img

হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ১১ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ১৩১৫

প্রকাশিত :  ১২:১৪, ২২ মে ২০২৬

হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ১১ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ১৩১৫

হাম ও উপসর্গ নিয়ে সারাদেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ১১ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে ৯ শিশুর মৃত্যু হয়েছে হামের উপসর্গ নিয়ে। আর দুই শিশুর হামে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একইসঙ্গে এ সময় নতুন করে আক্রান্ত হয়েছে ১ হাজার ৩১৫ জন।

আজ শুক্রবার (২২ মে) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সর্বশেষ প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে। 

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, হামে এবং হামের উপসর্গ নিয়ে গত দুই মাসে সারাদেশে ৪৯৯ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে নিশ্চিতভাবে হামে মৃত্যু হয়েছে ৮৫ শিশুর। আর হামের উপসর্গ নিয়ে মারা গেছে ৪১৪ জন।

একই সময়ে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়েছে (পরীক্ষায় প্রমাণিত) ৮ হাজার ৩২৯ জন। আর হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে এসেছে ৬০ হাজার ৫৪০ জন। আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা ঢাকা বিভাগে সবচেয়ে বেশি। এ বিভাগের হাম ও উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হয়েছে ২১০ জন ও আক্রান্ত ৩৫ হাজার ২১ জন।


জাতীয় এর আরও খবর

img

ঝিনাইদহে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর হামলা, অভিযোগ ছাত্রদল-যুবদলের বিরুদ্ধে

প্রকাশিত :  ১০:৫৯, ২২ মে ২০২৬

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সংগঠক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর ঝিনাইদহে হামলার ঘটনা ঘটেছে। আজ শুক্রবার (২২ মে) জুমার পর ঝিনাইদহ শহরের পুরাতন ডিসি কোর্ট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনার পর নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী নেতাকর্মীদের নিয়ে থানায় অবস্থান করছেন।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বিভিন্ন দলের নেতাকর্মীদের এনসিপিতে যোগদান উপলক্ষে ঝিনাইদহ যান নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী। জুমার নামাজের আগে ঝিনাইদহ শহরে পৌঁছান তিনি। জেলা কালেক্টরেট মসজিদে জুমার নামাজ আদায় করেন। নামাজ শেষে মসজিদ থেকে বের হচ্ছিলেন তিনি। এ সময় ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের আহ্বায়ক সাহেদ আহম্মেদ তার সঙ্গে কথা বলতে যান। কথা বলার একপর্যায়ে পেছন থেকে কিছু যুবক ডিম নিক্ষেপ করে ও হামলা চালায়। এতে এনসিপির কয়েকজন স্থানীয় নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। এ ঘটনার পর এনসিপির নেতারা বিক্ষোভ মিছিল করে।

হামলার ঘটনার বিষয়ে বেলা ৩টা ১০ মিনিটে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ফেসবুক আইডি থেকে একটি পোস্ট দেওয়া হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, ‘ঝিনাইদহে পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচি অনুযায়ী জেলা প্রশাসকের বাসভবনের ঠিক বিপরীতে পৌর কালেক্টর জামে মসজিদে জুমআর নামাজ আদায় শেষে বের হওয়ার পরপরই ছাত্রদল ও যুবদলের নেতা-কর্মীরা পুলিশের উপস্থিতিতে হামলা শুরু করে। প্রথমে ডিম, ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করা হয়, এরপর হকিস্টিক দিয়ে অতর্কিতভাবে আঘাত করা হয়। তিনজনের মাথা ফাটিয়ে দেওয়া হয় এবং বেশ কয়েকজন আহত হন। আমাকে এবং এনসিপির যুগ্ম সদস্য তারেক রেজাকে লক্ষ্য করেও কিল-ঘুষি মারা হয়।’

হামলাকারীরা মুঠোফোন, ক্যামেরা ও মানিব্যাগ ছিনিয়ে নিয়ে গেছে অভিযোগ করে ফেসবুক পোস্টে নাসীরুদ্দীন বলেন, ‘ঘটনার পর আমরা বর্তমানে থানায় অবস্থান করছি এবং মামলা দায়েরের প্রস্তুতি নিচ্ছি। ছাত্রদল, যুবদল, বিএনপি আবার থানার সামনে হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে।’


জাতীয় এর আরও খবর