img

১৯ দিনে এলো ২৩ হাজার কোটি টাকার রেমিট্যান্স

প্রকাশিত :  ১৩:২২, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

১৯ দিনে এলো ২৩ হাজার কোটি টাকার রেমিট্যান্স

চলতি সেপ্টেম্বরের প্রথম ১৯ দিনে দেশে ১৮০ কোটি ৭০ লাখ ৭০ হাজার মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স এসেছে। বাংলাদেশি মুদ্রায় এর পরিমাণ দাঁড়ায় ২৩ হাজার ৮৭ কোটি ৯৬ লাখ ১০ হাজার টাকা, প্রতি ডলার ১২৩ টাকা হিসাবে।

রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে প্রকাশিত হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, চলতি সেপ্টেম্বরের প্রথম ১৯ দিনে বেসরকারি ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে প্রবাসী আয় এসেছে ১৩৬ কোটি ৯ লাখ ৬০ হাজার মার্কিন ডলার, রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ৩৪ কোটি ৬৬ লাখ ৬০ হাজার ডলার ও বিশেষায়িত ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ১৬ কোটি ৫৫ লাখ ডলার। 

এ ছাড়া বিদেশি ব্যাংকগুলোর শাখার মাধ্যমে প্রবাসী আয় এসেছে ৩৯ লাখ ৪০ হাজার ডলার।

বাংলাদেশ ব্যাংক জানায়, এই ১৯ দিনে দেশের ব্যাংকগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি প্রবাসী আয় এসেছে ইসলামী ব্যাংকের মাধ্যমে। ব্যাংকটির মাধ্যমে প্রবাসী আয় এসেছে ৩২ কোটি ৮২ লাখ ৫০ হাজার ডলার।

দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে অগ্রণী ব্যাংক। এই ব্যাংকটির মাধ্যমে এসেছে ১৬ কোটি ৬৫ লাখ ৯০ হাজার ডলার। পরের অবস্থানে থাকা বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের মাধ্যমে এসেছে ১৬ কোটি ৫৫ লাখ ডলার। এরপর ব্র্যাক ব্যাংকের মাধ্যমে ১১ কোটি ৯৮ লাখ ৮০ হাজার ডলার এসেছে।

img

সূচকের হাসির নিচে অর্থনীতির যে অস্বস্তি

প্রকাশিত :  ১১:২৯, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

রেজুয়ান আহম্মেদ

পুঁজিবাজারে কয়েক দিনের উত্থান স্বস্তির খবর, কিন্তু অর্থনীতির ভিত শক্ত না হলে সেই স্বস্তি দীর্ঘস্থায়ী হয় না

একটি শেয়ারবাজার কখনো শুধু শেয়ারের বাজার নয়। সেখানে মানুষের সঞ্চয় থাকে, উদ্যোক্তার ভবিষ্যৎ থাকে, প্রতিষ্ঠানের সম্ভাবনা থাকে এবং সবচেয়ে বড় কথা, থাকে ভবিষ্যৎ সম্পর্কে মানুষের বিশ্বাস। সেই বিশ্বাস যখন ভেঙে যায়, সূচক পড়ে। আবার যখন সামান্য আশার আলো দেখা দেয়, সূচক ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করে। বাংলাদেশের পুঁজিবাজার এখন ঠিক এমন এক সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে আছে।

১৭ সেপ্টেম্বর ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের ডিএসইএক্স ৩৮ দশমিক ১ পয়েন্ট বেড়ে ৫ হাজার ৫৩২ পয়েন্টে উঠেছে। লেনদেনও আগের দিনের তুলনায় ১৭ দশমিক ৮ শতাংশ বেড়ে ৬৬০ কোটি টাকার কাছাকাছি হয়েছে। ৩৯৫টি কোম্পানি ও মিউচুয়াল ফান্ড লেনদেনে অংশ নেয়; এর মধ্যে ২৫৯টির দর বেড়েছে, কমেছে ৭৮টির। টানা তৃতীয় দিনের এই উত্থান বাজারের মনস্তত্ত্বে পরিবর্তনের একটি ইঙ্গিত বটে।

কিন্তু এখানেই থেমে গেলে ভুল হবে।

কারণ বাজারের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হলো, সূচক আজ কত পয়েন্ট বাড়ল তা নয়; বরং এই উত্থানের পেছনে অর্থনীতির কতটা শক্ত ভিত আছে।

স্বস্তির ভেতরে অস্বস্তি

বাংলাদেশের অর্থনীতি গত কয়েক বছরে একাধিক চাপের মধ্য দিয়ে গেছে। উচ্চ মূল্যস্ফীতি মানুষের প্রকৃত আয় ও ক্রয়ক্ষমতার ওপর চাপ সৃষ্টি করেছে। বিনিয়োগের গতি দুর্বল হয়েছে। রাজস্ব আহরণ কম। ব্যাংকিং খাতে সম্পদের মান নিয়ে বড় প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। একই সঙ্গে বৈদেশিক মুদ্রাবাজারে স্থিতিশীলতা ফেরানোর চেষ্টা চলছে।

