পার্থ বড়ুয়ার নতুন গান “সহজ আমায় ভাবতে পার, সহজলভ্য নই”
প্রকাশিত :
১৪:২২, ২৯ মার্চ ২০২৬
জ্যৈষ্ঠ প্রতিবেদক সৈয়দ আমানউল্লাহ: বাংলা ব্যান্ড সংগীতের অন্যতম জনপ্রিয় মুখ পার্থ বড়ুয়া অনেক দিন পর নতুন গান নিয়ে হাজির হয়েছেন। ব্যান্ড, মৌলিক গান ও সংগীতায়োজন—সব মিলিয়ে সংগীত নিয়েই ব্যস্ত সময় পার করছেন তিনি। অনেক দিন পর নতুন গান নিয়ে হাজির হলেন তিনি।গানের শিরোনাম ‘সহজলভ্য নই’।
গানটি লিখেছেন ও সুর করেছেন আহমেদ রাজীব।
রোমান্টিক আবহের এই গানটিতে রয়েছে গভীর আবেগ ও সম্পর্কের সূক্ষ্ম অনুভূতির প্রকাশ। বিশেষ করে সম্পর্কের জটিলতা এবং আত্মসম্মান ধরে রাখার শক্ত বার্তা গানটির কথায় ফুটে উঠেছে বলে জানিয়েছেন রাজীব।
অনেক দিন পর পার্থ বড়ুয়ার কণ্ঠে এমন ভিন্নধর্মী সংবেদনশীল গায়কী শুনতে পাচ্ছেন শ্রোতারা। গানের সুর ও কথার সঙ্গে তার আবেগঘন পরিবেশনা মিলিয়ে এটি ইতোমধ্যেই সংগীতপ্রেমীদের মধ্যে আগ্রহ তৈরি করেছে। ভিন্ন আবহের এই গানটি পার্থ বড়ুয়ার গায়কীর আরেকটি নতুন দিকও তুলে ধরেছে বলে মনে করছেন অনেক শ্রোতা।
গানটি গত ২৭ মার্চ ২০২৬, শুক্রবার অনলাইন প্ল্যাটফর্মে মুক্তি পেয়েছে। দেশের শীর্ষ অডিও-ভিডিও প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান G Series–এর ব্যানারে প্রকাশিত হয়েছে ‘সহজলভ্য নই’। মুক্তির পর থেকেই ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে গানটি নিয়ে সংগীতপ্রেমীদের মধ্যে আলোচনা শুরু হয়েছে।
দীর্ঘ সময় পর নতুন গান নিয়ে ফিরে আসা পার্থ বড়ুয়ার এই গানটি শ্রোতাদের কাছে কতটা জনপ্রিয়তা পায়, এখন সেটিই দেখার অপেক্ষা।
প্রেমিকের বিরুদ্ধে মামলার রাজসাক্ষী জ্যাকুলিন ফার্নান্দেজ
প্রকাশিত :
১১:৩৮, ১৯ এপ্রিল ২০২৬ সর্বশেষ আপডেট: ১২:১২, ১৯ এপ্রিল ২০২৬
‘সখী, ভালোবাসা কারে কয়! সে কি কেবলই যাতনাময়...’, হাড়ে হাড়ে টের পাচ্ছেন জ্যাকুলিন ফার্নান্দেজ। প্রেমিক সুকেশ চন্দ্রশেখরের জন্য থানা-পুলিশ, আদালত অবধি করতে হয়েছে অভিনেত্রীকে। প্রেমের টানে কোটি টাকার আর্থিক প্রতারণা মামলায় বিতর্কে জড়িয়ে বলিউডের শক্ত পায়ের তলার মাটিও খোয়াতে বসেছেন জ্যাকুলিন!
