img

তিস্তাসহ দেশের বিভিন্ন নদীর ব্যবস্থাপনায় সহযোগিতা বাড়াতে ঢাকা-বেইজিং ঐকমত্য

প্রকাশিত :  ০৮:৪৩, ২৫ জুন ২০২৬
সর্বশেষ আপডেট: ০৮:৫২, ২৫ জুন ২০২৬

তিস্তাসহ দেশের বিভিন্ন নদীর ব্যবস্থাপনায় সহযোগিতা বাড়াতে ঢাকা-বেইজিং ঐকমত্য

চীনের পানিসম্পদমন্ত্রী লি গোওইং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। বৈঠকে তিস্তাসহ বাংলাদেশের বিভিন্ন নদীর ব্যবস্থাপনায় দুই দেশের সহযোগিতা বৃদ্ধির বিষয়ে ঐকমত্য হয়।

আজ বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) দুপুরে বেইজিংয়ের রাষ্ট্রীয় দিয়াওইউতাই অতিথি ভবনে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

প্রধানমন্ত্রী বৈঠকে বন্যার ঝুঁকি মোকাবেলা, পরিবেশ সুরক্ষা এবং পানি সম্পদের যথাযথ ব্যবস্থাপনার লক্ষ্যে দেশে চলমান নদী খনন কর্মসূচির কথা উল্লেখ করেন এবং বাংলাদেশের পানিসম্পদ ব্যবস্থাপনায় চীন সরকারের সহযোগিতা চান।

প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের তিস্তা ব্যবস্থাপনা প্রকল্পে চীন সরকারের কারিগরি সহায়তাও প্রত্যাশা করেন। চীনের পানিসম্পদমন্ত্রী সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

তিনি ২০০৫ সালে বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারক এবং গত বছর চীনের পানি বিশেষজ্ঞদের বাংলাদেশ সফরের কথা উল্লেখ করে বলেন, পানি সম্পদ ব্যবস্থাপনায় বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে বিদ্যমান দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা বাস্তবভিত্তিক ও গবেষণানির্ভর।

প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের নদীভাঙন রোধ, সেচ ব্যবস্থাপনা এবং নৌ-নেভিগেশন উন্নয়নে চীন সরকারের সহযোগিতা প্রত্যাশা করেন। 

চীনের পানিসম্পদমন্ত্রী বলেন, পানি ব্যবস্থাপনায় বাংলাদেশ চীনের অভিজ্ঞতা কাজে লাগাতে পারে। তিনি বাংলাদেশের পানি বিশেষজ্ঞ এবং এ খাতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের চীনে প্রশিক্ষণ গ্রহণের আহ্বান জানান।

এ সময় চীনের পানিসম্পদ মন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে একটি বই উপহার দেন। 

বৈঠকে তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন, পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, প্রধানমন্ত্রীর অর্থ উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির, শিক্ষা, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান বিষয়ক প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন এবং প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন উপস্থিত ছিলেন।


জাতীয় এর আরও খবর

img

হাম ও হামের উপসর্গে আরও ৯ শিশুর প্রাণহানি, মোট মৃত্যু ৬৯৮

প্রকাশিত :  ১৩:০৩, ২৫ জুন ২০২৬

দেশে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৯ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে হাম ও হামের উপসর্গে আক্রান্ত হয়েছে ৯৪৫ শিশু।

আজ বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রকাশিত হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, বুধবার সকাল ৮টা থেকে বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত সময়ে হামের উপসর্গ নিয়ে ৯ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। তবে এ সময়ে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে কোনো শিশুর মৃত্যু হয়নি।

গত ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে মোট ৬০৫ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। অন্যদিকে, নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে প্রাণ হারিয়েছে ৯৩ শিশু। ফলে হাম ও হামের উপসর্গ মিলিয়ে মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৬৯৮ জনে।

একই সময়ে নতুন করে ৫২ জন শিশুর শরীরে নিশ্চিত হাম শনাক্ত হয়েছে। এছাড়া হামের উপসর্গ পাওয়া গেছে আরও ৮৯৩ জনের মধ্যে। সব মিলিয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্তের সংখ্যা ৯৪৫।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, এ সময়ে ৮৬০ জন নতুন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে এবং ৯০৬ জন চিকিৎসা শেষে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছে।

গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত দেশে মোট সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৯৬ হাজার ৬৫৩ জনে। এর মধ্যে নিশ্চিতভাবে হাম শনাক্ত হয়েছে ১১ হাজার ৪৪২ জনের। এ সময়ের মধ্যে মোট ৮০ হাজার ৪৯৭ জন রোগী বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে।

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা শিশুদের নিয়মিত টিকাদান কর্মসূচির আওতায় আনার পাশাপাশি জ্বর, র‌্যাশ বা হামের উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।


জাতীয় এর আরও খবর