img

বর্ষীয়ান নেতা তোফায়েল আহমেদ আর নেই

প্রকাশিত :  ১৩:০৬, ০১ জুন ২০২৬
সর্বশেষ আপডেট: ১৬:১৪, ০১ জুন ২০২৬

বর্ষীয়ান নেতা তোফায়েল আহমেদ আর নেই

সাবেক মন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের প্রবীণ নেতা তোফায়েল আহমেদ আর নেই (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। সোমবার (১ জুন) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুবরণ করেন। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ও পরিবারের সদস্যরা গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮২ বছর।

প্রবীন এ রাজনীতিবিদ দীর্ঘদিন ধরে প্যারালাইজডসহ অন্যান্য শারীরিক সমস্যায় ভুগছিলেন। গুরুতর অবস্থায় গত ২৮ সেপ্টেম্বর তাকে স্কয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানেই তিনি লাইফ সাপোর্টে ছিলেন। সে দিনই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার মৃত্যুর গুজব ছড়িয়ে পড়ে। অবশ্য পরবর্তীতে চিকিৎসকরা বিষয়টি নাকচ করে এ বিষয়ে ব্যাখ্যা দেন।

তোফায়েল আহমেদের জামাতা ডা. তৌহিদুজ্জামান তুহিন গণমাধ্যমকে বলেন, তোফায়েল আহমেদ চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজ হাসপাতালে ইন্তেকাল করেছেন।

পরিবারের সদস্য ও ঘনিষ্ঠজনেরা জানান, দীর্ঘদিন ধরে বার্ধক্যজনিত নানা জটিলতায় ভুগছিলেন তোফায়েল আহমেদ। মৃত্যুকালে তিনি এক মেয়েসহ অসংখ্য শুভানুধ্যায়ী রেখে গেছেন। 

তোফায়েল আহমেদ ১৯৪৩ সালের ২২ অক্টোবর ভোলা সদর উপজেলার দক্ষিণ দিঘলদী ইউনিয়নের কোড়ালিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৬৭ থেকে ১৯৬৯ সাল পর্যন্ত তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ভিপি ছিলেন। ৬৯-এর গণ-অভ্যুত্থানে নেতৃত্বস্থানীয় ভূমিকা রেখে দেশজুড়ে পরিচিতি পান তিনি।

১৯৭০ সালের নির্বাচনে মাত্র ২৭ বছর বয়সে তোফায়েল আহমেদ পাকিস্তান জাতীয় পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হন। তিনি নয়বার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। একাধিকবার মন্ত্রী হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি আওয়ামী লীগের (বর্তমানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ) উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য ছিলেন। 


 


জাতীয় এর আরও খবর

img

পদত্যাগ করলেন পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান

প্রকাশিত :  ০৮:১২, ০১ জুন ২০২৬

পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান শারীরিক অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে পদত্যাগ করেছেন। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, আজ সোমবার তিনি প্রধানমন্ত্রীর কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন।

পদত্যাগপত্রে দীপেন দেওয়ান উল্লেখ করেন, দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই তিনি শারীরিক নানা জটিলতায় ভুগছেন। এই অসুস্থতার কারণে মন্ত্রণালয়ের নিয়মিত কাজকর্ম যথাযথভাবে পালন করতে গিয়ে নানাবিধ সমস্যা তৈরি হচ্ছে বলে তিনি জানান।

তিনি আরও বলেন, বর্তমান সরকারের উন্নয়ন ও প্রশাসনিক কাজের গতিশীলতা বজায় রাখার স্বার্থে তার পক্ষে এই পদে অব্যাহতভাবে দায়িত্ব পালন করা সম্ভব হচ্ছে না। সে কারণেই পদত্যাগ করাকে তিনি সমীচীন মনে করেছেন।

পদত্যাগপত্রে স্বাক্ষর করে দীপেন দেওয়ান প্রধানমন্ত্রীর কাছে তার পদত্যাগপত্র গ্রহণের জন্য বিনীত অনুরোধ জানিয়েছেন। তবে এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত দীপেন দেওয়ান আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানাননি। 

উল্লেখ্য, দীপেন দেওয়ান রাঙামাটি পার্বত্য জেলার নির্বাচিত সংসদ সদস্য এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন।

জাতীয় এর আরও খবর