img

শেখ হাসিনাকে ফেরানোর চেষ্টায় কূটনৈতিক ঘাটতি নেই: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

প্রকাশিত :  ১৫:৫০, ০৯ জুলাই ২০২৬

শেখ হাসিনাকে ফেরানোর চেষ্টায় কূটনৈতিক ঘাটতি নেই: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম দাবি করেছেন, কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সভাপতি ও ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ফেরানোর বিষয়ে কোনো কূটনৈতিক ঘাটতি নেই। সেইসঙ্গে শেখ হাসিনা বাংলাদেশে ফেরার বিষয়ে যে বক্তব্য দিয়েছেন, তা প্রাসঙ্গিক নয় বলেও মনে করছেন তিনি।

আজ বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ কথা বলেন তিনি। শেখ হাসিনা দেশে ফেরার কথা বলছেন এবং সময়ের উল্লেখ করেছেন। তাহলে তাকে ফেরাতে বাধা কোথায়- জানতে চাওয়া হয় প্রতিমন্ত্রীর কাছে। জবাবে তিনি বলেন, বাংলাদেশের আদালত একজনকে সাজা দিয়েছে। সাজাপ্রাপ্ত আসামি যিনি বাংলাদেশে অনেক অন্যায়, অত্যাচার ও কুকর্ম করে বিদেশে পালিয়ে আছেন। শেখ হাসিনা কী বলছে না বলছে সেটা প্রাসঙ্গিক না, একেবারেই প্রাসঙ্গিক না।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ সরকার ভারতের সরকারের সঙ্গে, যেটা অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে শুরু হয়েছে, সেই কূটনৈতিক চ্যানেল চলমান আছে। আমরা সঠিক চ্যানেলে চেষ্টা করছি। বন্দি বিনিময় চুক্তির আওতায় আসামিকে যখন ফেরত আনা হয় বা যে প্রটোকল বা নর্মস (মানদন্ড) আছে, সেটা অনুযায়ী ওনাকে এখানে এনে বিচার করা হবে এবং সেটাই তো বাংলাদেশের জনগণ চায়।

শামা ওবায়েদ বলেন, এখানে যে অন্যায়গুলো হয়েছে, যে দুর্নীতি, খুন, গুম হয়েছে সেগুলোর একটি সুষ্ঠু ও স্বচ্ছ বিচার বাংলাদেশের মাটিতে হবে। আমাদের যে প্রক্রিয়া সেটা ভারতের সরকারের সঙ্গে চলমান আছে। এখন যিনি আসামি তার বক্তব্য প্রাসঙ্গিক না। তাকে ফেরানোর প্রক্রিয়া চলমান আছে। প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে, সেটা চলমান আছে। কূটনীতির কোনো ঘাটতি নেই। এটা শুধু পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিষয় না, এখানে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিষয় আছে; তারা এটা নিয়ে কাজ করছে।

শেখ হাসিনাকে ফেরাতে ভারতের সহযোগিতা না আইনি জটিলতা আছে এমন প্রশ্নে প্রতিমন্ত্রীর জবাব, আইনি জটিলতা আছে কি নাই সেটা আইন মন্ত্রণালয় এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় খুঁটিয়ে দেখবে। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে আমাদের যে প্রক্রিয়া চালানো দরকার, সেটা আমরা চালাচ্ছি। সেটাতে কোনো ঘাটতি আমি দেখছি না।

জাতীয় এর আরও খবর

img

প্রকাশের আগেই প্রাথমিক বৃত্তির ফল ‘ফাঁস’, তদন্ত কমিটি গঠন

প্রকাশিত :  ১৯:২৩, ০৯ জুলাই ২০২৬
সর্বশেষ আপডেট: ১৯:২৭, ০৯ জুলাই ২০২৬

যথাযথ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে ফল প্রকাশের আগেই প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার ফল ফাঁসের ঘটনা তদন্তে ৩ সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে।  এ কমিটিকে আগামী তিন কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।

আজ বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) প্রাথমিক শিক্ষা দপ্তরের পরিচালক (প্রশাসন) মাহবুবা আইরিনের সই করা অফিস আদেশ থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

এতে অধিদপ্তরের পরিচালক (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) মিরাজুল ইসলাম উকিলকে আহ্বায়ক করা হয়েছে।

কমিটির অপর দুজন হলেন- সদস্য অধিদপ্তরের উপবৃত্তি বিভাগের শিক্ষা অফিসার জিয়াউল কবির সুমন ও সদস্যসচিব প্রশাসন-২-এর সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ রোখসানা হায়দার।

আদেশে বলা হয়েছে, প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা ২০২৫ এর ফল গত ৮ জুলাই চূড়ান্ত করা হয়। প্রস্তুতকৃত ফলাফল ওয়েবপোর্টালে আপলোড করতে প্রয়োজনীয় লিংক তৈরির জন্য অধিদপ্তরের সহকারী মেইনটেন্যান্স ইঞ্জিনিয়ার মো. মেহতাব কায়েসকে দায়িত্ব দেওয়া হয়।

এতে আরও বলা হয়েছে, ফল যথাযথ কর্তৃপক্ষ কর্তৃক প্রকাশের পূর্বে তা ওয়েবপোর্টালে আপলোড না করার জন্য তাকে নির্দেশনা প্রদান করা হয়। কিন্তু ৯ জুলাই সকাল ১০টায় ঢাকা বিভাগের ৯টি জেলার ফল ওই লিংকসমূহে আপলোড করা হয়। অল্প সময়ে সচল থাকায় এ লিংকসমূহ থেকে সাধারণ ব্যবহারকারীরা ফল ডাউনলোড করে এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেয়ার করেন।


জাতীয় এর আরও খবর