img

বিএনপির দুই শতাধিক নেতা পেলেন প্রার্থিতার সবুজ সংকেত

প্রকাশিত :  ০৭:১৬, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৫

বিএনপির দুই শতাধিক নেতা পেলেন প্রার্থিতার সবুজ সংকেত

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য অনানুষ্ঠানিকভাবে প্রার্থী চূড়ান্ত করছে বিএনপি। ইতোমধ্যে দুই শতাধিক প্রার্থীকে সবুজ সংকেত দেওয়া হয়েছে। ৫০টির মতো আসনে প্রার্থী যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। সমমনা দল ও জোটকে আসন ছাড় দেওয়ার পর বাকি আসনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। 

বিএনপির একাধিক জ্যেষ্ঠ নেতা জানান, দলের শীর্ষ নেতৃত্ব আগামী নির্বাচনকে বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিয়েছেন। এর অংশ হিসেবে গ্রহণযোগ্য প্রার্থীর খোঁজে এরই মধ্যে একাধিক মাঠ জরিপ করা হয়েছে। সেই জরিপের ফল এবং দলের নীতিনির্ধারণী নেতাদের মতামত ও তৃণমূলে জনপ্রিয়তার নিরিখে প্রার্থী তালিকা অনেকটাই চূড়ান্ত করা হয়েছে। 

এই নেতারা জানান, ওই তালিকা ধরে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান সম্ভাব্য প্রার্থীকে সবুজ সংকেত দিচ্ছেন। তাদের নির্বাচনের প্রস্তুতি নেওয়ার জন্য বলছেন। যেসব এলাকায় কোন্দল আছে, মনোনয়নপ্রত্যাশীদের মধ্যে বিভাজন আছে, সেসব এলাকার প্রার্থীদের স্কাইপে সংযুক্ত করে দলের নির্দেশনা মেনে চলার জন্য নির্দেশনা দিচ্ছেন তিনি। দল থেকে যাকেই মনোনয়ন দেওয়া হোক না কেন, তাঁর পক্ষে সবাইকে কাজ করতে বলছেন। কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা করলে তাৎক্ষণিক সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে হুঁশিয়ার করে দিচ্ছেন। প্রকাশ্য বক্তৃতায়ও তিনি দলের ঐক্য ধরে রাখার ওপর জোর দিচ্ছেন গত কিছু দিন ধরে। 

দলীয় সূত্র জানায়, সংখ্যানুপাতিক পদ্ধতির (পিআর) নির্বাচন আর জুলাই সনদ নিয়ে জামায়াতে ইসলামী রাজপথে আন্দোলন শুরু করেছে। তারা নির্বাচনের সার্বিক প্রস্তুতিও শুরু করেছে অনেক আগ থেকে। সারাদেশে জামায়াত তাদের প্রার্থী চূড়ান্ত এবং ঘোষণাও করেছে। তাদের নেতাকর্মীরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে গণসংযোগ করছেন। এ অবস্থায় বিএনপিও মৌখিকভাবে সম্ভাব্য প্রার্থীদের সবুজ সংকেত দিয়ে মাঠে নামাচ্ছে। 

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, নির্বাচনের প্রস্তুতি হিসেবে বিএনপি দীর্ঘদিন ধরে কাজ করছে। এর মধ্যে মাঠ জরিপ, তৃণমূল নেতাকর্মীদের মতামত সংগ্রহসহ কয়েক ধরনের উদ্যোগ চলছে। এসব প্রক্রিয়ায় যে প্রার্থী এগিয়ে থাকছেন, তাঁকে দল মনোনয়ন দেবে। তবে এখনই সবকিছু চূড়ান্ত হয়ে যায়নি। 

ঢাকা মহানগর

বিএনপির জ্যেষ্ঠ এবং মাঠ পর্যায়ের নেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ঢাকা মহানগরের ১৫টি আসনের মধ্যে কয়েকটি আসনে প্রার্থী চূড়ান্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে ঢাকা-৪ আসনে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সদস্য সচিব তানভীর আহমেদ রবীন, ঢাকা-৮ আসনে মির্জা আব্বাস, ঢাকা-১৩ আসনে সমমনা দল এনডিএম চেয়ারম্যান ববি হাজ্জাজ, ঢাকা-১৬ আসনে ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির আহ্বায়ক আমিনুল হক, ঢাকা-১৭ আসনে সমমনা দল বিজেপি চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থকে চূড়ান্ত বার্তা দেওয়া হয়েছে। 

