img

কসবা সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে কলেজছাত্রসহ ২ বাংলাদেশি নিহত

প্রকাশিত :  ০৬:৩৫, ০৯ মে ২০২৬

কসবা সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে কলেজছাত্রসহ ২ বাংলাদেশি নিহত

ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) গুলিতে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলার সীমান্তে কলেজছা্ত্রসহ দুই বাংলাদেশি নাগরিক নিহত হয়েছেন। গতকাল শুক্রবার (৮ মে) রাত সোয়া ১১টার দিকে কসবা উপজেলার ধজনগর সীমান্তের ভারত অংশে এ ঘটনা ঘটে।

নিহতদের মধ্যে একজনের নাম জানা গেছে। তার নাম মো. মোরছালিন (২২)। তিনি কসবা উপজেলার গোপীনাথপুর ইউনিয়নের ধজনগর বাতানবাড়ি এলাকার হেবজু মিয়ার ছেলে। তিনি স্থানীয় শাহআলম ডিগ্রি কলেজের শিক্ষার্থী ছিলেন।

নিহতরা চোরাকারবারের সাথে জড়িত বলে জানিয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। নিহত মোরছালিনের পরিবারের সদস্যরা জানান, রাতে স্থানীয় কয়েকজন এসে মোরছালিনকে বাড়ি থেকে ডেকে সীমান্তে নিয়ে যায়। সেখানে যাওয়ার পর সীমান্তের ভারত অংশে টহলরত বিএসএফ সদস্যরা তাদেরকে লক্ষ্য করে গুলি করে। এতে গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যায় মোরছালিন। পরে তার মরদেহ ভারতের অভ্যন্তরে নিয়ে যায় বিএসএফ সদস্যরা।

বিজিবির ৬০ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল এস. এম. শরিফুল ইসলাম জানান, গতকাল রাতে আনুমানিক ১৫ জন বাংলাদেশি চোরাকারবারি ভারতীয় চোরাকারবারিদের সহায়তায় চোরাচালানের উদ্দেশ্যে ধজনগর সীমান্ত দিয়ে ভারতের অভ্যন্তরে যায়। পরবর্তীতে চোরাচালানি মালামাল নিয়ে ফেরার সময় বিএসএফের ৪৯ ব্যাটালিয়নের পাথারিয়াদ্বার ক্যাম্পের টহলরত সদস্যরা তাদের বাধা দিলে চোরাকারবারিরা বিএসএফ সদস্যদের উপর চড়াও হয়। এ সময় বিএসএফ সদস্যর সাথে হাতাহাতি ও ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে বিএসএফ সদস্য চোরাকারবারিদের উপর গুলি চালায়। এ ঘটনায় গুলিবিদ্ধ বাংলাদেশি চোরাকারবারি মো. মোরছালিন (২২) ও আরেক আহত চিকিৎসাধীন অবস্থায় ভারতের হাসপাতালে মারা যায়।

তিনি আরও বলেন, বিএসএফ কমান্ডেন্টের সাথে যোগাযোগ করে নিহতদের মরদেহ বাংলাদেশে ফেরত আনার চেষ্টা চলছে। এ ঘটনায় বিএসএফকে প্রটেস্ট নোট পাঠানোসহ পতাকা বৈঠকের প্রক্রিয়া চলছে।

img

৭ জেলায় বজ্রপাতের আশঙ্কা

প্রকাশিত :  ১৪:০৮, ০৯ মে ২০২৬

দেশের সাত জেলায় বজ্রপাত ও ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টির আশঙ্কা রয়েছে বলে সতর্কবার্তা দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। আজ শনিবার (৯ মে) সন্ধ্যার মধ্যে এসব এলাকায় কালবৈশাখী ঝড় ও বজ্রবৃষ্টি হতে পারে।

আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, খুলনা, বাগেরহাট, সাতক্ষীরা, পিরোজপুর, বরগুনা, নীলফামারী ও পঞ্চগড় জেলার কিছু স্থানে ঝোড়ো হাওয়াসহ বজ্রবৃষ্টি বা বৃষ্টি হতে পারে। এ সময় সবাইকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। বিশেষ করে বজ্রপাতের সময় ঘরের বাইরে না যেতে অনুরোধ জানানো হয়েছে।

আবহাওয়া অধিদপ্তর তাদের ফেসবুক পেজে এক পোস্টে জানিয়েছে, এটি মূলত বজ্রপাত-সংক্রান্ত সতর্কবার্তা। বৃষ্টির শুরু, স্থায়িত্ব বা পরিমাণ নির্ধারণের উদ্দেশ্যে এ সতর্কবার্তা দেওয়া হয়নি। 

কারণ, বৃষ্টি শুরু হওয়ার আগে, চলাকালীন কিংবা বৃষ্টি শেষ হওয়ার পরও বজ্রপাতের শব্দ শোনা যেতে পারে। তাই সর্বশেষ বজ্রধ্বনি শোনার পর অন্তত ৩০ মিনিট পর্যন্ত বজ্রপাতের ঝুঁকি থাকতে পারে।