মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে সশস্ত্র বাহিনীর অর্কেস্ট্রা দল এবং ওয়ারফেজ ব্যান্ডের মনোজ্ঞ সংস্কৃতিক পরিবেশনা
প্রকাশিত :
১৬:৪৩, ২৬ মার্চ ২০২৬ সর্বশেষ আপডেট: ১৮:২২, ২৬ মার্চ ২০২৬
জ্যৈষ্ঠ প্রতিবেদক সৈয়দ আমানউল্লাহ: মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস-২০২৬ উদযাপন উপলক্ষ্যে আজ ২৬ মার্চ ২০২৬, সন্ধ্যায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর উদ্যোগে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজা, মানিক মিয়া এভিনিউ-এ 'স্বাধীনতার মঞ্চে সুর ও শক্তি’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে সশস্ত্র বাহিনীর অর্কেস্ট্রা এবং ওয়ারফেজ ব্যান্ডের পরিবেশনা এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে সশস্ত্র বাহিনীর অর্কেস্ট্রা দলের পরিবেশনায় দেশাত্মবোধক ও মনোমুগ্ধকর সংগীত পরিবেশিত হয়, যা উপস্থিত দর্শকদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ ও উদ্দীপনা সৃষ্টি করে। পাশাপাশি, দেশের স্বনামধন্য মিউজিক ব্যান্ড ওয়ারফেজ তাদের প্রাণবন্ত পরিবেশনার মাধ্যমে অনুষ্ঠানে বিশেষ মাত্রা যোগ করে। এছাড়াও, অনুষ্ঠানের শেষ পর্বে নান্দনিক ফায়ারওয়ার্কস প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয়, যা উপস্থিত সকলেই অত্যন্ত আনন্দের সাথে উপভোগ করেন।
মহান স্বাধীনতার চেতনা উদযাপন ও সর্বস্তরের জনগণের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে অনুষ্ঠানটি সকলের জন্য উন্মুক্ত রাখা হয়। বিপুল সংখ্যক দর্শকের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতিতে অনুষ্ঠানটি উৎসবমুখর পরিবেশে সফলভাবে সম্পন্ন হয়। মনোজ্ঞ এই সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানটি বাংলাদেশ টেলিভিশন এর মাধ্যমে সরাসরি সম্প্রচার করা হয় এবং একই সঙ্গে রাজধানীর ৭টি নির্ধারিত স্থানে জায়ান্ট স্ক্রিনের মাধ্যমে অনুষ্ঠানটি উপভোগের ব্যবস্থা করা হয়।
প্রেমিকের বিরুদ্ধে মামলার রাজসাক্ষী জ্যাকুলিন ফার্নান্দেজ
প্রকাশিত :
১১:৩৮, ১৯ এপ্রিল ২০২৬ সর্বশেষ আপডেট: ১২:১২, ১৯ এপ্রিল ২০২৬
‘সখী, ভালোবাসা কারে কয়! সে কি কেবলই যাতনাময়...’, হাড়ে হাড়ে টের পাচ্ছেন জ্যাকুলিন ফার্নান্দেজ। প্রেমিক সুকেশ চন্দ্রশেখরের জন্য থানা-পুলিশ, আদালত অবধি করতে হয়েছে অভিনেত্রীকে। প্রেমের টানে কোটি টাকার আর্থিক প্রতারণা মামলায় বিতর্কে জড়িয়ে বলিউডের শক্ত পায়ের তলার মাটিও খোয়াতে বসেছেন জ্যাকুলিন!