তবু পুরো ছবিটি অন্ধকার নয়।

রেমিট্যান্স প্রবাহে শক্তি এসেছে। বৈদেশিক খাতে কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে। বিনিময় হার ব্যবস্থায় পরিবর্তন আনা হয়েছে। এসব পদক্ষেপ অর্থনীতিকে সাময়িক চাপ সামলাতে সহায়তা করছে।

কিন্তু বৈদেশিক খাতে স্বস্তি আর অভ্যন্তরীণ অর্থনীতির সুস্থতা এক জিনিস নয়।

একজন প্রবাসী বেশি অর্থ দেশে পাঠালে পরিবারের হাতে অর্থ বাড়ে। বৈদেশিক মুদ্রার সরবরাহও বাড়ে। কিন্তু সেই অর্থ যদি উৎপাদনশীল বিনিয়োগে না যায়, শিল্পে নতুন কর্মসংস্থান না হয়, উদ্যোক্তার ঋণপ্রাপ্তি সহজ না হয়, তাহলে অর্থনীতির দীর্ঘমেয়াদি শক্তি তৈরি হয় না।

সুতরাং বাংলাদেশের সামনে এখন মূল প্রশ্ন শুধু বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ নয়। প্রশ্ন হলো, দেশের ভেতরে বিনিয়োগের ইঞ্জিনটি আবার কতটা শক্তিশালী করা যায়।

পূর্বাভাসের ভাষা বদলেছে

অর্থনীতির ভবিষ্যৎ নিয়ে সাম্প্রতিক আন্তর্জাতিক মূল্যায়নগুলোও আমাদের সতর্ক হওয়ার কারণ দেয়।

আইএমএফের জানুয়ারি ২০২৬-এর Article IV মূল্যায়নে FY26-এ বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি ৪ দশমিক ৭ শতাংশে ফিরতে পারে বলে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছিল। একই সঙ্গে মূল্যস্ফীতি FY26-এ ৮ দশমিক ৯ শতাংশ এবং FY27-এ প্রায় ৬ শতাংশে নামার প্রত্যাশা ছিল।

কিন্তু জুলাইয়ের মূল্যায়নে পরিস্থিতির ভাষা আরও সতর্ক হয়েছে। আইএমএফ বলেছে, রাজস্ব আহরণ বাড়ানো এবং ব্যাংকিং খাতের দুর্বলতা মোকাবিলায় যথেষ্ট সংস্কার না হলে FY27-এ প্রবৃদ্ধি ৩ দশমিক ৫ শতাংশে নেমে আসতে পারে এবং মাঝারি মেয়াদে তা ৩ শতাংশের নিচেও যেতে পারে।

এই দুই পূর্বাভাসকে বিরোধী বক্তব্য হিসেবে দেখার দরকার নেই। বরং এগুলো একটি গুরুত্বপূর্ণ বাস্তবতা বোঝায়। অর্থনৈতিক পূর্বাভাস নির্ভর করছে সংস্কার কতটা দ্রুত এবং কার্যকরভাবে বাস্তবায়িত হচ্ছে তার ওপর।

অর্থাৎ বাংলাদেশের অর্থনীতির ভবিষ্যৎ কোনো পূর্বনির্ধারিত সংখ্যা নয়।

এটি নীতিনির্ধারণের ফল।

ব্যাংকিং খাতের আয়না

অর্থনীতির এই আলোচনায় ব্যাংকিং খাতকে পাশ কাটানোর সুযোগ নেই।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য বলছে, ২০২৫ সালের জুনে ব্যাংকিং খাতে মোট খেলাপি ঋণের অনুপাত ৩৪ দশমিক ৬ শতাংশে উঠেছিল এবং সেপ্টেম্বর মাসে তা ৩৬ দশমিক ৩ শতাংশে পৌঁছায়।

পরবর্তী সময়ে ডিসেম্বর ২০২৫-এ অনুপাত কিছুটা কমে ৩০ দশমিক ৬ শতাংশ হলেও মোট খেলাপি ঋণের পরিমাণ ছিল ৫৫৭২ বিলিয়ন টাকার বেশি।

এই সংখ্যাগুলো শুধু ব্যাংকের হিসাবের খাতা নয়। এগুলো অর্থনীতির গভীর অসুস্থতার লক্ষণও হতে পারে।

