img

রোজার আাগে চড়া মুরগি ও লেবুর বাজার

প্রকাশিত :  ০৬:৩৭, ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

রোজার আাগে চড়া মুরগি ও লেবুর বাজার

রোজার আর মাত্র হাতেগোনা কয়েকটা দিন বাকি ; এর মধ্যেই ইফতারের অন্যতম অনুসঙ্গ লেবুর দাম বাড়তে শুরু করেছে। একই সঙ্গে ঊর্ধ্বমুখী রয়েছে মুরগি ও কাঁচা মরিচের দামও। তবে কিছুটা স্বস্তি মিলছে সবজি ও পেঁয়াজের বাজারে।

শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর কারওয়ান বাজারসহ আশপাশের কয়েকটি বাজার ঘুরে দেখা যায়, রমজানে বেশি চাহিদা থাকা লেবুর হালি বিক্রি হচ্ছে ৫০ টাকার ওপরে।

ক্রেতারা বলছেন, রোজার আগে এমন দাম বাড়ায় চাপ বাড়ছে পকেটে। কারওয়ান বাজারে বাজার করতে আসা বেসরকারি চাকরিজীবী রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘রোজা শুরুই হয়নি, এর মধ্যেই লেবুর দাম বাড়তি। রোজায় যদি আরও বাড়ে, তাহলে অন্যান্য পণ্যের দামসহ খরচ সামলানো কঠিন হয়ে যাবে।’

খুচরা বিক্রেতারা জানান, শবে বরাতের দুদিন আগে থেকেই লেবুর দাম বাড়তে শুরু করেছে। প্রতি বছরই রোজার আগে লেবুর চাহিদা বাড়ে, তাই দামও বেড়ে যায়। কারওয়ান বাজারের এক লেবু বিক্রেতা বলেন, এ সময় চাহিদা বেশি থাকে, সরবরাহও কমে যায়। তাই দাম একটু বাড়তি।

 এদিকে, তুলনামূলক স্বস্তি দেখা গেছে সবজির বাজারে। প্রতিকেজি বেগুন ৫০-৬০ টাকা, শসা ৮০ টাকা, শিম ৫০-৬০ টাকা, করলা ১০০-১২০ টাকা, মূলা ৩০-৪০ টাকা, ফুলকপি প্রতিপিস (সাইজভেদে) ৩০-৪০ টাকা, বাঁধাকপি প্রতিপিস (সাইজভেদে) ৩০-৪০ টাকা, পেঁপে ৩০-৪০ টাকা, টমেটো ৪০-৫০ টাকা, বরবটি ১২০ টাকা এবং আলু ২৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। তবে দাম বেড়েছে কাঁচা মরিচের। কেজিপ্রতি বিক্রি হচ্ছে ১০০-১২০ টাকায়।

পেঁয়াজের বাজারে তুলনামূলক স্বস্তি দেখা গেছে। নতুন মৌসুমের পেঁয়াজ বাজারে আসতে শুরু করায় দামও সহনীয় পর্যায়ে রয়েছে। প্রতি কেজি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৫০ টাকায়। বাজার করতে আসা গৃহিণী নাজমা আক্তার বলেন, পেঁয়াজের দাম এখন মোটামুটি ঠিক আছে। যদি এমন থাকে, তাহলে কিছুটা হলেও স্বস্তি।

তবে মুরগির বাজারে বাড়তি চাপ দেখা গেছে। ব্রয়লার মুরগির কেজিতে ১০ টাকা এবং সোনালি মুরগির কেজিতে ২০ টাকা বেড়েছে। বর্তমানে ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হচ্ছে ১৮০ টাকা কেজি, সোনালি মুরগি ৩০০-৩২০ টাকা এবং লাল লেয়ার ৩০০ টাকা কেজি দরে।

বিক্রেতারা বলছেন, বিয়ে-শাদি ও বিভিন্ন অনুষ্ঠানের কারণে চাহিদা বেড়েছে, তাই দামও বাড়ছে। এক মুরগি বিক্রেতা বলেন, এ সময় অনুষ্ঠান বেশি থাকে, চাহিদা বেড়ে যায়। তাই দাম একটু বেশি।

img

বর্তমানে বাংলাদেশে বিদেশি ঋণের পরিমাণ ৭৮ বিলিয়ন ডলারের বেশি

প্রকাশিত :  ১১:২১, ২১ এপ্রিল ২০২৬

চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত হিসাব অনুযায়ী বাংলাদেশ সরকারের বৈদেশিক ঋণ ৭৮.০৬৭ (আটাত্তর দশমিক শূন্য ছয় সাত) বিলিয়ন মার্কিন ডলার সমপরিমাণ বলে  উল্লেখ করেছেন, অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী ।

মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) বিকেলে জাতীয় সংসদের অধিবেশনে ১৮তম দিনের প্রশ্নোত্তরে তিনি এসব তথ্য জানান।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা প্রশ্ন রেখে বলেন, বর্তমানে বাংলাদেশে বিদেশি ঋণের পরিমাণ কত; উক্ত ঋণ পরিশোধে এই পর্যন্ত কী কী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে, বর্তমান সরকার ক্ষমতা গ্রহণের পর থেকে এই পর্যন্ত কোনো ঋণ পরিশোধ করেছে কি না; করলে, তা কী?

আমির খসরু বলেন, ফেব্রুয়ারি ২০২৬ মাস পর্যন্ত হিসাব অনুযায়ী বাংলাদেশ সরকারের বৈদেশিক ঋণের স্থিতি ৭৮.০৬৭ (আটাত্তর দশমিক শূন্য ছয় সাত) বিলিয়ন মার্কিন ডলার সমপরিমাণ। অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ সরকারের পক্ষে বৈদেশিক ঋণ পরিশোধ করে থাকে। প্রতি অর্থবছর বৈদেশিক ঋণ পরিশোধের জন্য ঋণের আসল ও সুদ বাবদ সম্ভাব্য মোট ব্যয় কত হতে পারে তার একটি প্রক্ষেপণ তৈরি করা হয় এবং সে পরিমাণ অর্থ ঋণ পরিশোধ বাবদ বাজেটে সংস্থান রাখা হয়। বাজেট বরাদ্দ ব্যবহার করেই সারাবছর পরিশোধ সূচি অনুসরণ করে ঋণ পরিশোধ করা হচ্ছে।

বর্তমান সরকার ক্ষমতা গ্রহণের পর থেকে এ পর্যন্ত মোট ৯০.৬৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের সমপরিমাণ ঋণ পরিশোধ করা হয়েছে।

অর্থনীতি এর আরও খবর