প্রকাশিত :
০৭:৩৭, ২৬ মে ২০২৬ সর্বশেষ আপডেট: ০৭:৫৩, ২৬ মে ২০২৬
রাজধানী ঢাকায় মৃদু ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। আজ মঙ্গলবার (২৬ মে) সকাল ১১টা ৪২ মিনিটের দিকে এই ভূকম্পন অনুভূত হয়। ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল রিখটার স্কেলে ৩ দশমিক ৬।
ইউরোপিয়ান মেডিটেরিয়ান সিসমোলজিক্যাল সেন্টার (ইএমএসসি) জানিয়েছে, এর উৎপত্তিস্থল ছিল টাঙ্গাইলের মির্জাপুর থেকে ২৯ কিলোমিটার উত্তর-পূর্বে।
ময়মনসিংহ থেকে প্রায় ৪৭ কিলোমিটার দক্ষিণে এবং সখিপুর থেকে ২২ কিলোমিটার উত্তর-পূর্বে এর অবস্থান ছিল। এর ভৌগোলিক অবস্থান নির্ধারণ করা হয়েছে ২৪ দশমিক ৩৩ উত্তর অক্ষাংশ এবং ৯০ দশমিক ৩৯ পূর্ব দ্রাঘিমাংশে।
সংস্থাটির তথ্য অনুযায়ী, ভূপৃষ্ঠের প্রায় ১০ কিলোমিটার গভীরে এই কম্পনের উৎপত্তি হয়েছে।
ঈদ সামনে রেখে এখন পর্যন্ত কোনো ধরনের নাশকতার হুমকি র্যাব পায়নি বলে জানিয়েছেন এলিট ফোর্সের মহাপরিচালক মো. আহসান হাবীব পলাশ।
আজ মঙ্গলবার জাতীয় ঈদগাহ ময়দানের সার্বিক নিরাপত্তাব্যবস্থা পরিদর্শন করেন র্যাবের মহাপরিচালক অতিরিক্ত আইজিপি মো. আহসান হাবীব পলাশ। ঈদগাহের নিরাপত্তা কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করেন।পরে তিনি সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।
আহসান হাবীব পলাশ বলেন, ‘পবিত্র ঈদুল আজহাকে কেন্দ্র করে নিরাপত্তাব্যবস্থায় এখন পর্যন্ত কোনো সুনির্দিষ্ট থ্রেট (হুমকি) নেই।’
মহাপরিচালক আরও বলেন, কোনো হুমকি না থাকলেও যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় র্যাবের বিশেষ নিরাপত্তা প্রস্তুতি রয়েছে।
ঈদুল আজহা উপলক্ষে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় বিশেষ নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)। গুরুত্বপূর্ণ স্থানে মোবাইল চেকপোস্ট বসিয়ে তল্লাশি চালানোর পাশাপাশি বাড়ানো হয়েছে টহল ও গোয়েন্দা নজরদারি।
মহাপরিচালক বলেন, ঈদুল আজহা উপলক্ষে বাহিনীর সব ব্যাটালিয়ন নিজ নিজ দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় রোবাস্ট প্যাট্রলিং পরিচালনা করছে। প্রধান প্রধান ঈদের জামাতকে কেন্দ্র করে নেওয়া হয়েছে বিশেষ নিরাপত্তাব্যবস্থা। রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় করে চেকপোস্ট স্থাপন ও তল্লাশি কার্যক্রম চালানো হচ্ছে।
সংস্থাটি আরও জানায়, ঈদকে কেন্দ্র করে কালোবাজারি, অবৈধ মজুত, দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি, খাদ্যে ভেজাল ও নকল পণ্য বাজারজাতের মতো অপতৎপরতা ঠেকাতে গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।
এ ছাড়া ঈদ সামনে রেখে র্যাবের অনলাইন মনিটরিং কার্যক্রমও সার্বক্ষণিক চালু থাকবে। ছুটির সময়ে রাজধানী ও বড় শহরগুলোতে জনসমাগম কমে যাওয়ায় চুরি, ডাকাতি ও ছিনতাইয়ের ঝুঁকি বাড়তে পারে উল্লেখ করে র্যাব বলেছে, পরিস্থিতি মোকাবিলায় মহানগর, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে রাত্রিকালীন নিরাপত্তাচৌকি ও টহলের সংখ্যা বাড়ানো হয়েছে।
ঘরমুখী মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সর্বাত্মক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলেও জানিয়েছে র্যাব। এ ছাড়া দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডসহ সব ধরনের অপরাধ দমনে র্যাবের নিয়মিত টহল, গোয়েন্দা নজরদারি ও অভিযান অব্যাহত থাকবে।