img

দেশে ফিরেছেন প্রধান উপদেষ্টা

প্রকাশিত :  ০৫:২৭, ০২ অক্টোবর ২০২৫

দেশে ফিরেছেন প্রধান উপদেষ্টা

জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে যোগদান শেষে ৯ দিন পর যুক্তরাষ্ট্র থেকে দেশে ফিরেছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

বৃহস্পতিবার (২ অক্টোবর) সকাল ৯টায় তাকে বহনকারী এমিরেটসের ফ্লাইট ঢাকার শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে বলে প্রধান উপদেষ্টার দপ্তর থেকে জানানো হয়।

সাধারণ পরিষদের ৮০তম অধিবেশন এবং অন্যান্য উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকে যোগ দিতে গত ২৩ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কে পৌঁছান প্রধান উপদেষ্টা।

এ বছর প্রধান উপদেষ্টার সফরসঙ্গীদের মধ্যে ছয় রাজনীতিবিদ ছিলেন। তাদের মধ্যে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির, জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির সৈয়দ আবদুল্লাহ মুহাম্মদ তাহের, জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সদস্য সচিব আখতার হোসেন ও যুগ্ম আহ্বায়ক ডা. তাসনিম জারা। এ ছাড়া জামায়াত নেতা নকিবুর রহমান তারেক যুক্তরাষ্ট্র থেকে প্রতিনিধি দলে যুক্ত হন।

গত ২৬ সেপ্টেম্বর অধ্যাপক ইউনূস জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮০তম অধিবেশনে ভাষণ দেন। জাতিসংঘ সদর দপ্তরের জেনারেল অ্যাসেম্বলি হলে সাধারণ আলোচনায় প্রধান উপদেষ্টা তার ভাষণে অন্তর্বর্তী সরকারের নেওয়া সংস্কার কার্যক্রম, ২০২৪ সালের জুলাই মাসের গণঅভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষা, ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজনের অঙ্গীকার, জুলাই হত্যাকাণ্ডের বিচার এবং রোহিঙ্গা সঙ্কটের বিষয় তুলে ধরেন।

এরপর জাতিসংঘ সদর দপ্তরে ‘মিয়ানমারের রোহিঙ্গা মুসলিম ও অন্যান্য সংখ্যালঘুদের পরিস্থিতি’ নিয়ে উচ্চপর্যায়ের সম্মেলনের উদ্বোধনী অধিবেশনে বক্তব্য দেন মুহাম্মদ ইউনূস। রোহিঙ্গা সংকটের একমাত্র শান্তিপূর্ণ সমাধান যে তাদের মিয়ানমারে প্রত্যাবাসন, সে কথা আবারও মনে করিয়ে দিয়ে সাত দফা প্রস্তাব রাখেন তিনি।

অধিবেশন চলাকালে নিউইয়র্কে অনুষ্ঠিত থেয়ারওয়ার্ল্ডের বার্ষিক উচ্চপর্যায়ের গ্লোবাল এডুকেশন ডিনারে মুহাম্মদ ইউনূসকে ‘আনলক বিগ চেইঞ্জ অ্যাওয়ার্ড’ দেওয়া হয়।


জাতীয় এর আরও খবর

img

আবারও ফ্যাসিবাদ কায়েমের ইঙ্গিত দিচ্ছে সরকার: জামায়াত আমির

প্রকাশিত :  ১২:৪৭, ১২ এপ্রিল ২০২৬

ডা. শফিকুর রহমান বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে তীব্র সমালোচনা করেছেন । তিনি অভিযোগ করেছেন, সরকার আবারও ফ্যাসিবাদ কায়েমের ইঙ্গিত দিচ্ছে, তবে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে তা প্রতিহত করা হবে।

আজ রোববার (১২ এপ্রিল) রাজধানীর ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স, বাংলাদেশে জুলাই শহীদ পরিবার ও আন্দোলনে অংশগ্রহণকারীদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন তিনি।

জামায়াতের আমির দাবি করেন, জুলাই জাদুঘর জনগণের সম্পদ হলেও সেটিকে দলীয়করণের পথে নেওয়া হচ্ছে। তিনি আরও অভিযোগ করেন, বিএনপি সংস্কার পরিষদের শপথ না নিয়ে জাতির সঙ্গে প্রতারণা করেছে এবং বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান যেমন ক্রিকেট বোর্ড, বিশ্ববিদ্যালয় ও জেলা পরিষদে প্রভাব বিস্তার করছে।

তিনি বলেন, “গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোতে অবৈধ হস্তক্ষেপের মাধ্যমে রাজনৈতিক পরিবেশ সংকুচিত করা হচ্ছে। এই পরিস্থিতি মেনে নেওয়া হবে না, জনগণকে সঙ্গে নিয়ে এর বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলা হবে।”

রাজনৈতিক অবস্থান স্পষ্ট করে শফিকুর রহমান বলেন, সংসদের ভেতরে যতদিন সংগ্রাম সম্ভব ততদিন থাকবেন, তবে মূল লড়াই হবে রাজপথে।

একই অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন নাহিদ ইসলাম। তিনি বলেন, জুলাই আন্দোলনের শহীদদের আত্মত্যাগ বৃথা যেতে দেওয়া হবে না। আসন্ন আন্দোলনে ১১ দলের শীর্ষ নেতারা সামনে থেকে নেতৃত্ব দেবেন বলেও জানান তিনি।

নাহিদ ইসলাম বলেন, “এবার আমরা আংশিক নয়, পূর্ণ সফলতার লক্ষ্য নিয়ে রাজপথে নামবো। প্রয়োজনে নেতারাই সামনে থেকে ঝুঁকি নেবেন।”