img

দুদকের নতুন চেয়ারম্যান এ কে এম আসাদুজ্জামান

প্রকাশিত :  ১৯:২৪, ১৭ আগষ্ট ২০২৬

দুদকের নতুন চেয়ারম্যান এ কে এম আসাদুজ্জামান

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) নতুন চেয়ারম্যান হিসেবে বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামানকে নিয়োগ দিয়েছে সরকার। একই সঙ্গে কমিশনার হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন ড. জাকির হোসেন খান ও ড. মো. সাজ্জাদ হোসেন ভূঁইয়া।

আজ সোমবার (১৭ আগস্ট) রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এ নিয়োগ দেওয়া হয়। 

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ৮ ধারার উপধারা (১) অনুযায়ী তাদের কমিশনার হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়, একই আইনের ৫ ধারার উপধারা (১) অনুযায়ী বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামানকে দুর্নীতি দমন কমিশনের চেয়ারম্যান নিয়োগ করা হয়েছে।

নতুন চেয়ারম্যান বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামানের বেতন, ভাতা, অন্যান্য সুবিধা ও পদমর্যাদা সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের বিচারকের সমপর্যায়ের নির্ধারণ করা হয়েছে। আর কমিশনার ড. জাকির হোসেন খান ও ড. মো. সাজ্জাদ হোসেন ভূঁইয়ার বেতন, ভাতা, অন্যান্য সুবিধা ও পদমর্যাদা সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের বিচারকের সমপর্যায়ের নির্ধারণ করা হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে নিয়োগপ্রাপ্তদের পরিচয়ও উল্লেখ করা হয়েছে। তবে তাদের বিস্তারিত কর্মপরিচয় প্রজ্ঞাপনে দেওয়া হয়নি।

এর আগে গত ২ জুলাই দুদকের চেয়ারম্যান ও কমিশনার পদে নিয়োগের জন্য আগ্রহী প্রার্থীদের কাছ থেকে জীবনবৃত্তান্ত আহ্বান করে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ৭ ধারা অনুযায়ী গঠিত বাছাই কমিটি রাষ্ট্রপতির কাছে সুপারিশ পাঠানোর জন্য এসব জীবনবৃত্তান্ত আহ্বান করেছিল।

আইন অনুযায়ী, দুদক সর্বোচ্চ পাঁচজন কমিশনারের সমন্বয়ে গঠিত হতে পারে এবং তাদের মধ্য থেকে রাষ্ট্রপতি একজনকে চেয়ারম্যান নিয়োগ করেন। কমিশনার হওয়ার জন্য আইন, বিচার, প্রশাসন, শিক্ষা, হিসাব-নিরীক্ষা, শৃঙ্খলা বাহিনী, আর্থিক প্রতিষ্ঠান বা দুর্নীতিবিরোধী কার্যক্রমে কমপক্ষে ২০ বছরের অভিজ্ঞতা থাকার বিধান রয়েছে।

জাতীয় এর আরও খবর

img

অপ্রয়োজনীয় খাতে ব্যয় কমানোর চেষ্টা করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত :  ১০:২১, ১৮ আগষ্ট ২০২৬

অপ্রয়োজনীয় খাতে ব্যয় কমানোর চেষ্টা করছে সরকার বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তবে প্রয়োজনীয় ও জরুরি খাতে ব্যয়ের ক্ষেত্রে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না বলেও উল্লেখ করেন তিনি। মঙ্গলবার রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে জাতীয় রাজস্ব সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। 

সরকারপ্রধান বলেন, যার যা কাজ সেটি ঠিকভাবে করলেই দেশে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে। সবাইকে সঙ্গে নিয়ে সামনে এগিয়ে যাওয়া সরকারের লক্ষ্য। 

অর্থ মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ ও জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) যৌথভাবে এ সম্মেলনের আয়োজন করেছে। সম্মেলনে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা অংশ নিয়েছেন।

সৎ ও দক্ষ কর্মকর্তাদের আরও বেশি কাজ করার সুযোগ দেওয়ার কথা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, যারা সৎ, দক্ষ, তাদের আমরা আরও বেশি কাজ করার সুযোগ দিতে চাই। এ সময় রাজস্ব কর্মকর্তাদের দণ্ডের বিষয় গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হবে বলেও জানান তিনি।

সম্মেলন মঞ্চে উপস্থিত আছেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এবং প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনাবিষয়ক উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর।

সকালে এই সম্মেলনে যোগ দেন সরকারপ্রধান। সম্মেলনে রাজস্ব আহরণ বাড়ানো, কর ব্যবস্থাপনা আরও কার্যকর করা এবং দেশের অর্থনীতির জন্য প্রয়োজনীয় রাজস্ব সংস্থানসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হবে। এছাড়া থাকছে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে মতবিনিময়েরও সুযোগ।


জাতীয় এর আরও খবর