img

বিদেশে বসে ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ পাবেন প্রবাসী কর্মীরা

প্রকাশিত :  ১৮:৩৭, ০২ অক্টোবর ২০২৪

বিদেশে বসে ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ পাবেন প্রবাসী কর্মীরা

প্রবাসী কর্মীরা বিদেশে বসে যাতে স্বজনদের বিপদে-আপদে পাশে দাঁড়াতে পারেন সে লক্ষ্যে বাংলাদেশের বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো প্রবাসীদের ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ দেবে। দেশে তাদের মনোনীত ব্যক্তি বা স্বজনরা এই ঋণের টাকা গ্রহণ করতে পারবেন।

চিকিৎসা ব্যয়, গৃহ নির্মাণ ব্যয় বা অন্য যেকোনো প্রয়োজনেই এই ঋণের টাকা খরচ করা যাবে।  বিদেশে বসেই রেমিটেন্স পাঠিয়ে সেই ঋণের কিস্তি পরিশোধ করতে পারবেন প্রবাসীরা।

ব্যাংকিং চ্যানেলে রেমিটেন্স বাড়াতে প্রবাসী কর্মীদের এই ঋণ দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। বুধবার বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রা নীতি বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত সার্কুলার জারি করা হয়েছে।

সার্কুলারে বলা হয়েছে, নিয়মিত ব্যাংকিং চ্যানেলে দেশে রেমিটেন্স পাঠাচ্ছেন- এমন অনিবাসী বাংলাদেশিরা এই ঋণ সুবিধা পাবেন। রেমিট্যান্স পাঠানোর প্রবণতার ওপর ভিত্তি করে ওই প্রবাসীর ঋণ মঞ্জুর করবে বাংলাদেশের সংশ্লিষ্ট ব্যাংক। চাহিদা অনুযায়ী সর্বোচ্চ ১০ লাখ টাকা ঋণ দিতে পারবে ব্যাংকগুলো।

ব্যাংকের প্রচলিত হারে ওই ঋণের সুদ দিতে হবে। এই ঋণ ছাড়ের ক্ষেত্রে ব্যাংকগুলোকে সব ধরনের নিয়মাচার মেনে চলার নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

গতকাল মঙ্গলবার বাংলাদেশ ব্যাংক প্রকাশিত তথ্যে দেখা যায়, চলতি ২০২৪-২৫ অর্থবছরের তৃতীয় মাস সেপ্টেম্বরে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে অবস্থানকারী প্রবাসীরা ব্যাংকিং চ্যানেলে ২৪০ কোটি ৪৮ লাখ (২ দশমিক ৪০ বিলিয়ন) ডলার দেশে পাঠিয়েছেন।


অর্থনীতি এর আরও খবর

img

ইসলামী ব্যাংককে আরো ২৫০০ কোটি টাকা বিশেষ ধার দিল কেন্দ্রীয় ব্যাংক

প্রকাশিত :  ১০:০২, ১৫ জুন ২০২৬

বাংলাদেশ ব্যাংক তারল্যসংকট কমাতে বেসরকারি খাতের ইসলামী ব্যাংককে আরো ২৫০০ কোটি টাকা বিশেষ ধার দিয়েছে। আজ সোমবার (১৫ জুন) ইসলামী ব্যাংক সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

এর আগে রবিবার ইসলামী ব্যাংককে আড়াই হাজার কোটি টাকা তারল্য সহায়তা দেওয়ার কথা জানায় বাংলাদেশ ব্যাংক। ১০ হাজার কোটি টাকা চাওয়ার বিপরীতে প্রাথমিকভাবে এই অঙ্কের অর্থ দেওয়া হয়েছে ব্যাংকটিকে। চলতি মাসে প্রথম ১০ দিনে আমানতকারীদের নগদ টাকা উত্তোলনের চাপ সামাল দিতেই মূলত এই বিশেষ ধার দেওয়া হয়েছে।

এর আগে গত শুক্রবার ইসলামী ব্যাংকের পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে জানিয়ে গভর্নর প্রয়োজনে নগদ সহায়তার বিষয়ে নিশ্চিত করেন।

একই সঙ্গে প্রয়োজনে পরবর্তী সময়ে আরো সহায়তার বিষয়টি বিবেচনা করা হতে পারে বলে জানায় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের দায়িত্বশীল সূত্র।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য মতে, ইসলামী ব্যাংক থেকে ১ থেকে ৯ জুন পর্যন্ত ৯ দিনে প্রায় ৬ হাজার কোটি টাকা আমানত তুলে নিয়েছেন গ্রাহকরা। এ ছাড়া ব্যাংকের আমানতকারীদের অর্থ বিভিন্ন খাতে বিনিয়োগ রয়েছে।

ব্যাংকটির অভ্যন্তরীণ হিসাব অনুযায়ী, ১ জুন থেকে ৭ জুন পর্যন্ত আমানত কমেছে ৪ হাজার ২০৪ কোটি টাকা।

পরবর্তী দুই দিনে আরো প্রায় ২ হাজার কোটি টাকা তুলে নেওয়া হয়। এতে কয়েকটি শাখা ও এটিএম বুথে নগদ অর্থের চাপ তৈরি হয়।

এরপর বিকেলে ইসলামী ব্যাংকের শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে বসেন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর মোস্তাকুর রহমান। এ ছাড়া ইসলামী ব্যাংকের পক্ষে প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক (চলতি দায়িত্ব), দুইজন অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং ছয়জন উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক উপস্থিত ছিলেন।

পরে রাতে ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যানসহ পরিচালনা পর্ষদের সব নিয়োগ বাতিল করে বোর্ডের সার্বিক দায়িত্ব পালনের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক জহির হোসেনকে নিযুক্ত করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।