img

আরো ৫০ কোম্পানি জানাল ডিভিডেন্ড ঘোষণা ও ইপিএস প্রকাশের তারিখ

প্রকাশিত :  ১৫:৫৪, ২৬ এপ্রিল ২০২৬

আরো ৫০ কোম্পানি জানাল ডিভিডেন্ড ঘোষণা ও ইপিএস প্রকাশের তারিখ

দেশের পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত বিভিন্ন খাতের মোট ৫০টি কোম্পানি তাদের সমাপ্ত অর্থবছরের আর্থিক প্রতিবেদন অনুমোদনের জন্য বোর্ড সভা আহ্বান করেছে।

কোম্পানিগুলো হলো- ডমিনেজ স্টিল, জুট স্পিনার্স, নাহি অ্যালুমিনিয়াম, বিবিএস, বিবিএস ক্যাবলস, ইনফরমেশন সার্ভিসেস, এমবি ফার্মা, কোহিনুর কেমিক্যাল, সিনোবাংলা, সামিট পাওয়ার, যমুনা ব্যাংক, ফার্মা এইডস, ভিএফএস থ্রেড, স্কয়ার ফার্মা, আইএফআইসি ব্যাংক, ক্রাউন সিমেন্ট, গ্লোবাল হেভি কেমিক্যাল, ইউনাইটেড পাওয়ার জেনারেশন, ইস্টার্ন হাউজিং, স্ট্যান্ডার্ড ইন্স্যুরেন্স, স্কয়ার টেক্সটাইল, কেডিএস এক্সেসরিজ, দুলামিয়া কটন, এএমজেএল বিডি, শাহজালাল ইসলামী ব্যাংক, মেঘনা পেট্রোলিয়াম, ড্রাগন সোয়েটার, গোল্ডেন হার্ভেস্ট এগ্রো, বেঙ্গল উইন্ডসোর, খুলনা পাওয়ার কোম্পানি, ডেসকো, পেনিনসুলা, জেনেক্স ইনফোসিস, ইসলামী কমার্শিয়াল ইন্স্যুরেন্স, টেকনো ড্রাগস, ওয়াইম্যাক্স ইলেক্ট্রোড, একমি পেস্টিসাইডস, মেঘনা সিমেন্ট, ফেডারেল ইন্স্যুরেন্স, ট্রাস্ট ব্যাংক, ফেডারেল ইন্স্যুরেন্স, ফাইন ফুডস, বসুন্ধরা পেপার মিলস, বিডি থাই ফুড, লিগ্যাসি ফুটওয়্যার, জিবিবি পাওয়ার, জিকিউ বলপেন, প্যারামাউন্ট টেক্সটাইল, এপেক্স ট্যানারি এবং কপারটেক।

কোম্পানিগুলোর মধ্যে- স্ট্যান্ডার্ড ইন্স্যুরেন্স, ট্রাস্ট ব্যাংক ও ফেডারেল ইন্স্যুরেন্স৩১ ডিসেম্বর, ২০২৫ পর্যন্ত সমাপ্ত অর্থবছরের নিরিক্ষীত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে ডিভিডেন্ড ঘোষণা করবে।

