img

টালিউডের ‘আজাদি’ সিনেমায় চমক হয়ে আসছেন চঞ্চল চৌধুরী

প্রকাশিত :  ১৮:৪৪, ২২ মার্চ ২০২৬

টালিউডের ‘আজাদি’ সিনেমায় চমক হয়ে আসছেন  চঞ্চল চৌধুরী

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক: সৈয়দ আমানউল্লাহ : টালিউডের সিনেমা **‘আজাদি’**তে অভিনয় করছেন বাংলাদেশের জনপ্রিয় অভিনেতা চঞ্চল চৌধুরী। এপার–ওপার দুই বাংলায় সমান জনপ্রিয় এই অভিনেতা বর্তমানে কলকাতায় অবস্থান করে সিনেমাটির টানা শুটিং করছেন।

সিনেমাটি পরিচালনা করছেন ভারতের খ্যাতিমান নির্মাতা সুমন মুখোপাধ্যায়। তিনি এর আগে সাহিত্যনির্ভর চলচ্চিত্র পুতুল নাচের ইতিকথা নির্মাণ করে দর্শক ও সমালোচকদের প্রশংসা কুড়িয়েছিলেন। নতুন এই সিনেমা **‘আজাদি’**তেও ইতিহাস ও আবেগঘন গল্পকে কেন্দ্র করেই নির্মাণ করা হচ্ছে।

জানা গেছে, ‘আজাদি’ মূলত দেশভাগের পটভূমিতে নির্মিত একটি চলচ্চিত্র। এতে চঞ্চল চৌধুরী অভিনয় করছেন একজন মুসলিম পুলিশ ইন্সপেক্টরের চরিত্রে, যার নাম সেলিমউল্লাহ। দেশভাগের সময়কার প্রশাসনিক বাস্তবতা, মানুষে মানুষে সম্পর্ক এবং সামাজিক পরিবর্তনের নানা দিক সিনেমার গল্পে তুলে ধরা হবে।

সিনেমাটি নিয়ে নিজের অনুভূতি জানাতে গিয়ে চঞ্চল চৌধুরী বলেন, ‘আজাদি মূলত দেশভাগের গল্প। এটি খুব আবেগঘন এবং সত্য ঘটনা থেকে অনুপ্রাণিত একটি কাহিনি। গল্পটি আমাকে ভীষণভাবে মুগ্ধ করেছে। পরিচালক সুমন মুখোপাধ্যায় অত্যন্ত মেধাবী একজন নির্মাতা। তার সঙ্গে কাজ করতে পারা আমার জন্য বিশেষ অভিজ্ঞতা।’

তিনি আরও জানান, বর্তমানে টানা শুটিং চলছে। এমনকি একটি দিনের পুরো রাতজুড়েও শুটিং করার পরিকল্পনা রয়েছে। তার ভাষায়, ‘গল্পটি খুব শক্তিশালী। আমার বিশ্বাস, এটি অবশ্যই ভালো একটি সিনেমা হবে।’

এদিকে বড় পর্দার পাশাপাশি ছোট পর্দাতেও ব্যস্ত সময় পার করছেন এই অভিনেতা। আসন্ন ঈদে তার অভিনীত তিনটি সিনেমা মুক্তি পেয়েছে । এগুলো হলো বনলতা এক্সপ্রেস, দম এবং প্রেশার কুকার।

পাশাপাশি ঈদ উপলক্ষে মাছরাঙা টেলিভিশন-এ তার অভিনীত সাত পর্বের একটি ধারাবাহিক নাটকও প্রচারিত হবে। সব মিলিয়ে বড় ও ছোট পর্দা—দুই মাধ্যমেই ব্যস্ত সময় কাটছে জনপ্রিয় এই অভিনেতা।

img

প্রেমিকের বিরুদ্ধে মামলার রাজসাক্ষী জ্যাকুলিন ফার্নান্দেজ

প্রকাশিত :  ১১:৩৮, ১৯ এপ্রিল ২০২৬
সর্বশেষ আপডেট: ১২:১২, ১৯ এপ্রিল ২০২৬

‘সখী, ভালোবাসা কারে কয়! সে কি কেবলই যাতনাময়...’, হাড়ে হাড়ে টের পাচ্ছেন জ্যাকুলিন ফার্নান্দেজ। প্রেমিক সুকেশ চন্দ্রশেখরের জন্য থানা-পুলিশ, আদালত অবধি করতে হয়েছে অভিনেত্রীকে। প্রেমের টানে কোটি টাকার আর্থিক প্রতারণা মামলায় বিতর্কে জড়িয়ে বলিউডের শক্ত পায়ের তলার মাটিও খোয়াতে বসেছেন জ্যাকুলিন!