ববি হাজ্জাজ জানান, বিএনপির সর্বোচ্চ পর্যায় থেকে মোহাম্মদপুর আসনের (ঢাকা-১৩) বিষয়ে তাঁকে নিশ্চিত করা হয়েছে। তিনি বলেন, ‘আমি এলাকায় কাজ শুরু করেছি।’

প্রার্থিতার বিষয়ে বিজেপি চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান বলেন, মনোনয়ন বিষয়ে তিনি কোনো কথা বলবেন না। তবে তিনি এলাকায় কাজ করছেন।

গুলশান এলাকার বিএনপি নেতাকর্মীরা  বলেছেন, আন্দালিব রহমান পার্থের মনোনয়নের বিষয়ে দল থেকে তাদের বলা হয়েছে। তারা পার্থর পক্ষে কাজ করছেন। এর মধ্যে আন্দালিব রহমান পার্থর সঙ্গে সাংগঠনিক আলোচনা, মতবিনিময় সভাও করেছে স্থানীয় বিএনপি। ঢাকার বাকি আসনের প্রার্থীরা দলের সবুজ সংকেত পাওয়ার কথা  নিশ্চিত করেছেন। 

ঢাকার বাইরে 

উত্তরাঞ্চলের আসনগুলোর মধ্যে পঞ্চগড়-১ আসনে ব্যারিস্টার জমিরউদ্দিনের ছেলে ব্যারিস্টার নওশাদ জমির, পঞ্চগড়-২ আসনে ফরহাদ হোসেন আজাদ, কুড়িগ্রাম-৩ আসনে তাসভীরুল ইসলাম, পাবনা-২ আসনে একেএম সেলিম রেজা হাবিব, পাবনা-৩ আসনে হাসান জাফির তুহিন, পাবনা-৪ আসনে হাবিবুর রহমান হাবিবকে এলাকায় নির্বাচনী কাজ শুরু করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এই কয়েকটি আসনের বিষয়ে নিশ্চিত হতে পেরেছে। এর মধ্যে অন্তত চারজন সঙ্গে কথা বলেছেন এবং এ তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। এর বাইরেও কয়েকটি আসেন প্রার্থীদের সবুজ সংকেত দেওয়া হয়েছে বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে। 

দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের সংসদীয় আসনগুলোর মধ্যে চুয়াডাঙ্গা-১ আসনে শামসুজ্জামান দুদু, চুয়াডাঙ্গা-২ আসনে মাহমুদ হাসান খান, ঝিনাইদহ-৪ আসনে সাইফুল ইসলাম ফিরোজকে প্রার্থিতার কথা জানানো হয়েছে। তাদের মধ্যে অন্তত একজন দলের সবুজ সংকেত পাওয়ার কথা নিশ্চিত করেছেন। 

দক্ষিণাঞ্চলের সংসদীয় আসনের মধ্যে যশোর-৩ আসনে অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, খুলনা-৩ আসনে রকিবুল ইসলাম বকুল, খুলনা-৪ আসনে আজিজুল বারী হেলাল, পটুয়াখালী-৪ এবিএম মোশারফ হোসেন, ভোলা-২ আসনে হাফিজ ইব্রাহীম, ভোলা-৩ আসনে মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ, ভোলা-৪ আসনে নুরুল ইসলাম নয়ন, বরিশাল-১ আসনে জহির উদ্দিন স্বপন, বরিশাল-৩ আসনে জয়নুল আবেদীন ও বরিশাল-৪ আসনে রাজীব আহসান দলের মনোনয়ন পাচ্ছেন। তারা দলের প্রার্থিতা এবং এলাকায় কাজ করার নির্দেশনা পাওয়ার কথা নিশ্চিত করেছেন। 

এ ছাড়া ফরিদপুর-৪ আসনে শহীদুল ইসলাম বাবুল, জামালপুর-১ আসনে রশিদুজ্জামান মিল্লাত, টাঙ্গাইল-৫ আসনে সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, জামালপুর-৩ আসনে মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল এবং ময়মনসিংহ-৪ আসনে ওহাব আকন্দের নাম জানা গেছে। 

সিলেট বিভাগে সুনামগঞ্জ-১ আসনে মাহবুবুর রহমানকে দলের পক্ষ থেকে নির্বাচনী কাজ শুরু করার জন্য বলা হয়েছে। 