এদিকে, অনুষ্ঠিত বোর্ড সভায় ৩১ মার্চ, ২০২৬ পর্যন্ত ফেডারেল ইন্স্যুরেন্স, ইসলামী কমার্শিয়াল ইন্স্যুরেন্স, শাহজালাল ইসলামী ব্যাংক, স্ট্যান্ডার্ড ইন্স্যুরেন্স ও যমুনা ব্যাংক প্রথম প্রান্তিক এবং ডমিনেজ স্টিল, জুট স্পিনার্স, নাহি অ্যালুমিনিয়াম, বিবিএস, বিবিএস ক্যাবলস, ইনফরমেশন সার্ভিসেস, এমবি ফার্মা, কোহিনুর কেমিক্যাল, সিনোবাংলা, সামিট পাওয়ার, ফার্মা এইডস, ভিএফএস থ্রেড, স্কয়ার ফার্মা, ক্রাউন সিমেন্ট, গ্লোবাল হেভি কেমিক্যাল, ইউনাইটেড পাওয়ার জেনারেশন, ইস্টার্ন হাউজিং, স্কয়ার টেক্সটাইল, কেডিএস এক্সেসরিজ, দুলামিয়া কটন, এএমজেএল বিডি, মেঘনা পেট্রোলিয়াম, ড্রাগন সোয়েটার, গোল্ডেন হার্ভেস্ট এগ্রো, বেঙ্গল উইন্ডসোর, খুলনা পাওয়ার কোম্পানি, ডেসকো, পেনিনসুলা, জেনেক্স ইনফোসিস, টেকনো ড্রাগস, ওয়াইম্যাক্স ইলেক্ট্রোড, একমি পেস্টিসাইডস, মেঘনা সিমেন্ট, ফাইন ফুডস, বসুন্ধরা পেপার মিলস, বিডি থাই ফুড, লিগ্যাসি ফুটওয়্যার, জিবিবি পাওয়ার, জিকিউ বলপেন, প্যারামাউন্ট টেক্সটাইল, এপেক্স ট্যানারি এবং কপারটেক তৃতীয় প্রান্তিকের অনিরিক্ষীত আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করবে।

রোববার (২৬ এপ্রিল) ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) মাধ্যমে এই তথ্য প্রকাশ করা হয়।শেয়ার ট্রেডিং প্ল্যাটফর্ম

কোম্পানিগুলোর সভার তারিখ ও সময় নিম্নরূপ—

২৮ এপ্রিল (মঙ্গলবার)

ডমিনেজ স্টিল— দুপুর ২:০০ টায়

জুট স্পিনার্স— বিকাল ৩:০০ টায়

নাহি অ্যালুমিনিয়াম— বিকাল ৩:০০ টায়

বিবিএস— বিকাল ৩:৩০ টায়

বিবিএস ক্যাবলস— বিকাল ৪:০০ টায়

ইনফরমেশন সার্ভিসেস— বিকাল ৪:০০ টায়

২৯ এপ্রিল (বুধবার)

