img

মেয়ে জাইমাকে সঙ্গে নিয়ে ঈদের সিনেমা দেখতে প্রেক্ষাগৃহে প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত :  ১৮:৫০, ০৩ এপ্রিল ২০২৬

মেয়ে জাইমাকে সঙ্গে নিয়ে ঈদের সিনেমা দেখতে প্রেক্ষাগৃহে প্রধানমন্ত্রী

জ্যৈষ্ঠ প্রতিবেদক সৈয়দ আমানউল্লাহ: ঈদ উপলক্ষে মুক্তিপ্রাপ্ত চলচ্চিত্র ‘বনলতা এক্সপ্রেস’ দেখতে মেয়ে জাইমা রহমানকে সঙ্গে নিয়ে রাজধানীর একটি প্রেক্ষাগৃহে গেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। শুক্রবার (৩ এপ্রিল) সন্ধ্যা ৬টা ৫৫ মিনিটে গুলশানের বাসভবন থেকে ধানমন্ডির জিগাতলায় অবস্থিত একটি প্রেক্ষাগৃহে পৌঁছান তারা।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান। তিনি বলেন, সুস্থ ধারার চলচ্চিত্র ও সংস্কৃতিকে উৎসাহিত করার লক্ষ্যেই প্রধানমন্ত্রী ঈদে মুক্তিপ্রাপ্ত সিনেমাটি সরাসরি হলে গিয়ে দেখছেন। এর মাধ্যমে চলচ্চিত্র নির্মাতা, শিল্পী ও কলাকুশলীরা ভবিষ্যতে আরও উৎসাহ পাবেন বলেও তিনি আশা প্রকাশ করেন।

প্রধানমন্ত্রীর আগমনকে কেন্দ্র করে সিনেমা হল এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। তবে বাড়তি নিরাপত্তার মধ্যেও সাধারণ দর্শকদের মধ্যে সিনেমাটি ঘিরে ব্যাপক উৎসাহ দেখা গেছে।

ঈদে মুক্তিপ্রাপ্ত বনলতা এক্সপ্রেস সিনেমাটি নির্মাণ করেছেন পরিচালক তানিম নূর। প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদ-এর ‘কিছুক্ষণ’ উপন্যাস অবলম্বনে নির্মিত এই চলচ্চিত্রটি ইতোমধ্যে দর্শকদের আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে।

সিনেমাটি প্রযোজনা করেছে বুড়িগঙ্গা টকিজ। সহ-প্রযোজনায় রয়েছে হইচই স্টুডিওস এবং সহযোগিতায় আছে ডোপ প্রোডাকশন্স।

চলচ্চিত্রটিতে অভিনয় করেছেন দেশের জনপ্রিয় তারকারা। এর মধ্যে রয়েছেন চঞ্চল চৌধুরী, মোশাররফ করিম, আজমেরী হক বাঁধন, জাকিয়া বারী মম, ইন্তেখাব দিনার, শ্যামল মাওলা, সাবিলা নূর, শরীফুল রাজ, লাবণ্য চৌধুরী ও শামীমা নাজনীন।

ঈদের ছুটিতে প্রেক্ষাগৃহগুলোতে দর্শকের উপস্থিতি বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ‘বনলতা এক্সপ্রেস’ নিয়েও তৈরি হয়েছে আলাদা আগ্রহ। অনেকেই মনে করছেন, সাহিত্যনির্ভর এই চলচ্চিত্রটি দর্শকদের কাছে ভিন্ন স্বাদের অভিজ্ঞতা এনে দেবে।

img

প্রেমিকের বিরুদ্ধে মামলার রাজসাক্ষী জ্যাকুলিন ফার্নান্দেজ

প্রকাশিত :  ১১:৩৮, ১৯ এপ্রিল ২০২৬
সর্বশেষ আপডেট: ১২:১২, ১৯ এপ্রিল ২০২৬

‘সখী, ভালোবাসা কারে কয়! সে কি কেবলই যাতনাময়...’, হাড়ে হাড়ে টের পাচ্ছেন জ্যাকুলিন ফার্নান্দেজ। প্রেমিক সুকেশ চন্দ্রশেখরের জন্য থানা-পুলিশ, আদালত অবধি করতে হয়েছে অভিনেত্রীকে। প্রেমের টানে কোটি টাকার আর্থিক প্রতারণা মামলায় বিতর্কে জড়িয়ে বলিউডের শক্ত পায়ের তলার মাটিও খোয়াতে বসেছেন জ্যাকুলিন!

