img

মোবাইল ফোনের আমদানি শুল্ক ৬০% কমল, দাম কত কমবে

প্রকাশিত :  ০৭:৩০, ১৩ জানুয়ারী ২০২৬

মোবাইল ফোনের আমদানি শুল্ক ৬০% কমল, দাম কত কমবে

মোবাইল ফোনের  মূল্য গ্রাহকের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে রাখতে আমদানি শুল্ক কমানো হলো। ফোন আমদানিতে আমদানি শুল্ক ২৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১০ শতাংশ করা হয়েছে।

আজ মঙ্গলবার এ–সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। এতে মুঠোফোন আমদানিতে প্রযোজ্য বিদ্যমান আমদানি শুল্ক ৬০ শতাংশ কমানো হলো।

আমদানি শুল্ক কমানোর ফলে মুঠোফোন সংযোজনকারী দেশীয় প্রতিষ্ঠান যাতে বিরূপ প্রতিযোগিতার মুখে না পড়ে, সে জন্য তাদের আমদানি করা উপকরণেও কর কমানো হয়েছে।

আরেকটি প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে মুঠোফোন সংযোজনকারী প্রতিষ্ঠানের উপকরণ আমদানিতে আমদানি শুল্ক ১০ শতাংশ থেকে ৫ শতাংশ করা হয়েছে। এর ফলে মুঠোফোন সংযোজনকারী প্রতিষ্ঠানের উপকরণ আমদানিতে প্রযোজ্য বিদ্যমান আমদানি শুল্ক ৫০ শতাংশ কমানো হলো।

কত টাকা খরচ কমল

এনবিআরের হিসাব অনুসারে, ৩০ হাজার টাকার অধিক মূল্যের আমদানি হওয়া প্রতিটি পূর্ণাঙ্গ মুঠোফোনের দাম আনুমানিক সাড়ে ৫ হাজার টাকা কমবে।

আর ৩০ হাজার টাকার অধিক মূল্যের দেশে সংযোজিত প্রতিটি মুঠোফোনের দাম আনুমানিক ১৫০০ টাকা কমবে।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, মুঠোফোন আমদানি ও মুঠোফোন সংযোজন শিল্পের উপকরণ আমদানিতে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ শুল্ক হ্রাসের ফলে সব ধরনের মুঠোফোনের মূল্য গ্রাহকের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে থাকবে। দেশের নাগরিকদের পক্ষে ডিজিটাল সেবা গ্রহণ সহজ হবে।

img

দেশে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বেড়ে ৩৬ বিলিয়ন ডলার

প্রকাশিত :  ০৭:৩০, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বেড়ে ৩৬ দশমিক ৩১ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে পৌঁছেছে। তবে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) হিসাব পদ্ধতি বিপিএম-৬ অনুযায়ী, বর্তমানে রিজার্ভের পরিমাণ ৩১ দশমিক ৪৫ বিলিয়ন ডলার।

রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রকাশিত সর্বশেষ তথ্য থেকে এ চিত্র পাওয়া গেছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা বলছেন, বৈশ্বিক অর্থনীতিতে অনিশ্চয়তা থাকলেও দেশের বহিঃখাতের স্থিতিশীলতার চিত্র রিজার্ভের বর্তমান অবস্থায় প্রতিফলিত হচ্ছে।

এদিকে দেশে প্রবাসী আয় বা রেমিট্যান্সের প্রবাহও বেড়েছে। চলতি সেপ্টেম্বরের প্রথম ১৯ দিনে প্রবাসীরা দেশে ১৮৭ কোটি ৭০ লাখ ডলার পাঠিয়েছেন। প্রতি ডলার ১২২ টাকা হিসাবে বাংলাদেশি মুদ্রায় এর পরিমাণ প্রায় ২২ হাজার ৮৯৪ কোটি টাকা।

গত বছরের একই সময়ে দেশে রেমিট্যান্স এসেছিল ১৮৬ কোটি ৯০ লাখ ডলার। অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে সেপ্টেম্বরের প্রথম ১৯ দিনে রেমিট্যান্স বেড়েছে ৮০ লাখ ডলার বা প্রায় শূন্য দশমিক ৪ শতাংশ।

শুধু ১৭ থেকে ১৯ সেপ্টেম্বর—এই তিন দিনে দেশে এসেছে ১৩ কোটি ডলার রেমিট্যান্স। ১২২ টাকা দরে এর পরিমাণ প্রায় ১ হাজার ৫৮৬ কোটি টাকা।

চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের ১ জুলাই থেকে ১৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দেশে মোট ৭৭০ কোটি ২০ লাখ ডলার রেমিট্যান্স এসেছে। বাংলাদেশি মুদ্রায় এর পরিমাণ প্রায় ৯৩ হাজার ৯৬৬ কোটি টাকা।

গত অর্থবছরের একই সময়ে দেশে রেমিট্যান্স এসেছিল ৬৭৬ কোটি ৯০ লাখ ডলার, যা ১২২ টাকা দরে প্রায় ৮২ হাজার ৫৮২ কোটি টাকার সমান।

বাংলাদেশ ব্যাংকের হিসাব অনুযায়ী, এক বছরের ব্যবধানে চলতি অর্থবছরের প্রথম দুই মাস ১৯ দিনে রেমিট্যান্স বেড়েছে ৯৩ কোটি ৩০ লাখ ডলার। ১২২ টাকা দরে এর পরিমাণ প্রায় ১১ হাজার ৩৮৬ কোটি টাকা।

শতাংশের হিসাবে, এ সময়ে রেমিট্যান্সপ্রবাহ বেড়েছে ১৩ দশমিক ৮ শতাংশ।


অর্থনীতি এর আরও খবর