এ ছাড়া দলের জ্যেষ্ঠ নেতাদের আসনের বেশির ভাগ নিশ্চিত করা হয়েছে। এর মধ্যে স্থায়ী কমিটির বেশির ভাগ সদস্য, দলের মহাসচিবসহ আরও অনেক নেতা রয়েছেন। আবার অনেক এলাকায় তরুণদের প্রাধান্য দেওয়া হবে এবার। এর মধ্যে ছাত্রদলের প্রতিশ্রুতিশীল একাধিক নেতা থাকতে পারেন। ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি আব্দুল কাদির ভূঁইয়া জুয়েল, ফজলুর রহমান খোকন, কাজী রওনাকুল ইসলাম শ্রাবণ, সাইফ মাহমুদ জুয়েলের মধ্য থেকে একাধিকজনের ভাগ্য এবার খুলতে পারে বলে বিএনপির দায়িত্বশীল একজন নেতা জানিয়েছেন। 

প্রার্থী তালিকা চূড়ান্ত করার পাশাপাশি যেসব এলাকায় একাধিক প্রভাবশালী প্রার্থী রয়েছেন, সেখানে সব পক্ষের সঙ্গে কথা বলছেন তারেক রহমান। তিনি মনোনয়ন পাওয়া নেতার পক্ষে কাজ করার জন্য সবাইকে তাগিদ দিচ্ছেন। দলের নির্দেশনা অমান্য করলে সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণের হুঁশিয়ারিও দেওয়া হচ্ছে। 

এর মধ্যে বরিশাল-৫ আসনের প্রার্থীদের সঙ্গে কথা বলেছেন তারেক রহমান। সেখানে সাবেক মেয়র মজিবর রহমান সরোয়ার, বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, সাংগঠনিক সম্পাদক বিলকিস জাহান শিরীন, নির্বাহী সদস্য আবু নাসের মোহাম্মদ রহমাতুল্লাহসহ আরও কয়েকজন প্রার্থী হতে চান। 

বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য আবু নাসের মোহাম্মদ রহমাতুল্লাহ বলেন, দলের শীর্ষ নেতৃত্ব থেকে তাদের ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার জন্য নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। দলের সিদ্ধান্ত সবাইকে মেনে নিতে হবে। নির্বাচনে দলের চূড়ান্ত প্রার্থীর পক্ষেই কাজ করতে হবে। 


জাতীয় এর আরও খবর

img

পেনশন ভোগান্তি কমাতে অনলাইন ট্র্যাকিং ব্যবস্থা চালু করছে সরকার: জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী

প্রকাশিত :  ১০:৪৭, ২৪ জুন ২০২৬

পেনশন আবেদন ও অনুমোদন প্রক্রিয়ায় দীর্ঘদিনের ভোগান্তি কমাতে সরকার ‘অনলাইন পেনশন ট্র্যাকিং অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম’ (ওপিটিএমএস) চালুর উদ্যোগ নিয়েছে বলে জানিয়েছেন জনপ্রশাসন ও খাদ্য প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল বারী। তিনি বলেন, এ ব্যবস্থা চালু হলে পেনশনভোগীরা ডিজিটাল মাধ্যমে আবেদন জমা দিতে, আবেদনের অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ করতে এবং প্রয়োজনীয় কার্যক্রম সম্পন্ন করতে পারবেন। এর ফলে সময় ও হয়রানি কমবে, পাশাপাশি সরকারি সেবায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি আরও নিশ্চিত হবে।

মঙ্গলবার সচিবালয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে ‘অনলাইন পেনশন ট্র্যাকিং অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম’ বিষয়ক কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। বুধবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মচারীরা পেনশন সংক্রান্ত কাজে প্রায়ই বিলম্ব, প্রক্রিয়াগত জটিলতা এবং অপ্রয়োজনীয় অফিস যাতায়াতের মুখোমুখি হন। ওপিটিএমএস পুরোপুরি চালু হলে তারা ঘরে বসেই অনলাইনে আবেদন করতে ও আবেদনের অগ্রগতি জানতে পারবেন। এর ফলে দ্রুততম সময়ে পেনশন প্রাপ্তি নিশ্চিত করা সম্ভব হবে। তিনি আরও বলেন, সরকারি অফিসে না গিয়ে অনলাইনে সেবা পাওয়া গেলে তা দুর্নীতি কমানোর কার্যকর হাতিয়ার হিসেবে কাজ করবে।

