img

হত্যার উদ্দেশ্যে মুজিববাদী সন্ত্রাসীরা জঙ্গি কায়দায় হামলা করেছে : নাহিদ ইসলাম

প্রকাশিত :  ২০:০৬, ১৬ জুলাই ২০২৫

হত্যার উদ্দেশ্যে মুজিববাদী সন্ত্রাসীরা জঙ্গি কায়দায় হামলা করেছে : নাহিদ ইসলাম

গোপালগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতাকর্মীদের হত্যার উদ্দেশ্যে জঙ্গি কায়দায় মুজিববাদী সন্ত্রাসীরা হামলা করেছে বলে জানিয়েছেন জাতীয় নাগরিক কমিটির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। 

গণঅভ্যুত্থানের নেতাদের হত্যার উদ্দেশ্যে জঙ্গি কায়দায় তারা হামলা করেছে। হামলায় এনসিপির তিনজন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। এ হামলা পূর্ব পরিকল্পিত। 

গোপালগঞ্জের কর্মসূচি পালন শেষে বুধবার রাত সাড়ে ৯টায় খুলনা প্রেস ক্লাবে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। 

এ সময় নাহিদ বলেন, যেহেতু আমাদের কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়েছে ১ জুলাইয়ের আগে। এই সময়ের মধ্যে প্রস্তুতি নিয়েই আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসীরা হামলা চালিয়েছে। গোপালগঞ্জ এখন আওয়ামী সন্ত্রাসীদের অভয়ারণ্য। আওয়ামী লীগ-ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের যাদের নামে মামলা হয়েছে, সারা দেশ থেকে আওয়ামী লীগের কর্মীরা এখানে জড়ো হয়েছে। এতদিন দেশের রাজনীতিতে একটি মিথ ছিল যে গোপালগঞ্জে আওয়ামী লীগ ছাড়া অন্যান্য দল কর্মসূচি পালন করতে পারবে না, এ হামলা কি তারই অংশ? তবে সেই মিথ এনসিপি ভেঙে দিয়েছে। 

তিনি বলেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী যথেষ্ট সহযোগিতা করেছে। তবে এভাবে হামলা অন্য কিছু ইঙ্গিত করে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে সাবোট্যাজ করা হয়েছে কিনা সেটা খতিয়ে দখতে হবে। এই হামলা দীর্ঘ পরিকল্পনার ফসল বলে তিনি মন্তব্য করেন। স্টেজে হামলা, পুলিশের গাড়িতে আগুন দেওয়া হয়েছে। মুজিববাদের বিরুদ্ধে যে লড়াই, এনসিপি তা অব্যাহত রাখবে।  

হামলার পর সারা দেশে বিভিন্ন দল ও মতের মানুষ যেভাবে প্রতিবাদ জানিয়ে এনসিপির পাশে দাঁড়িয়েছে তাতে সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে নাহিদ বলেন, আমরা বিভিন্ন জেলায় জেলায় গিয়ে সেখানকার সমস্যা সম্ভাবনা নিয়ে কথা বলছি। জুলাই অভ্যুত্থান নিয়ে কথা বলেছি। একই সঙ্গে এনসিপির পরিচিতি তুলে ধরছি। আমাদের সেখান থেকে মাদারীপুর ও শরিয়তপুরে কর্মসূচি ছিল। সেখান থেকে ফেরার পথে আমাদের ওপর হামলা চালায়। 

তিনি বলেন, এই হামলায় আওয়ামী লীগের ফ্যাসিস্ট রুপের প্রকাশ ঘটেছে জনগণের সামনে। আপাতত আমরা এই দুই জেলার কর্মসূচি স্থগিত রাখছি। একই সঙ্গে মুজিববাদী সন্ত্রাসীদের হামলার প্রতিবাদে বৃহস্পতিবার সারা দেশে বিক্ষোভ সমাবেশ পালন করবে এনসিপি। 

সংবাদ সম্মেলন পরিচালনা করেন দলের সদস্যসচিব আখতার হোসেন। এ সময় এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন।


জাতীয় এর আরও খবর

img

আজ ৬ জেলায় ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় ঝরল ২৭ প্রাণ

প্রকাশিত :  ১৮:১১, ২৫ মে ২০২৬

ঈদের ছুটির প্রথম দিনেই দেশের ছয় জেলায় ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় ২৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। সোমবার (২৫ মে) সকাল থেকে রাত পর্যন্ত সময়ের মধ্যে এই প্রাণহানির ঘটনা ঘটে।

