ঢাকা-টাঙ্গাইল-যমুনা সেতু মহাসড়কে ৪৫ কিলোমিটার যানজট
ঢাকা-টাঙ্গাইল-যমুনা সেতু মহাসড়কের প্রায় ৪৫ কিলোমিটার এলাকায় তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। অতিরিক্ত যানবাহনের চাপ এবং রাত তিনটার পর থেকে অতিবিৃষ্টির কারণে প্রায় ৪৫ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে যানজটের সৃষ্টি হয়েছে।
আজ বুধবার গভীর রাতে এবং ভোরে সেতুর কয়েকটি গাড়ি দুর্ঘটনার কারণে এ যানজটের সৃষ্টি হয়। দুর্ঘটনাকবলিত ওইসব গাড়ি রেকার দিয়ে সরাতে সময় লাগায় টোলপ্লাজও কিছু সময়ের জন্য বন্ধ রাখ হয়। অতিরিক্ত গাড়ির চাপের কারণে সকাল ৮টা থেকে ধীরগতিতে যানবাহন চলাচল করেছে। যমুনা সেতুর পূর্বপ্রান্ত থেকে এলেঙ্গা, রাবনাবাইপাস, নগড়জলফৈই, করটিয়া পর্যন্ত যানজট বিস্তৃত হয়েছে।
পুলিশ ও যমুনা সেতু কর্তৃপক্ষ জানায়, ঝড়বৃষ্টির কারণে গভীর রাত থেকেই গাড়ির দীর্ঘ সারি ছিল। সেই দীর্ঘ সারির মধ্যেই যমুনা সেতুর ওপর একাধিক গাড়ি বিকল ও সড়ক দুর্ঘটনা ঘটে। ফলে মহাসড়কে ধীরগতিতে চলে গাড়ি। গাজীপুরের চন্দ্রায় যানবাহনের চাপ বাড়তে থাকে। রাতভর এর প্রভাব পড়তে পারে যমুনা সেতু এলাকায়।
যমুনা সেতু সাইট অফিসের নির্বাহী প্রকৌশলী সৈয়দ রিয়াজ উদ্দিন বলেন, যানবাহনের ব্যাপক চাপ রয়েছে। সেতুর দুই প্রান্তে ১৮টি বুথ দিয়ে যানবাহন পারাপার হচ্ছে। এর মধ্যে মোটরসাইকেলের জন্য দুটি বুথ করা হয়েছে।
টাঙ্গাইলের ট্রাফিক পরির্দশক আনিসুর রহমান বলেন, অতিরিক্ত গাড়ির চাপ, সেতুতে দুর্ঘটনা, এছাড়াও বৃষ্টির কারণে যানবাহনের চলাচল ধীরগতি হয়েছিল। সকাল ৮টার পর থেকে ধীরগতিতে যানবাহন চলছে। যানজট নিরসনে জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে মহাসড়ককে চারটি সেক্টরে ভাগ করে পুলিশ দায়িত্ব পালন করছে। ঈদে ঘরমুখী মানুষ যাতে নির্বিঘ্নে যাতায়াত করতে পারে তার জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা করা হচ্ছে।



