বহুল আলোচিত ২০০ কোটি রুপির আর্থিক জালিয়াতি মামলায় জেলে আছেন সুকেশ চন্দ্রশেখর। দীর্ঘদিন ধরে চলা এ আলোচিত মামলায় এবার আদালতে গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষ্য দিতে পারেন প্রেমিকা অভিনেত্রী জ্যাকুলিন ফার্নান্দেজ। এর ফলে মামলার গতিপথে বড় পরিবর্তন আসতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। 

অথচ গ্রেফতারের পর থেকেই নানাভাবে জ্যাকুলিনের প্রতি নিজের ভালোবাসা প্রকাশ করে আসছেন সুকেশ চন্দ্রশেখর। চিঠি লিখে তিনি দাবি করেছিলেন, তাদের মধ্যে সম্পর্ক ছিল এবং অভিনেত্রী তার কাছ থেকে কোনো আর্থিক সুবিধা চাননি—শুধু ভালোবাসাই চেয়েছেন।

সুকেশ চন্দ্রশেখরের সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়ে জ্যাকুলিন ফার্নান্দেজের জীবন কেবল যাতনাময়, তা হাড়ে হাড়ে টের পাচ্ছেন তিনি। প্রেমিকের জন্য থানা-পুলিশ, আদালত অবধি দৌড়াতে হয়েছে অভিনেত্রীকে। প্রেমের টানে কোটি টাকার আর্থিক প্রতারণা মামলায় বিতর্কে জড়িয়ে বলিউডের শক্ত পায়ের তলার মাটিও খোয়াতে বসেছেন জ্যাকুলিন ফার্নান্দেজ!

অথচ জ্যাকুলিনের মন পেতে সুকেশ চন্দ্রশেখর ‘প্রেম যে কাঁঠালের আঠা লাগলে ছাড়ে না’- গানের মতোই আঠা হয়ে লেগে আছেন। বর্তমানে সুকেশ একাধিক জালিয়াতির মামলায় দিল্লির মান্ডোলি জেলে বন্দি রয়েছেন। জেলে বসেই প্রায় প্রতিটি বিশেষ দিনে তিনি জ্যাকুলিনকে উদ্দেশ্য করে চিঠি লিখে আসছেন। দিয়ে যাচ্ছেন হেলিকপ্টারসহ দামি উপহার। তাতেও মন গলেনি প্রেমিকার। সর্বশেষ ভালোবাসা দিবসেও তিনি নিজেদের ভালোবাসাকে রোমিও-জুলিয়েট, হির-রাঞ্জা এবং লাইলি-মজনুর মতো কালজয়ী প্রেমের সঙ্গে তুলনা করেছেন। সুকেশের দাবি—কোনো কিছুই তাদের এই বন্ধন ভাঙতে পারবে না। গত ১৪ ফেব্রুয়ারি ভালোবাসা দিবসে খোলা চিঠিতে সুকেশ জ্যাকুলিনকে ‘বেবি বোম্মা’ বলেও সম্বোধন করেন।

একটি গণমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, চিঠিতে সুকেশ লিখেছেন— ‘লোহার গরাদ আর এই ঠান্ডা দেয়াল আমাদের আলাদা করে রেখেছে। মরুভূমিতে হারিয়ে যাওয়া কোনো মানুষের মতো আমি তোমাকে প্রতি মুহূর্তে মিস করছি। আজ আমার প্রতিটি হৃদস্পন্দন আমাদের মধ্যবর্তী দূরত্বের কথা মনে করিয়ে দিচ্ছে।’ 

সুকেশ বলেন, জ্যাকুলিন ও তার পরিবারের জন্য দেওয়া সব উপহারই তিনি স্বেচ্ছায় দিয়েছেন। এমনকি এ মামলায় জ্যাকুলিনের নাম জড়ানোকে তিনি ‘দুর্ভাগ্যজনক’ বলেও উল্লেখ করেন। এবার জ্যাকুলিনের জন্য তিনি একটি বিশেষ সারপ্রাইজ উপহারের ব্যবস্থা করেছেন। সেটি হলো— একটি ‘এয়ারবাস এইচ সিরিজ’ লাক্সারি হেলিকপ্টার। 

সুকেশ এর আগে কোটি কোটি টাকার বাড়ি-গাড়ি উপহার তো দিয়েছেনই। জিজ্ঞাসাবাদে সেসব বিলাসী উপহারের কথা অভিনেত্রীও স্বীকার করেছেন। এবার সেই প্রেমিকাই তার বিরুদ্ধে মামলার রাজসাক্ষী হতে যাচ্ছেন। এখন দেখার বিষয়—আদালতে দাঁড়িয়ে সুকেশকে নিয়ে কী ধরনের বক্তব্য দেন জ্যাকুলিন ফার্নান্দেজ। তার সাক্ষ্যই নির্ধারণ করতে পারে এই বহুল আলোচিত মামলার পরবর্তী দিকনির্দেশনা।

বিনোদন এর আরও খবর