এমবি ফার্মা— দুপুর ২:৩০ টায়

কোহিনুর কেমিক্যাল— দুপুর ২:৩০ টায়

সিনোবাংলা— দুপুর ২:৩০ টায়

সামিট পাওয়ার— দুপুর ২:৪৫ টায়

যমুনা ব্যাংক— বিকাল ৩:০০ টায়

ফার্মা এইডস— বিকাল ৩:০০ টায়

ভিএফএস থ্রেড— বিকাল ৩:০০ টায়

স্কয়ার ফার্মা— বিকাল ৩:০০ টায়

আইএফআইসি ব্যাংক— বিকাল ৩:০০ টায়

ক্রাউন সিমেন্ট— বিকাল ৩:০০ টায়

গ্লোবাল হেভি কেমিক্যাল— বিকাল ৩:০০ টায়

ইউনাইটেড পাওয়ার জেনারেশন— বিকাল ৩:০০ টায়

ইস্টার্ন হাউজিং— বিকাল ৩:৩০ টায়

স্ট্যান্ডার্ড ইন্স্যুরেন্স— বিকাল ৩:৩০ টায়

স্কয়ার টেক্সটাইল— বিকাল ৩:৩০ টায়

কেডিএস এক্সেসরিজ— বিকাল ৩:৩০ টায়

দুলামিয়া কটন— বিকাল ৩:৩০ টায়

এএমজেএল বিডি— বিকাল ৪:০০ টায়

শাহজালাল ইসলামী ব্যাংক— বিকাল ৪:০০ টায়

মেঘনা পেট্রোলিয়াম— বিকাল ৪:০০ টায়

ড্রাগন সোয়েটার— বিকাল ৪:০০ টায়

গোল্ডেন হার্ভেস্ট এগ্রো— বিকাল ৪:০০ টায়

বেঙ্গল উইন্ডসোর— বিকাল ৪:০০ টায়

খুলনা পাওয়ার কোম্পানি— বিকাল ৪:৩০ টায়

ডেসকো— বিকাল ৪:৩০ টায়

পেনিনসুলা— বিকাল ৪:৩০ টায়

জেনেক্স ইনফোসিস— বিকাল ৫:০০ টায়

ইসলামী কমার্শিয়াল ইন্স্যুরেন্স— বিকাল ৫:০০ টায়

টেকনো ড্রাগস— বিকাল ৫:৩০ টায়

ওয়াইম্যাক্স ইলেক্ট্রোড— সন্ধ্যা ৬:০০ টায়

৩০ এপ্রিল (বৃহস্পতিবার)

একমি পেস্টিসাইডস— দুপুর ২:৩০ টায়

মেঘনা সিমেন্ট— দুপুর ২:৩০ টায়

রিলায়েন্স ইন্স্যুরেন্স— দুপুর ২:৩০ টায়

ট্রাস্ট ব্যাংক— দুপুর ২:৩০ টায়

ফেডারেল ইন্স্যুরেন্স— দুপুর ২:৩৫ টায়

ফাইন ফুডস— বিকাল ৩:০০ টায়

বসুন্ধরা পেপার মিলস— বিকাল ৩:০০ টায়

বিডি থাই ফুড— বিকাল ৩:০০ টায়

লিগ্যাসি ফুটওয়্যার— বিকাল ৩:৩০ টায়

জিবিবি পাওয়ার— বিকাল ৩:০০ টায়

জিকিউ বলপেন— বিকাল ৪:০০ টায়

প্যারামাউন্ট টেক্সটাইল— বিকাল ৪:০০ টায়

এপেক্স ট্যানারি— বিকাল ৪:০০ টায়

কপারটেক— বিকাল ৫:৪৫ টায়

অর্থনীতি এর আরও খবর

img

সর্বজনীন পেনশন চাঙ্গা করতে নেওয়া হচ্ছে এডিবির ঋণ

প্রকাশিত :  ১৮:৩৬, ১২ মে ২০২৬
সর্বশেষ আপডেট: ১৯:০১, ১২ মে ২০২৬

সরকার স্থবির হয়ে পড়া সর্বজনীন পেনশন কার্যক্রমকে গতিশীল করতে এবং জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষের প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বাড়াতে নতুন প্রকল্প হাতে নিচ্ছে । এ প্রকল্প বাস্তবায়নে ১০ কোটি মার্কিন ডলার বা প্রায় ১ হাজার ২২৭ কোটি টাকা সহজশর্তে ঋণ দিতে সম্মত হয়েছে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি)। এ ঋণের পাশাপাশি সরকারের নিজস্ব তহবিল থেকেও এ প্রকল্পে অর্থায়ন করা হবে।

আজ মঙ্গলবার অর্থ মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত ‘সর্বজনীন পেনশন স্কিমের অগ্রগতি, চ্যালেঞ্জ ও ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা’ শীর্ষক উচ্চপর্যায়ের সভায় এ তথ্য জানানো হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

সভায় জানানো হয়, এডিবির অর্থায়নে ‘সর্বজনীন পেনশন ব্যবস্থা শক্তিশালীকরণ’ প্রকল্প বাস্তবায়নের লক্ষ্যে বর্তমানে সম্ভাব্যতা যাচাই কার্যক্রম চলছে। সরকারের আশা, এ অর্থায়ন পাওয়া গেলে দেশের বৃহৎ অনানুষ্ঠানিক শ্রমশক্তিকে পেনশন ব্যবস্থার আওতায় আনার ক্ষেত্রে বড় ধরনের অগ্রগতি হবে। এ অর্থ ব্যবহার করে সর্বজনীন পেনশন স্কিমের অবকাঠামো, প্রযুক্তিগত সক্ষমতা ও সেবার পরিধি বাড়ানো হবে।

