img

নির্বাচনের ফল প্রকাশের সময় জানাল ইসি

প্রকাশিত :  ০৫:৩৯, ০৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
সর্বশেষ আপডেট: ০৬:২৫, ০৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

নির্বাচনের ফল প্রকাশের সময় জানাল ইসি

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নে প্রস্তাবিত গণভোটের ফলাফল প্রকাশের সুনির্দিষ্ট সময় নিয়ে তথ্য দিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার (ইসি) আনোয়ারুল ইসলাম সরকার।

আজ রোববার নির্বাচন ভবনে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে তিনি জানান যে আগামী বৃহস্পতিবার ১২ ফেব্রুয়ারি ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে এবং পরদিন শুক্রবার ১৩ ফেব্রুয়ারির মধ্যেই নির্বাচনের চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশ করা সম্ভব হবে। 

ইসি আনোয়ারুল বলেন, নির্বাচন নিয়ে যত শঙ্কা ছিল, সেগুলো আমরা সবার সহযোগিতায় এরই মধ্যে কাটিয়ে উঠেছি। ইনশাআল্লাহ, বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) একটি সুন্দর ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন উপহার দিতে পারব।

একই দিনে গণভোট ও জাতীয় সংসদ নির্বাচন হওয়ায় ফলাফল ঘোষণায় বিলম্বের আশঙ্কা করা হচ্ছে কি না, এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, কোনোভাবেই তিন দিন নয়, বরং শুক্রবারের (১৩ ফেব্রুয়ারি) মধ্যেই ফলাফল দেওয়া যাবে। আধুনিক অটোমেশন সিস্টেম ও একাধিক ডিভাইস ব্যবহারের কারণে ফলাফল দ্রুত সংগ্রহ করা সম্ভব। যদিও দুর্গম এলাকার কারণে কিছু কেন্দ্রে সামান্য দেরি হতে পারে।

আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সব বাহিনী মিলিয়ে প্রায় ১১ থেকে ১২ লাখ সদস্য নিয়োজিত থাকবেন। অতীতের তুলনায় আইনশৃঙ্খলা অবস্থার অনেক উন্নতি হয়েছে। সব বাহিনী সমন্বিতভাবে কাজ করবে। রিটার্নিং কর্মকর্তাদের নেতৃত্বে এবং কমিশনের সরাসরি তত্ত্বাবধানে নির্বাচন পরিচালিত হবে।

নির্বাচনের দিন মনিটরিং ব্যবস্থা নিয়ে নির্বাচন কমিশনার বলেন, প্রতিটি আসনে একাধিক মনিটরিং টিম থাকবে। প্রতি দুই ঘণ্টা অন্তর তথ্য কেন্দ্রীয় মনিটরিং সেলে পাঠানো হবে। এ ছাড়া যেসব কেন্দ্রে বিদ্যুৎ সংযোগ রয়েছে, সেখানে সিসিটিভি ক্যামেরা থাকবে এবং নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা সদস্যদের বডি-ওর্ন ক্যামেরা ব্যবহারের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গুজব ঠেকাতে একটি বিশেষ ‘ফ্যাক্ট-ফাইন্ডিং সেল’ কাজ করবে বলেও জানান তিনি।


জাতীয় এর আরও খবর

img

ট্রাম্পের জাতীয় নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞের সতর্কবার্তা: ‘যুদ্ধ হেরে যাওয়ার পথে যুক্তরাষ্ট্র’

প্রকাশিত :  ১৫:৪৮, ১৬ মার্চ ২০২৬

ইরানের সাথে চলমান সংঘাতের ভবিষ্যৎ নিয়ে একটি কঠোর সতর্কবার্তা দিয়েছেন ‘আমেরিকা ফার্স্ট’ মতাদর্শের বিশিষ্ট জাতীয় নিরাপত্তা বিশ্লেষক ডেভিড পাইন। তিনি দাবি করেছেন, সামরিক ক্ষয়ক্ষতি যা-ই হোক না কেন, ইরানের সামনে জয়লাভের একটি সহজ পথ খোলা রয়েছে।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পাইন লিখেছেন, “যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিরুদ্ধে তাদের এই স্বাধীনতা যুদ্ধে জেতার জন্য ইরানকে কেবল টিকে থাকতে হবে এবং যুদ্ধের শেষ পর্যন্ত টিকে থেকে শত্রুদের ওপর সর্বোচ্চ অর্থনৈতিক চাপ প্রয়োগ করতে হবে। এর মাধ্যমে তারা ট্রাম্পকে বাধ্য করবে তার এই ‘অজেয়’ বা অসম্ভব আগ্রাসী যুদ্ধ বন্ধ করতে।”

পাইন তার বিশ্লেষণে অপ্রতিসম যুদ্ধকৌশলের ঝুঁকি নিয়ে সামরিক কৌশলবিদদের সতর্কবার্তার প্রতিধ্বনি করেছেন। তার মতে, বড় ধরনের স্থল আক্রমণ ছাড়া ইরানের সাথে সংঘাতে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক শ্রেষ্ঠত্ব শেষ পর্যন্ত কোনো কাজে আসবে না।

ভিয়েতনাম যুদ্ধের সাথে তুলনা টেনে পাইন বলেন, “যদি যুক্তরাষ্ট্র পাঁচ লাখ সেনা নিয়ে ইরানে স্থল আক্রমণ না করে, তবে তারা হয়তো প্রতিটি ছোটখাটো যুদ্ধে জয়ী হবে, কিন্তু ভিয়েতনামের মতো সামগ্রিক যুদ্ধে তারা হেরে যাবে।”

সাবেক এই ট্রাম্প সমর্থক এরপর প্রেসিডেন্টের সামরিক অভিজ্ঞতা নিয়েও সমালোচনা করেন। পাইন লিখেন, “ট্রাম্প ভিয়েতনাম যুদ্ধ এড়াতে চারবার ড্রাফট (সেনাবাহিনীতে বাধ্যতামূলক নিয়োগ) এড়িয়ে গিয়েছিলেন। মনে হচ্ছে, সেখান থেকে তিনি সেই গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষাটি কখনোই নেননি।”

পাইন-এর এই মন্তব্য ট্রাম্পের নিজস্ব রাজনৈতিক বলয়ের মধ্যেই ইরানের সামরিক অভিযানের কার্যকারিতা নিয়ে ক্রমবর্ধমান সন্দেহের বহিঃপ্রকাশ। ট্রাম্প বারবার যে ধরনের সামরিক সংঘাত এড়িয়ে যাওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, সেই মাত্রায় না গিয়ে লক্ষ্য অর্জন করা বর্তমান প্রশাসনের পক্ষে কতটা সম্ভব, তা নিয়েই প্রশ্ন তুলেছেন তিনি। রাজনৈতিক সংবাদ