img

দুই দফা বাড়ার পর স্বর্ণের দামে বড় পতন, ভরি কত?

প্রকাশিত :  ০৭:১৩, ২৪ জুলাই ২০২৬

দুই দফা বাড়ার পর স্বর্ণের দামে বড় পতন, ভরি কত?

বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) টানা দুই দফা মূল্যবৃদ্ধির পর দেশের বাজারে স্বর্ণের দামে বড় ধরনের সমন্বয় এনেছে । এবার প্রতি ভরিতে তিন হাজার ৩২৪ টাকা কমিয়ে ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে দুই লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা। একই সঙ্গে কমানো হয়েছে রুপার দামও।

 শুক্রবার (২৪ জুলাই) সকালে বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে তথ্যটি জানিয়েছে বাজুস। নতুন এই মূল্য তালিকা শুক্রবার সকাল ১০টা থেকেই কার্যকর হয়েছে।

বাজুস জানিয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) দাম কমে যাওয়ায় সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।

নতুন মূল্য অনুযায়ী, ভ্যাটসহ প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে দুই লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ১০ হাজার ৯৪৩ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৮১ হাজার ২০০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৪৮ হাজার ১৬ টাকা।

বাজুস আরও জানিয়েছে, পরবর্তী সিদ্ধান্ত না দেওয়া পর্যন্ত দেশের সব জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানে এই মূল্য কার্যকর থাকবে। তবে অলংকারের নকশা ও ডিজাইন অনুযায়ী মজুরি প্রযোজ্য হবে।

সংগঠনটি বলেছে, স্বর্ণালংকার ও রৌপ্য অলংকারের বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে ভ্যাট অন্তর্ভুক্ত থাকায় গ্রাহকদের কাছ থেকে আলাদাভাবে ভ্যাট আদায় করা যাবে না। এ ছাড়া সুনির্দিষ্ট ভ্যাট, মজুরি ও পাথরের মূল্য বাদ দিয়ে অলংকার এক্সচেঞ্জ ও পারচেজের ক্ষেত্রে বাজুসের আগের নিয়মই বহাল থাকবে।

এর আগে গত ২২ জুলাই স্বর্ণের দাম বাড়িয়েছিল বাজুস। সেদিন প্রতি ভরিতে ২ হাজার ৭৪১ টাকা বৃদ্ধি করে ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ২৪ হাজার ১৮২ টাকা।

স্বর্ণের পাশাপাশি দেশের বাজারে রুপার দামও কমানো হয়েছে। প্রতি ভরিতে ১৭৫ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৪ হাজার ৬০৭ টাকা। এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপার দাম ৪ হাজার ৩৭৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৩ হাজার ৭৯১ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ হাজার ৮৫৮ টাকা।


img

বাংলাদেশের জন্য সর্বনিম্ন ১০ শতাংশ শুল্ক নির্ধারণ যুক্তরাষ্ট্রের

প্রকাশিত :  ০৭:৩২, ২৪ জুলাই ২০২৬
সর্বশেষ আপডেট: ১১:৫২, ২৪ জুলাই ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রের নতুন শুল্কনীতির আওতায় বাংলাদেশের জন্য সর্বনিম্ন ১০ শতাংশ শুল্ক নির্ধারণ করা হয়েছে। শুক্রবার (২৪ জুলাই) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

নতুন এ সিদ্ধান্তের ফলে বৈশ্বিক প্রতিযোগীদের তুলনায় মার্কিন বাজারে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক ও অন্যান্য রপ্তানিপণ্যের প্রতিযোগিতামূলক অবস্থান আরো শক্তিশালী থাকবে বলে জানিয়েছে সরকার।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ২৩ জুলাই যুক্তরাষ্ট্র সরকার ট্রেড অ্যাক্ট, ১৯৭৪-এর সেকশন ৩০১-এর আওতায় ৬০টি অর্থনীতি, যা বিশ্বের ৮৬টি দেশের প্রতিনিধিত্ব করে, তাদের ওপর নতুন শুল্ক আরোপের ঘোষণা দেয়। যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য প্রতিনিধি দপ্তর (ইউএসটিআর) জোরপূর্বক শ্রম ব্যবহারের অভিযোগ নিয়ে তদন্ত শেষে এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, বাংলাদেশের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী তৈরি পোশাক রপ্তানিকারক দেশ চীন, ভিয়েতনাম ও থাইল্যান্ডকে সর্বোচ্চ ১২ দশমিক ৫ শতাংশ শুল্ক দিতে হবে।

ফলে এসব দেশের তুলনায় মার্কিন বাজারে বাংলাদেশের তুলনামূলক প্রতিযোগিতামূলক সুবিধা আরো জোরাল হবে।

নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ওয়াশিংটন ডিসির সময় ২৪ জুলাই রাত ১২টা ১ মিনিট থেকে কার্যকর হওয়া এ শুল্কহার সর্বনিম্ন ১০ শতাংশ থেকে সর্বোচ্চ ১২ দশমিক ৫ শতাংশ পর্যন্ত নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মাধ্যমে আগে সেকশন ১২২-এর আওতায় কার্যকর থাকা অস্থায়ী ১০ শতাংশ বৈশ্বিক শুল্কের পরিবর্তে নতুন ব্যবস্থা কার্যকর হলো।


অর্থনীতি এর আরও খবর