দেশের বয়স্ক জনগোষ্ঠীকে একটি টেকসই ও সুসংগঠিত সামাজিক নিরাপত্তা কাঠামোর আওতায় আনতে ২০২৩ সালের আগস্টে সর্বজনীন পেনশন কর্মসূচি চালু করেছিল আওয়ামী লীগ সরকার। তবে জাতীয় নির্বাচনের আগে পর্যাপ্ত প্রস্তুতি ছাড়াই তড়িঘড়ি করে কর্মসূচি চালু করায় শুরু থেকেই এর কার্যকারিতা ও ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন অর্থনীতিবিদরা।

প্রথম দিকে জনগণের মধ্যে কিছু আগ্রহ দেখা গেলেও পরে সেই গতি ধরে রাখা যায়নি। রাষ্ট্রায়ত্ত, স্বায়ত্তশাসিত ও স্বশাসিত প্রতিষ্ঠানের কর্মীদের সর্বজনীন পেনশন কর্মসূচির আওতায় আনার উদ্যোগ নেওয়া হলেও আন্দোলনের মুখে সরকার সে সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসে। ফলে সামগ্রিকভাবে এ কার্যক্রমে এক ধরনের স্থবিরতা তৈরি হয়।

আজকের সভায় জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষের নির্বাহী চেয়ারম্যান ড. মো. সুরাতুজ্জামান সর্বজনীন পেনশন স্কিমের সর্বশেষ অগ্রগতি তুলে ধরেন। তিনি জানান, গত ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত প্রবাস, প্রগতি, সুরক্ষা ও সমতা—এই চারটি স্কিমে মোট ৩ লাখ ৭৭ হাজার ৫৪৫ জন নিবন্ধিত হয়েছেন। এসব স্কিমে মোট জমা হয়েছে প্রায় ২৫৫ কোটি ৭০ লাখ টাকা। মুনাফাসহ বিনিয়োগের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২৭৯ কোটি ৭৪ লাখ টাকা।

সভায় আরও জানানো হয়, দেশের মোট শ্রমশক্তির প্রায় ৮৫ শতাংশ এখনও অনানুষ্ঠানিক খাতে কর্মরত। অন্যদিকে ভবিষ্যতে দেশে বয়স্ক জনগোষ্ঠীর হার দ্রুত বাড়বে। এ বাস্তবতায় সামাজিক নিরাপত্তা কাঠামোকে শক্তিশালী করতে সর্বজনীন পেনশন ব্যবস্থাকে দীর্ঘমেয়াদি ও টেকসই ভিত্তির ওপর দাঁড় করানোর প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

এ সময় আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী ২০৩০ সালের মধ্যে দেশের প্রায় ৪ কোটি পরিবারের প্রতিটি থেকে অন্তত একজন সদস্যকে সর্বজনীন পেনশন স্কিমের আওতায় আনার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণের নির্দেশ দেন। পাশাপাশি শরিয়াহভিত্তিক পেনশন স্কিম চালু, নমিনিদের জন্য আজীবন পেনশন সুবিধা বিবেচনা এবং প্রগতি স্কিমে আউটসোর্সিং কর্মীদের অন্তর্ভুক্তির বিষয়েও তিনি ইতিবাচক মনোভাব প্রকাশ করেন।

অর্থমন্ত্রী আরও বলেন, সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী বেসরকারি খাতের কর্মীদের বার্ধক্যকালীন আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ‘পেনশন ফান্ড’ গঠন অন্যতম অঙ্গীকার। এজন্য জনগণের আস্থা বাড়ানো, প্রচার কার্যক্রম জোরদার, সাইবার নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং দক্ষ জনবল নিয়োগের ওপর গুরুত্ব দিতে হবে।

সভায় অর্থ সচিব ড. মো. খায়েরুজ্জামান মজুমদারসহ অর্থ বিভাগ ও জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

অর্থনীতি এর আরও খবর