ব্যাংক হলো অর্থনীতির রক্তসঞ্চালন ব্যবস্থা। সঞ্চয় ব্যাংকে আসে, ব্যাংক ঋণ দেয়, উদ্যোক্তা বিনিয়োগ করেন, কারখানা তৈরি হয়, কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয় এবং উৎপাদন বাড়ে। এই চক্রের কোনো জায়গায় বড় ধরনের বাধা তৈরি হলে তার প্রভাব শেষ পর্যন্ত অর্থনীতির সব স্তরে পৌঁছায়।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সাম্প্রতিক Monetary Policy Review-তেও ব্যাংকিং খাতের মূলধন সক্ষমতার ওপর বড় চাপের চিত্র উঠে এসেছে। ডিসেম্বর ২০২৫-এ পুরো ব্যাংকিং খাতের CRAR নেতিবাচক ২ দশমিক ৬৪ শতাংশে নেমে যাওয়ার তথ্য দেওয়া হয়েছে।

এমন বাস্তবতায় শুধু শেয়ারের দর বাড়ছে দেখে ব্যাংকিং খাত সুস্থ হয়ে গেছে বলা যাবে না।

বরং প্রশ্ন করতে হবে, ব্যাংকের ব্যালান্স শিট কতটা পরিষ্কার হচ্ছে, মূলধন কতটা শক্তিশালী হচ্ছে এবং ঋণ ব্যবস্থাপনায় শৃঙ্খলা কতটা ফিরছে।

বাজার কি অর্থনীতির আগে হাঁটে?

পুঁজিবাজার অনেক সময় বাস্তব অর্থনীতির আগে ভবিষ্যৎকে মূল্যায়ন করে। কোনো কোম্পানির আগামী বছরের সম্ভাবনা ভালো হলে আজই তার শেয়ারের দর বাড়তে পারে।

এ কারণেই বাজারের উত্থানকে অগ্রাহ্য করা যায় না।

কিন্তু একই সঙ্গে মনে রাখতে হবে, বাজারের প্রত্যাশা এবং অর্থনীতির বাস্তবতা দীর্ঘদিন একে অপরের বিপরীতে চলতে পারে না।

যদি কোম্পানির আয় না বাড়ে, উৎপাদন না বাড়ে, বিনিয়োগ না বাড়ে, ভোক্তার ক্রয়ক্ষমতা না ফেরে, ব্যাংকের ঋণপ্রবাহ সুস্থ না হয়, তাহলে শুধু তারল্য দিয়ে দীর্ঘমেয়াদি বাজার তৈরি করা কঠিন।

তাই ১৭ সেপ্টেম্বরের বাজারের উত্থানকে স্বস্তির সংকেত হিসেবে দেখা যেতে পারে। কিন্তু এটিকে অর্থনীতির পূর্ণাঙ্গ পুনরুদ্ধারের প্রমাণ হিসেবে দেখা এখনই যুক্তিসঙ্গত নয়।

সবচেয়ে বিপজ্জনক শব্দ: গুজব

বাংলাদেশের পুঁজিবাজারের একটি পুরোনো দুর্বলতা হলো তথ্যের অসমতা।

কোনো শেয়ারের দর বাড়তে শুরু করলেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা ব্যাখ্যা ছড়িয়ে পড়ে। কেউ বলে কোম্পানিটি বড় কিছু করতে যাচ্ছে, কেউ বলে কোনো বিশেষ সিদ্ধান্ত আসছে, আবার কেউ শুধু দর বাড়ার ঘটনাকেই ভবিষ্যৎ দরবৃদ্ধির কারণ হিসেবে ব্যবহার করে।

এখানেই সাধারণ বিনিয়োগকারী সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে পড়েন।

দর বাড়ছে, তাই কোম্পানি ভালো। এই যুক্তি অর্থনীতির যুক্তি নয়।

একটি কোম্পানির প্রকৃত মূল্য বুঝতে হলে তার আয়, নগদ প্রবাহ, ঋণের পরিমাণ, সম্পদের মান, পরিচালন দক্ষতা, লভ্যাংশের ইতিহাস এবং ভবিষ্যৎ ব্যবসায়িক সম্ভাবনা দেখতে হয়।

শেয়ারবাজারে সবচেয়ে ব্যয়বহুল ভুলটি অনেক সময় ভুল শেয়ার কেনা নয়। অন্যের সিদ্ধান্তকে নিজের গবেষণা বলে ধরে নেওয়া।

বিনিয়োগকারীর প্রথম কাজ

এই সময়ে বিনিয়োগকারীর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজ সম্ভবত লাভের পেছনে ছোটা নয়, ঝুঁকি বোঝা।

