img

নতুন সরকারের প্রথম একনেকে অনুমোদন পেল ৬ প্রকল্প

প্রকাশিত :  ১২:২০, ০৬ এপ্রিল ২০২৬

নতুন সরকারের প্রথম একনেকে অনুমোদন পেল ৬ প্রকল্প

বিএনপি নেতৃত্বাধীন নতুন সরকারের জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) প্রথম গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক সোমবার (৬ এপ্রিল) রাজধানীর সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে শুরু হয়েছে। 

আজ সোমবার (৬ মার্চ) সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী ও একনেক সভাপতি তারেক রহমানের সভাপতিত্বে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা জসিম উদ্দিন জানান, এদিনের বৈঠকে মোট ১৯টি প্রকল্প উপস্থাপনের কথা ছিল। তবে সময়ের সীমাবদ্ধতার কারণে ৮টি প্রকল্প নিয়ে আলোচনার পর সভাটি স্থগিত করা হয়। এই ৮টির মধ্যে ৬টি প্রকল্প অনুমোদিত হয়েছে এবং দুটিকে পরবর্তী পর্যালোচনার জন্য রাখা হয়েছে। আলোচ্যসূচির বাকি প্রকল্পগুলো নিয়ে আগামী সপ্তাহের বৈঠকে বিস্তারিত আলোচনা হবে।

দীর্ঘদিন ধরে শেরেবাংলা নগরের এনইসি সম্মেলন কক্ষে একনেক সভা হওয়ার রেওয়াজ থাকলেও, এবার তা ভেঙে সচিবালয়ের মন্ত্রিসভা কক্ষে বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়। ভেন্যু পরিবর্তনের সুনির্দিষ্ট কারণ জানানো না হলেও কর্মকর্তাদের ধারণা, প্রধানমন্ত্রীর বর্তমান কর্মব্যস্ততা ও সচিবালয়কেন্দ্রিক কার্যক্রম পরিচালনার সুবিধার্থেই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

উল্লেখ্য, একনেক বৈঠক উপলক্ষে পরিকল্পনা কমিশন চত্বরে ব্যাপক প্রস্তুতি ও সাজসজ্জার কাজ করা হয়েছিল। রাস্তা সংস্কার ও নতুন গাছ লাগিয়ে এলাকাটি গোছানো হলেও শেষ মুহূর্তে বৈঠকের স্থান পরিবর্তন করা হয়।

গত ২৪ ফেব্রুয়ারি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে সভাপতি করে নতুন একনেক কমিটি গঠন করা হয়। কমিটির বিকল্প সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। সরকার গঠনের পর এটিই ছিল উন্নয়ন প্রকল্প নির্ধারণ ও ব্যয় পর্যালোচনার লক্ষ্যে গঠিত এই শীর্ষ কমিটির প্রথম আনুষ্ঠানিক সভা।

img

একনেকে ৩৫ হাজার কোটি টাকার পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্প অনুমোদন

প্রকাশিত :  ১১:১৫, ১৩ মে ২০২৬
সর্বশেষ আপডেট: ২০:১২, ১৩ মে ২০২৬

জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক) প্রায় ৩৬ হাজার ৬৯৫ কোটি ৭২ লাখ টাকা ব্যয়ে ৯টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন দিয়েছে। তন্মধ্যে প্রায় ৩৫ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে ‘পদ্মা ব্যারেজ’ প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

আজ বুধবার (১৩ মে) সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত একনেক বৈঠকে প্রকল্পটির অনুমোদন দেওয়া হয়। 

সরকারি সূত্রে জানানো হয়, ১৯৬০-এর দশক থেকেই ফরিদপুর, খুলনা, বরিশাল ও রাজশাহী অঞ্চলের নদী, কৃষি ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় পদ্মা ব্যারেজ নির্মাণের দাবি ওঠে। পরে ১৯৭৫ সালে ফারাক্কা বাঁধ চালুর পর পদ্মা নদীর পানিপ্রবাহ কমে যাওয়ায় বিষয়টি আরও গুরুত্ব পায়।

ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনে পদ্মা ব্যারেজ নির্মাণের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল বিএনপি। সরকার গঠনের পর সেই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের পথে বড় অগ্রগতি হিসেবে দেখা হচ্ছে এই অনুমোদনকে।

বৈঠক শেষে ব্রিফিংয়ে শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানী জানান, সম্পূর্ণ সরকারি অর্থায়নে প্রাথমিকভাবে পাঁচ বছর মেয়াদি এ প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হবে। তিনি বলেন, প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে দেশের ২৪টি জেলার প্রায় সাত কোটি মানুষ সরাসরি উপকৃত হবে।

ভারতের সঙ্গে এ বিষয়ে কোনো আলোচনা হবে কি না- এমন প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, পদ্মা ব্যারেজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়। তবে গঙ্গা পানি বণ্টন চুক্তি নবায়নে দুই দেশের সংশ্লিষ্ট কমিশন কাজ করছে।

মন্ত্রী আরও জানান, আগামী বাজেট ঘোষণার পরই পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্পের কাজ শুরু করার পরিকল্পনা রয়েছে।