img

সোশ্যাল মিডিয়ার তথ্য গোপন করলে মার্কিন ভিসা প্রত্যাখ্যান

প্রকাশিত :  ১৬:০৪, ১০ জুলাই ২০২৫
সর্বশেষ আপডেট: ১৬:৪৫, ১০ জুলাই ২০২৫

সোশ্যাল মিডিয়ার তথ্য গোপন করলে মার্কিন ভিসা প্রত্যাখ্যান

এফএম অথবা জে ভিসার জন্য আবেদন করতে ইচ্ছুক শিক্ষার্থী ও এক্সচেঞ্জ কর্মসূচির অংশগ্রহণকারীদের প্রতি বার্তা দিয়েছে ঢাকার মার্কিন দূতাবাস। ভিসা আবেদন ফরমে গত ৫ বছরে ব্যবহৃত সব সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের ব্যবহারকারী নাম বা হ্যান্ডল উল্লেখ করা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

আজ বৃহস্পতিবার (১০ জুলাই) দূতাবাসের ফেসবুক পেজে ভিসাসংক্রান্ত একটি তথ্য শেয়ার করা হয়েছে।

এতে বলা হয়েছে, ভিসা আবেদনকারীদের ডিএস-১৬০ ভিসা আবেদন ফরমে গত ৫ বছরে ব্যবহৃত সব সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের ব্যবহারকারী নাম বা হ্যান্ডল উল্লেখ করা বাধ্যতামূলক।

আবেদনকারীরা তাদের আবেদনপত্রে দেওয়া সব তথ্য সঠিক ও সত্য বলে স্বীকার করে তবেই তা স্বাক্ষর করেন ও জমা দেন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের তথ্য গোপন করলে ভিসা প্রত্যাখ্যানের পাশাপাশি ভবিষ্যতে ভিসা পাওয়ার অযোগ্যতা তৈরি হতে পারে।

জাতীয় এর আরও খবর

img

হৃদযন্ত্রে ব্লক, ব্রিটেনে রাষ্ট্রপতির জরুরি এনজিওপ্লাস্টি

প্রকাশিত :  ২০:০৩, ১২ মে ২০২৬

ব্রিটেনে নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষার সময় রাষ্ট্রপতি মোঃ সাহাবুদ্দিনের হৃদযন্ত্রের একটি ধমনীতে গুরুত্বপূর্ণ ব্লক ধরা পড়েছে। এরপর জরুরিভিত্তিতে তার এনজিওপ্লাস্টি করা হয় এবং একটি স্টেন্ট (রিং) স্থাপন করা হয়। অস্ত্রোপচার সফল হয়েছে এবং বর্তমানে তার শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল ও সন্তোষজনক বলে জানানো হয়েছে। মঙ্গলবার (১২ মে) রাতে বঙ্গভবনের প্রেস উইং এই তথ্য জানিয়েছে।

যুক্তরাজ্যে অবস্থানরত রাষ্ট্রপতির ব্যক্তিগত চিকিৎসক কর্নেল ডা. এ কে এম ফয়জুল হকের বরাত দিয়ে প্রেস উইং জানায়, মঙ্গলবার দুপুরে ক্যামব্রিজের রয়াল প্যাপওয়ার্থ হাসপাতালে ইন্টারভেনশনাল কার্ডিওলজিস্ট ডা. স্টিফেন হোলির তত্ত্বাবধানে রাষ্ট্রপতির এনজিওগ্রাম সম্পন্ন হয়। পরীক্ষায় হৃদযন্ত্রের একটি ধমনীতে উল্লেখযোগ্য ব্লক শনাক্ত হলে তাৎক্ষণিকভাবে এনজিওপ্লাস্টি করা হয় এবং স্টেন্ট বসানো হয়। বর্তমানে তিনি হাসপাতালের চিকিৎসকদের নিবিড় পর্যবেক্ষণ ও তত্ত্বাবধানে রয়েছেন। রাষ্ট্রপতি দ্রুত আরোগ্যের জন্য দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন।

উল্লেখ্য, রাষ্ট্রপতি ২০২৩ সালের অক্টোবরে সিঙ্গাপুরের ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি হসপিটালে (এনইউএইচ) ওপেন হার্ট সার্জারি করান। এরপর থেকে হৃদযন্ত্র-সংক্রান্ত জটিলতার ফলো-আপ চিকিৎসার অংশ হিসেবে তিনি নিয়মিত ক্যামব্রিজের রয়াল প্যাপওয়ার্থ হাসপাতালে আসছেন। বিশ্বমানের হৃদরোগ চিকিৎসা ও গবেষণার জন্য সুপরিচিত এই হাসপাতাল বিশ্বে প্রথম সফল হার্ট ট্রান্সপ্লান্ট সম্পন্নকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর অন্যতম হিসেবে স্বীকৃত।

রাষ্ট্রপতি গত ৯ মে ফলো-আপ চিকিৎসা ও স্বাস্থ্য পরীক্ষার উদ্দেশ্যে লন্ডনের পথে ঢাকা ত্যাগ করেন। চিকিৎসা শেষে আগামী ১৮ মে তার দেশে ফেরার কথা রয়েছে।