন্ট ও মতামতের ভিত্তিতে এই প্ল্যাটফর্মের মানোন্নয়ন কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলে উদ্যোক্তারা জানায়।


বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি এর আরও খবর

টেলিগ্রাফের প্রতিবেদন

img

আইআরজিসির হয়ে বিলিয়ন ডলারের শ্যাডো ব্যাংকিং চালাচ্ছে দুই ব্রিটিশ কোম্পানি

প্রকাশিত :  ০৯:৪৯, ০৮ মার্চ ২০২৬
সর্বশেষ আপডেট: ১০:০২, ০৮ মার্চ ২০২৬

ব্রিটেনের দুটি কোম্পানি ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) বৈশ্বিক ‘শ্যাডো ব্যাংকিং’ বা সমান্তরাল ব্যাংকিং কার্যক্রমের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে বলে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য টেলিগ্রাফের এক অনুসন্ধানে উঠে এসেছে।

অভিযোগ উঠেছে, লন্ডনে নিবন্ধিত এই কোম্পানি দুটি মূলত একটি ক্রিপ্টোকারেন্সি এক্সচেঞ্জের ফ্রন্ট কোম্পানি হিসেবে কাজ করছে, যারা আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা এড়িয়ে আইআরজিসি সংশ্লিষ্ট প্রায় ১০০ কোটি ডলারের লেনদেন সম্পন্ন করেছে।

তদন্তে দেখা গেছে, ‘জেডসেক্স এক্সচেঞ্জ লিমিটেড’ (Zedcex Exchange Ltd) এবং ‘জেডক্সিওন এক্সচেঞ্জ লিমিটেড’ (Zedxion Exchange Ltd) নামের এই প্রতিষ্ঠান দুটি লন্ডনের কভেন্ট গার্ডেন এলাকার একটি বিলাসবহুল ভবনের ঠিকানা ব্যবহার করে নিবন্ধিত। নথিপত্রে এদের ব্যবসা ‘আর্থিক ব্যবস্থাপনা’ হিসেবে উল্লেখ করা হলেও বাস্তবে সেখানে কোনো ভৌত অস্তিত্ব নেই। 

মার্কিন অর্থ দপ্তরের বিদেশি সম্পদ নিয়ন্ত্রণকারী অফিস (OFAC) চলতি বছরের শুরুতেই কোম্পানি দুটির ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে জানিয়েছে, জেডসেক্স ৯ হাজার ৪০০ কোটি ডলারের বেশি ক্রিপ্টোকারেন্সি লেনদেন করেছে, যার বড় অংশই আইআরজিসি-র সঙ্গে সম্পৃক্ত।

এই কোম্পানি দুটি ইরানি ধনকুবের বাবাক জানজানির সঙ্গে যুক্ত বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। মানবাধিকার লঙ্ঘনে অর্থ সহায়তার দায়ে জানজানির ওপর আগেই ব্রিটিশ সরকারের নিষেধাজ্ঞা রয়েছে।

ব্লকচেইন গোয়েন্দা সংস্থা টিআরএম ল্যাবস জানিয়েছে, ২০২৩ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে এই প্রতিষ্ঠানগুলো আইআরজিসি নিয়ন্ত্রিত ওয়ালেট ও অফশোর মধ্যস্থতাকারীদের মধ্যে শত কোটি ডলারের লেনদেন সম্পন্ন করেছে। ওএফএসি-র মতে, কোম্পানিগুলো সরাসরি আইআরজিসি-কে আর্থিক, প্রযুক্তিগত ও বস্তুগত সহায়তা প্রদান করে আসছিল।

এই চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে আসার পর ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারের ওপর আইআরজিসি-কে সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে নিষিদ্ধ করার চাপ বাড়ছে। যুক্তরাজ্যের শ্যাডো ন্যাশনাল সিকিউরিটি মিনিস্টার অ্যালিসিয়া কার্নস প্রধানমন্ত্রীকে অভিযুক্ত করে বলেছেন, ব্রিটিশ মাটি ও আইন ব্যবহার করে বিশ্বের অন্যতম বিপজ্জনক একটি সংগঠনকে আর্থিক সুবিধা নেওয়ার সুযোগ করে দেওয়া হচ্ছে। তিনি অবিলম্বে এই কোম্পানি দুটি এবং আইআরজিসি-র ওপর কঠোর নিষেধাজ্ঞা আরোপের দাবি জানিয়েছেন। তিনি মন্তব্য করেন যে, সরকারের এই দ্বিধাদ্বন্দ্ব ব্রিটিশ প্রতিষ্ঠানগুলোকে পরোক্ষভাবে সন্ত্রাসবাদে অর্থায়নে সহায়তা করছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ২০১৮ সালে সুইফট ব্যাংকিং ব্যবস্থা থেকে ইরান বিচ্ছিন্ন হওয়ার পর থেকেই দেশটি ‘হাওলা’ পদ্ধতির বিকল্প হিসেবে ক্রিপ্টোকারেন্সি ব্যবহার করে সমান্তরাল ব্যাংকিং ব্যবস্থা গড়ে তুলেছে। এই নেটওয়ার্কের মাধ্যমে তারা বিশ্বজুড়ে তাদের সশস্ত্র প্রক্সি গোষ্ঠীগুলোকে অর্থায়ন নিশ্চিত করছে।

যদিও কোম্পানি দুটির নিবন্ধিত ঠিকানার সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান ‘বিএসকিউ গ্রুপ’ জানিয়েছে, মার্কিন নিষেধাজ্ঞার বিষয়টি জানার পর তারা কোম্পানি দুটির সঙ্গে সব সম্পর্ক ছিন্ন করেছে এবং তাদের কালো তালিকাভুক্ত করেছে। তবে ব্রিটিশ পররাষ্ট্র দপ্তর এই মুহূর্তে নতুন কোনো নিষেধাজ্ঞার বিষয়ে মন্তব্য করতে রাজি হয়নি।


বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি এর আরও খবর