শতভাগ পেনশন সমর্পণকারী পেনশনভোগীদের বিষয়ে মো. আব্দুল বারী বলেন, বিদ্যমান বিধান অনুযায়ী ১৫ বছরের পুনঃস্থাপন মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে কোনো পেনশনভোগী মারা গেলে তার পরিবার পেনশন পুনঃস্থাপনের সুবিধা পায় না। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর প্রতি ন্যায্যতা নিশ্চিত করতে এ নীতি পুনর্বিবেচনার সুযোগ রয়েছে।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. এহছানুল হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কর্মশালায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অর্থ বিভাগের সচিব ড. মো. খায়েরুজ্জামান মজুমদার এবং হিসাব মহানিয়ন্ত্রক এস এম রেজভী।

সভাপতির বক্তব্যে মো. এহছানুল হক বলেন, আগে সরকারি কর্মচারীদের কোনো সমন্বিত ডেটাবেস ছিল না। ফলে পেনশন মঞ্জুরির প্রক্রিয়া জটিল হয়ে উঠত। হালনাগাদ কর্মচারী ডেটাবেস সংরক্ষণ করা গেলে পেনশন অনুমোদনের প্রক্রিয়া অনেক সহজ হবে। তিনি পেনশনভোগীদের জন্য পৃথক হেল্প ডেস্ক স্থাপনের ওপরও গুরুত্বারোপ করেন, যাতে অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারী ও পারিবারিক পেনশনভোগীরা সহজে প্রয়োজনীয় সেবা পেতে পারেন।

অর্থ বিভাগের সচিব ড. মো. খায়েরুজ্জামান মজুমদার বলেন, অবসরের পর অনেক পেনশনভোগী নানা জটিলতার কারণে অসহায় অবস্থায় পড়েন। ওপিটিএমএস ঝামেলামুক্ত সেবা নিশ্চিত করে তাদের আস্থা বাড়াবে। তিনি জানান, প্রথম পর্যায়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের কর্মচারীদের নিয়মিত পেনশন মামলার ক্ষেত্রে পাইলট ভিত্তিতে এ ব্যবস্থা চালু হবে। পরবর্তী সময়ে এটি অর্থ বিভাগ, হিসাব মহানিয়ন্ত্রকের কার্যালয়, সব মন্ত্রণালয়, সংযুক্ত দপ্তর এবং মাঠপর্যায়ের কার্যালয়ে সম্প্রসারণ করা হবে। তিনি আরও বলেন, ‘ওয়ান র‍্যাঙ্ক ওয়ান পেনশন’ ব্যবস্থা চালু করা গেলে বৈষম্য কমবে এবং অবসরপ্রাপ্তদের আর্থিক নিরাপত্তা আরও সুদৃঢ় হবে।

হিসাব মহানিয়ন্ত্রক এস এম রেজভী বলেন, পেনশন-পরবর্তী ব্যবস্থাপনায় ইতোমধ্যে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে। পেনশনভোগীরা এখন পুরোপুরি ডিজিটাল সেবা পাচ্ছেন। হিসাব মহানিয়ন্ত্রকের কার্যালয়ে পেনশন ব্যবস্থাপনার মনিটরিং ব্যবস্থা শক্তিশালী করা হয়েছে, যা সেবাকে আরও স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক করছে।

কর্মশালায় স্বাগত বক্তব্য দেন অর্থ বিভাগের বাজেট-১ অনুবিভাগের অতিরিক্ত সচিব ও এসপিএফএমএস কর্মসূচির জাতীয় কর্মসূচি পরিচালক ড. জিয়াউল আবেদীন। তিনি বলেন, জিপিএফ অটোমেশন, পেনশন-পরবর্তী সুবিধার অটোমেশন, অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট মডিউল, টিএ/ডিএ মডিউল, ফ্যামিলি কার্ড ও ফার্মার কার্ড ডেটাবেস এবং এলপিসি মডিউলসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে আইবাস++ উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করেছে। ওপিটিএমএস চালু হলে অবসর-পূর্ব পেনশন প্রক্রিয়া আরও সুশৃঙ্খল হবে এবং অবসরপ্রত্যাশী কর্মচারীরা উন্নত সেবা পাবেন বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

কর্মশালার উন্মুক্ত আলোচনা পর্ব সঞ্চালনা করেন অর্থ বিভাগের বাজেট ও আইন অনুবিভাগের অতিরিক্ত সচিব মো. হাসানুল মতিন। অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন এসপিএফএমএসের পেনশন, ফান্ড ম্যানেজমেন্ট এবং আর্থিক প্রতিবেদন প্রণয়নের মান ও সময়ানুবর্তিতা বিষয়ক স্কিমের প্রোগ্রাম এক্সিকিউটিভ ও কো-অর্ডিনেটর ড. মাহফুজা বেগম।

 


জাতীয় এর আরও খবর