বহুল আলোচিত ২০০ কোটি রুপির আর্থিক জালিয়াতি মামলায় জেলে আছেন সুকেশ চন্দ্রশেখর। দীর্ঘদিন ধরে চলা এ আলোচিত মামলায় এবার আদালতে গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষ্য দিতে পারেন প্রেমিকা অভিনেত্রী জ্যাকুলিন ফার্নান্দেজ। এর ফলে মামলার গতিপথে বড় পরিবর্তন আসতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। 

অথচ গ্রেফতারের পর থেকেই নানাভাবে জ্যাকুলিনের প্রতি নিজের ভালোবাসা প্রকাশ করে আসছেন সুকেশ চন্দ্রশেখর। চিঠি লিখে তিনি দাবি করেছিলেন, তাদের মধ্যে সম্পর্ক ছিল এবং অভিনেত্রী তার কাছ থেকে কোনো আর্থিক সুবিধা চাননি—শুধু ভালোবাসাই চেয়েছেন।

সুকেশ চন্দ্রশেখরের সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়ে জ্যাকুলিন ফার্নান্দেজের জীবন কেবল যাতনাময়, তা হাড়ে হাড়ে টের পাচ্ছেন তিনি। প্রেমিকের জন্য থানা-পুলিশ, আদালত অবধি দৌড়াতে হয়েছে অভিনেত্রীকে। প্রেমের টানে কোটি টাকার আর্থিক প্রতারণা মামলায় বিতর্কে জড়িয়ে বলিউডের শক্ত পায়ের তলার মাটিও খোয়াতে বসেছেন জ্যাকুলিন ফার্নান্দেজ!

অথচ জ্যাকুলিনের মন পেতে সুকেশ চন্দ্রশেখর ‘প্রেম যে কাঁঠালের আঠা লাগলে ছাড়ে না’- গানের মতোই আঠা হয়ে লেগে আছেন। বর্তমানে সুকেশ একাধিক জালিয়াতির মামলায় দিল্লির মান্ডোলি জেলে বন্দি রয়েছেন। জেলে বসেই প্রায় প্রতিটি বিশেষ দিনে তিনি জ্যাকুলিনকে উদ্দেশ্য করে চিঠি লিখে আসছেন। দিয়ে যাচ্ছেন হেলিকপ্টারসহ দামি উপহার। তাতেও মন গলেনি প্রেমিকার। সর্বশেষ ভালোবাসা দিবসেও তিনি নিজেদের ভালোবাসাকে রোমিও-জুলিয়েট, হির-রাঞ্জা এবং লাইলি-মজনুর মতো কালজয়ী প্রেমের সঙ্গে তুলনা করেছেন। সুকেশের দাবি—কোনো কিছুই তাদের এই বন্ধন ভাঙতে পারবে না। গত ১৪ ফেব্রুয়ারি ভালোবাসা দিবসে খোলা চিঠিতে সুকেশ জ্যাকুলিনকে ‘বেবি বোম্মা’ বলেও সম্বোধন করেন।

একটি গণমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, চিঠিতে সুকেশ লিখেছেন— ‘লোহার গরাদ আর এই ঠান্ডা দেয়াল আমাদের আলাদা করে রেখেছে। মরুভূমিতে হারিয়ে যাওয়া কোনো মানুষের মতো আমি তোমাকে প্রতি মুহূর্তে মিস করছি। আজ আমার প্রতিটি হৃদস্পন্দন আমাদের মধ্যবর্তী দূরত্বের কথা মনে করিয়ে দিচ্ছে।’ 

সুকেশ বলেন, জ্যাকুলিন ও তার পরিবারের জন্য দেওয়া সব উপহারই তিনি স্বেচ্ছায় দিয়েছেন। এমনকি এ মামলায় জ্যাকুলিনের নাম জড়ানোকে তিনি ‘দুর্ভাগ্যজনক’ বলেও উল্লেখ করেন। এবার জ্যাকুলিনের জন্য তিনি একটি বিশেষ সারপ্রাইজ উপহারের ব্যবস্থা করেছেন। সেটি হলো— একটি ‘এয়ারবাস এইচ সিরিজ’ লাক্সারি হেলিকপ্টার। 

সুকেশ এর আগে কোটি কোটি টাকার বাড়ি-গাড়ি উপহার তো দিয়েছেনই। জিজ্ঞাসাবাদে সেসব বিলাসী উপহারের কথা অভিনেত্রীও স্বীকার করেছেন। এবার সেই প্রেমিকাই তার বিরুদ্ধে মামলার রাজসাক্ষী হতে যাচ্ছেন। এখন দেখার বিষয়—আদালতে দাঁড়িয়ে সুকেশকে নিয়ে কী ধরনের বক্তব্য দেন জ্যাকুলিন ফার্নান্দেজ। তার সাক্ষ্যই নির্ধারণ করতে পারে এই বহুল আলোচিত মামলার পরবর্তী দিকনির্দেশনা।

বিনোদন এর আরও খবর