বহুল আলোচিত ২০০ কোটি রুপির আর্থিক জালিয়াতি মামলায় জেলে আছেন সুকেশ চন্দ্রশেখর। দীর্ঘদিন ধরে চলা এ আলোচিত মামলায় এবার আদালতে গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষ্য দিতে পারেন প্রেমিকা অভিনেত্রী জ্যাকুলিন ফার্নান্দেজ। এর ফলে মামলার গতিপথে বড় পরিবর্তন আসতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
অথচ গ্রেফতারের পর থেকেই নানাভাবে জ্যাকুলিনের প্রতি নিজের ভালোবাসা প্রকাশ করে আসছেন সুকেশ চন্দ্রশেখর। চিঠি লিখে তিনি দাবি করেছিলেন, তাদের মধ্যে সম্পর্ক ছিল এবং অভিনেত্রী তার কাছ থেকে কোনো আর্থিক সুবিধা চাননি—শুধু ভালোবাসাই চেয়েছেন।
সুকেশ চন্দ্রশেখরের সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়ে জ্যাকুলিন ফার্নান্দেজের জীবন কেবল যাতনাময়, তা হাড়ে হাড়ে টের পাচ্ছেন তিনি। প্রেমিকের জন্য থানা-পুলিশ, আদালত অবধি দৌড়াতে হয়েছে অভিনেত্রীকে। প্রেমের টানে কোটি টাকার আর্থিক প্রতারণা মামলায় বিতর্কে জড়িয়ে বলিউডের শক্ত পায়ের তলার মাটিও খোয়াতে বসেছেন জ্যাকুলিন ফার্নান্দেজ!
অথচ জ্যাকুলিনের মন পেতে সুকেশ চন্দ্রশেখর ‘প্রেম যে কাঁঠালের আঠা লাগলে ছাড়ে না’- গানের মতোই আঠা হয়ে লেগে আছেন। বর্তমানে সুকেশ একাধিক জালিয়াতির মামলায় দিল্লির মান্ডোলি জেলে বন্দি রয়েছেন। জেলে বসেই প্রায় প্রতিটি বিশেষ দিনে তিনি জ্যাকুলিনকে উদ্দেশ্য করে চিঠি লিখে আসছেন। দিয়ে যাচ্ছেন হেলিকপ্টারসহ দামি উপহার। তাতেও মন গলেনি প্রেমিকার। সর্বশেষ ভালোবাসা দিবসেও তিনি নিজেদের ভালোবাসাকে রোমিও-জুলিয়েট, হির-রাঞ্জা এবং লাইলি-মজনুর মতো কালজয়ী প্রেমের সঙ্গে তুলনা করেছেন। সুকেশের দাবি—কোনো কিছুই তাদের এই বন্ধন ভাঙতে পারবে না। গত ১৪ ফেব্রুয়ারি ভালোবাসা দিবসে খোলা চিঠিতে সুকেশ জ্যাকুলিনকে ‘বেবি বোম্মা’ বলেও সম্বোধন করেন।
একটি গণমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, চিঠিতে সুকেশ লিখেছেন— ‘লোহার গরাদ আর এই ঠান্ডা দেয়াল আমাদের আলাদা করে রেখেছে। মরুভূমিতে হারিয়ে যাওয়া কোনো মানুষের মতো আমি তোমাকে প্রতি মুহূর্তে মিস করছি। আজ আমার প্রতিটি হৃদস্পন্দন আমাদের মধ্যবর্তী দূরত্বের কথা মনে করিয়ে দিচ্ছে।’
সুকেশ বলেন, জ্যাকুলিন ও তার পরিবারের জন্য দেওয়া সব উপহারই তিনি স্বেচ্ছায় দিয়েছেন। এমনকি এ মামলায় জ্যাকুলিনের নাম জড়ানোকে তিনি ‘দুর্ভাগ্যজনক’ বলেও উল্লেখ করেন। এবার জ্যাকুলিনের জন্য তিনি একটি বিশেষ সারপ্রাইজ উপহারের ব্যবস্থা করেছেন। সেটি হলো— একটি ‘এয়ারবাস এইচ সিরিজ’ লাক্সারি হেলিকপ্টার।
সুকেশ এর আগে কোটি কোটি টাকার বাড়ি-গাড়ি উপহার তো দিয়েছেনই। জিজ্ঞাসাবাদে সেসব বিলাসী উপহারের কথা অভিনেত্রীও স্বীকার করেছেন। এবার সেই প্রেমিকাই তার বিরুদ্ধে মামলার রাজসাক্ষী হতে যাচ্ছেন। এখন দেখার বিষয়—আদালতে দাঁড়িয়ে সুকেশকে নিয়ে কী ধরনের বক্তব্য দেন জ্যাকুলিন ফার্নান্দেজ। তার সাক্ষ্যই নির্ধারণ করতে পারে এই বহুল আলোচিত মামলার পরবর্তী দিকনির্দেশনা।