একটি শেয়ারে সব অর্থ বিনিয়োগ করা যেমন ঝুঁকিপূর্ণ, তেমনি একটি মাত্র খাতের ওপর অতিরিক্ত নির্ভর করাও ঝুঁকিপূর্ণ। পোর্টফোলিও বৈচিত্র্যপূর্ণ রাখা, কোম্পানির আর্থিক প্রতিবেদন পড়া, গুজবের বদলে প্রকাশিত তথ্যকে গুরুত্ব দেওয়া এবং নিজের বিনিয়োগের সময়সীমা সম্পর্কে পরিষ্কার থাকা জরুরি।

মার্জিন ঋণের ক্ষেত্রেও সতর্কতা প্রয়োজন। ধার করা অর্থে বিনিয়োগে লাভের সম্ভাবনা বাড়তে পারে, কিন্তু বাজার বিপরীতে গেলে ক্ষতিও দ্রুত বাড়ে।

অতএব বাজারে এখন সবচেয়ে প্রয়োজন উত্তেজনা নয়, শৃঙ্খলা।

সংস্কার ছাড়া বাজারের স্থায়ী উত্থান কঠিন

পুঁজিবাজারের দীর্ঘমেয়াদি উন্নতি নিয়ে কথা বলতে হলে নিয়ন্ত্রক সংস্কার, ব্যাংকিং সংস্কার এবং সামষ্টিক অর্থনৈতিক সংস্কারকে একই আলোচনায় আনতে হবে।

আইএমএফ জুন ২০২৬-এ বাংলাদেশের নতুন সহায়তা কর্মসূচির আলোচনার সময়ও ব্যাংকিং খাতের দুর্বলতা ও কম রাজস্ব আহরণকে বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে চিহ্নিত করেছিল।

জুলাইয়ের মূল্যায়নে তারা আরও স্পষ্টভাবে বলেছে, ব্যাংকিং খাত পুনর্গঠন, রাজস্ব আহরণ বৃদ্ধি, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ এবং বৈদেশিক মুদ্রার স্থিতিশীলতা রক্ষায় কার্যকর সংস্কার প্রয়োজন।

এখানে সংস্কার শব্দটি যত সহজ, বাস্তবায়ন তত কঠিন।

ব্যাংকের পুরোনো সমস্যা স্বীকার করতে হবে। দুর্বল প্রতিষ্ঠানকে চিহ্নিত করতে হবে। মূলধন ঘাটতি পূরণ করতে হবে। ঋণ আদায়ের সংস্কৃতি ফিরিয়ে আনতে হবে। আর্থিক প্রতিবেদনের মান বাড়াতে হবে। একই সঙ্গে পুঁজিবাজারে স্বচ্ছতা, জবাবদিহি এবং বিনিয়োগকারীর সুরক্ষা নিশ্চিত করতে হবে।

কারণ আস্থা আদেশ দিয়ে তৈরি হয় না।

আস্থা তৈরি হয় নিয়মের ধারাবাহিকতায়।

শেষ কথা: সূচক নয়, ভিত

বাংলাদেশের অর্থনীতি এখন একটি গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে। বৈদেশিক খাতে স্বস্তির কিছু লক্ষণ আছে, কিন্তু অভ্যন্তরীণ অর্থনীতিতে চাপও স্পষ্ট। পুঁজিবাজারে লেনদেন বাড়ছে, সূচক কয়েক দিন ধরে উঠছে, বিনিয়োগকারীদের অংশগ্রহণ কিছুটা ফিরছে। কিন্তু একই সময়ে ব্যাংকিং খাতের দুর্বলতা, উচ্চ মূল্যস্ফীতি, দুর্বল বিনিয়োগ ও রাজস্বের সীমাবদ্ধতা আমাদের সতর্ক করছে।

এই দুই ছবিকে একসঙ্গে দেখতে হবে।

বাজারকে ভয় দেখিয়ে উন্নত করা যায় না। আবার কৃত্রিম আশাবাদ দিয়েও সুস্থ করা যায় না।

পুঁজিবাজারের প্রকৃত পুনরুদ্ধার তখনই অর্থবহ হবে, যখন তার সঙ্গে কোম্পানির আয় বাড়বে, বিনিয়োগ বাড়বে, উৎপাদন বাড়বে, ব্যাংকিং খাত শক্তিশালী হবে এবং মানুষের অর্থনৈতিক আস্থা ফিরবে।

তাই আজকের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন ডিএসইএক্স আগামীকাল ৫০ পয়েন্ট বাড়বে কি না, তা নয়।

প্রশ্ন হলো, এই উত্থানের পেছনে আগামী পাঁচ বছরের অর্থনৈতিক ভিত্তি তৈরি হচ্ছে কি না।

সূচক একটি সংখ্যা।

কিন্তু আস্থা একটি অর্থনীতি।

আর দীর্ঘমেয়াদি পুঁজিবাজার শেষ পর্যন্ত সংখ্যার ওপর নয়, আস্থার ওপর দাঁড়িয়ে থাকে।

অর্থনীতি এর আরও খবর