বহুল আলোচিত ২০০ কোটি রুপির আর্থিক জালিয়াতি মামলায় জেলে আছেন সুকেশ চন্দ্রশেখর। দীর্ঘদিন ধরে চলা এ আলোচিত মামলায় এবার আদালতে গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষ্য দিতে পারেন প্রেমিকা অভিনেত্রী জ্যাকুলিন ফার্নান্দেজ। এর ফলে মামলার গতিপথে বড় পরিবর্তন আসতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
অথচ গ্রেফতারের পর থেকেই নানাভাবে জ্যাকুলিনের প্রতি নিজের ভালোবাসা প্রকাশ করে আসছেন সুকেশ চন্দ্রশেখর। চিঠি লিখে তিনি দাবি করেছিলেন, তাদের মধ্যে সম্পর্ক ছিল এবং অভিনেত্রী তার কাছ থেকে কোনো আর্থিক সুবিধা চাননি—শুধু ভালোবাসাই চেয়েছেন।
সুকেশ চন্দ্রশেখরের সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়ে জ্যাকুলিন ফার্নান্দেজের জীবন কেবল যাতনাময়, তা হাড়ে হাড়ে টের পাচ্ছেন তিনি। প্রেমিকের জন্য থানা-পুলিশ, আদালত অবধি দৌড়াতে হয়েছে অভিনেত্রীকে। প্রেমের টানে কোটি টাকার আর্থিক প্রতারণা মামলায় বিতর্কে জড়িয়ে বলিউডের শক্ত পায়ের তলার মাটিও খোয়াতে বসেছেন জ্যাকুলিন ফার্নান্দেজ!
অথচ জ্যাকুলিনের মন পেতে সুকেশ চন্দ্রশেখর ‘প্রেম যে কাঁঠালের আঠা লাগলে ছাড়ে না’- গানের মতোই আঠা হয়ে লেগে আছেন। বর্তমানে সুকেশ একাধিক জালিয়াতির মামলায় দিল্লির মান্ডোলি জেলে বন্দি রয়েছেন। জেলে বসেই প্রায় প্রতিটি বিশেষ দিনে তিনি জ্যাকুলিনকে উদ্দেশ্য করে চিঠি লিখে আসছেন। দিয়ে যাচ্ছেন হেলিকপ্টারসহ দামি উপহার। তাতেও মন গলেনি প্রেমিকার। সর্বশেষ ভালোবাসা দিবসেও তিনি নিজেদের ভালোবাসাকে রোমিও-জুলিয়েট, হির-রাঞ্জা এবং লাইলি-মজনুর মতো কালজয়ী প্রেমের সঙ্গে তুলনা করেছেন। সুকেশের দাবি—কোনো কিছুই তাদের এই বন্ধন ভাঙতে পারবে না। গত ১৪ ফেব্রুয়ারি ভালোবাসা দিবসে খোলা চিঠিতে সুকেশ জ্যাকুলিনকে ‘বেবি বোম্মা’ বলেও সম্বোধন করেন।
একটি গণমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, চিঠিতে সুকেশ লিখেছেন— ‘লোহার গরাদ আর এই ঠান্ডা দেয়াল আমাদের আলাদা করে রেখেছে। মরুভূমিতে হারিয়ে যাওয়া কোনো মানুষের মতো আমি তোমাকে প্রতি মুহূর্তে মিস করছি। আজ আমার প্রতিটি হৃদস্পন্দন আমাদের মধ্যবর্তী দূরত্বের কথা মনে করিয়ে দিচ্ছে।’
সুকেশ বলেন, জ্যাকুলিন ও তার পরিবারের জন্য দেওয়া সব উপহারই তিনি স্বেচ্ছায় দিয়েছেন। এমনকি এ মামলায় জ্যাকুলিনের নাম জড়ানোকে তিনি ‘দুর্ভাগ্যজনক’ বলেও উল্লেখ করেন। এবার জ্যাকুলিনের জন্য তিনি একটি বিশেষ সারপ্রাইজ উপহারের ব্যবস্থা করেছেন। সেটি হলো— একটি ‘এয়ারবাস এইচ সিরিজ’ লাক্সারি হেলিকপ্টার।
সুকেশ এর আগে কোটি কোটি টাকার বাড়ি-গাড়ি উপহার তো দিয়েছেনই। জিজ্ঞাসাবাদে সেসব বিলাসী উপহারের কথা অভিনেত্রীও স্বীকার করেছেন। এবার সেই প্রেমিকাই তার বিরুদ্ধে মামলার রাজসাক্ষী হতে যাচ্ছেন। এখন দেখার বিষয়—আদালতে দাঁড়িয়ে সুকেশকে নিয়ে কী ধরনের বক্তব্য দেন জ্যাকুলিন ফার্নান্দেজ। তার সাক্ষ্যই নির্ধারণ করতে পারে এই বহুল আলোচিত মামলার পরবর্তী দিকনির্দেশনা।