এর মধ্যে টাঙ্গাইলে এক মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় ১৫ জন প্রাণ হারান। এ ছাড়া, বগুড়ায় চারজন, কিশোরগঞ্জে তিনজন,  সিরাজগঞ্জে তিনজন, মানিকগঞ্জে একজন ও গোপালগঞ্জে একজন মারা গেছেন। এসব ঘটনায় বেশ কয়েকজন গুরুতর আহত হয়েছেন।

ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের কালিহাতিতে রডবোঝাই একটি ট্রাক উল্টে ১৫ জন নিহত হয়েছেন। সোমবার ভোর ৪টার দিকে মহাসড়কের সরাতৈল দক্ষিণপাড়া এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহতরা সবাই ট্রাকে চেপে ঈদযাত্রায় উত্তরবঙ্গের দিকে যাচ্ছিলেন।

কালিহাতি ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশনের ইনচার্জ আতাউর রহমান ঘটনাস্থল থেকে ঢাকা পোস্টকে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

নিহতরা হলেন—টাঙ্গাইলে ট্রাক দুর্ঘটনায় নিহত ১৫ জনের পরিচয় মিলেছে

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, পরিবহন ভাড়ার খচর বাঁচাতে যাত্রীবাহী পরিবহনে না উঠে নিহতরা রডবোঝাই একটি ট্রাকের ওপর উঠে উত্তরবঙ্গের উদ্দেশে রওনা দেন। পথে সরাতৈল এলাকায় পৌঁছালে ট্রাকটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে উল্টে পড়ে। এতে ট্রাকের ওপর থাকা যাত্রীরা রডের নিচে চাপা পড়ে ঘটনাস্থলেই ১৫ জন নিহত হন। আহত হন আরও অন্তত ছয়জন। দুর্ঘটনার পর ট্রাকের চালক ও হেলপার পালিয়ে যান। খবর পেয়ে এলেঙ্গা ফায়ার সার্ভিস, পুলিশ ও স্থানীয় বাসিন্দারা উদ্ধার অভিযান চালিয়ে মরদেহগুলো উদ্ধার করে।

এলেঙ্গা ফায়ার সার্ভিসের ভারপ্রাপ্ত স্টেশন কর্মকর্তা আতাউর রহমান বলেন, দুর্ঘটনার পরপরই উদ্ধার অভিযান চালিয়ে হতাহতদের উদ্ধার করা হয়।

গোপালপুর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ফৌজিয়া হাবিব খান বলেন, মালবাহী ট্রাকে যাত্রী পরিবহন অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিহত প্রত্যেক পরিবারের জন্য ২৫ হাজার টাকা এবং আহতদের জন্য ১৫ হাজার টাকা করে অনুদান দেওয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহগুলো স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করেছে পুলিশ।

বগুড়া

বগুড়ার চারজন মারা গেছেন। এর মধ্যে বগুড়া-নওগাঁ মহাসড়কে বাস-অটোরিকশার সংঘর্ষে মা ও মেয়ের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় অটোরিকশাচালকসহ আরও একজন গুরুতর আহত হন। সোমবার বিকেল ৪টা ১০ মিনিটের দিকে কাহালু উপজেলার বীরকেদার ইউনিয়নের কাজীপাড়া এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন—কাজীপাড়া এলাকার বাবুল তালুকদারের স্ত্রী জেসমিন খাতুন (৪৫) ও তার মেয়ে তণু আক্তার (২০)। আহত হয়েছেন—অটোরিকশাচালক শাওন মিয়া (১৮)। তিনি একই এলাকার আব্দুল কুদ্দুসের ছেলে।

কাহালু থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শফিকুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, নিহত মা-মেয়ের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

এ ছাড়া, সোমবার সকাল সাড়ে ৬টার দিকে বগুড়ার শাজাহানপুর উপজেলায় ঢাকা-রংপুর মহাসড়কে অজ্ঞাত একটি যানবাহনের ধাক্কায় মোটরসাইকেল চালক বাবা ও মেয়ে নিহত হয়েছেন। গুরুতর আহত হয়েছেন নিহতের স্ত্রী। তাকে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

নিহতরা হলেন—আনিছুর রহমান ও তার চার বছর বয়সী মেয়ে পুষ্প। আহত আয়েশা বেগম নিহত আনিছুর রহমানের স্ত্রী। আনিছুর রহমান রংপুরে বেসরকারি সংস্থা ব্র্যাকে কর্মরত ছিলেন।

ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, স্ত্রী ও সন্তানকে নিয়ে মোটরসাইকেলে রংপুর থেকে গ্রামের বাড়ি পাবনায় যাচ্ছিলেন আনিছুর রহমান। সকাল সাড়ে ৬টার বগুড়ার শাজাহানপুর উপজেলার বনানী এলাকায় পৌঁছালে অজ্ঞাত একটি যানবাহন সেটিকে ধাক্কা দিলে ঘটনাস্থলেই আনিছুর রহমান ও শিশু পুষ্পর নিহত হয়। গুরুতর আহত হন আয়েশা বেগম। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা সকাল ৭টার দিকে ঘটনাস্থলে পৌঁছে হতাহতদের উদ্ধার করেন।

বগুড়া ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তা শহীদুল ইসলাম বলেন, দুর্ঘটনার খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে দুটি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। আহত নারীকে উদ্ধার করে শজিমেক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। অজ্ঞাত যানবাহনটি শনাক্তের চেষ্টা চলছে।

কিশোরগঞ্জের মিঠামইনে পিকআপভ্যানের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী ছয় বছরের শিশু সন্তানসহ স্বামী-স্ত্রী নিহত হয়েছেন। সোমবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে কিশোরগঞ্জের ইটনা-মিঠামইন-অষ্টগ্রাম অলওয়েদের সড়কের মিঠামইন উপজেলার কাস্তল এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হচ্ছেন—মিঠামইন উপজেলার মহিষা কান্দি গ্রামের মনির হোসেন (৩৫), তার স্ত্রী মুন্নি আক্তার (৩০) ও সন্তান আয়ান (৬)।

পুলিশ জানায়, মোটরসাইকেলে করে স্ত্রী ও সন্তানকে নিয়ে বাড়ি যাচ্ছিলেন মনির হোসেন। পথে মিঠামইন উপজেলার কাস্তল এলাকায় বিপরীত দিক থেকে আসা একটি পিকআপভ্যান তাদের মোটরসাইকেলটিকে ধাক্কা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই তিনজনের মৃত্যু হয়। দুর্ঘটনার পর পিকআপভ্যানটি পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে জনগণ সেটি আটক করে।

মিঠামইন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) লিয়াকত আলী ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় তিনজন নিহত হয়েছেন। এর মধ্যে সোমবার বেলা ১১টায় বগুড়া-নগরবাড়ি মহাসড়কের দিলরুবা বাসস্ট্যান্ড ও মশিপুর এলাকায় দুইজন মারা যান।

নিহতরা হলেন—পাবনার সাথিয়া উপজেলার হলুদঘর গ্রামের সবুজ প্রামাণিকের মেয়ে সারা খাতুন (৮) ও শাহজাদপুরের গাড়াদহ ইউনিয়নের আলমগীরের ছেলে আহম্মদ (৭)।

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সোমবার শাহজাদপুর উপজেলার বগুড়া-নগরবাড়ি মহাসড়কের দিলরুবা বাসস্ট্যান্ড এলাকায় একটি যাত্রীবাহী সিএনজির সঙ্গে লবণবোঝাই ভটভটির সংঘর্ষ হয়। এতে সিএনজি যাত্রী সারা খাতুন ঘটনাস্থলেই মারা যান।

আহতদের উদ্ধার করে শাহজাদপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠান।

এ ছাড়া, একই মহাসড়কের গাড়াদহ ইউনিয়নের মশিপুর গুচ্ছ গ্রামের আলমগীরের ছেলে আহম্মদ রাস্তা পারের সময় সিমেন্টবোঝাই ট্রাকের নিচে পড়ে ঘটনাস্থলেই মারা যায়।

বিষয়টি নিশ্চিত করে হাটিকুমরুল হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইসমাইল হোসেন বলেন, আলাদা সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত দুইজনের মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। ঘাতক ট্রাক এবং ভটভটি আটক করা হয়েছে।

মানিকগঞ্জ-হেমায়েতপুর আঞ্চলিক সড়কের কিটিংচর এলাকায় মোটরসাইকেল ও সিএনজিচালিত অটোরিকশার সংঘর্ষে এক মোটরসাইকেলচালক নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আরেক আরোহী গুরুতর আহত হয়েছেন। সোমবার বিকেলে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, হেমায়েতপুর থেকে সিংগাইরগামী একটি নম্বরবিহীন অটোরিকশার সঙ্গে বিপরীত দিক থেকে আসা হেমায়েতপুরগামী নম্বরবিহীন মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ হয়। এতে মোটরসাইকেলচালক মো. কাউসার আহম্মেদ (১৮) ঘটনাস্থলেই মারা যান। তিনি সিংগাইর উপজেলার আঠালিয়া এলাকার মো. শহিদুল ইসলাম মোমেনের ছেলে। এ ঘটনায় অপর আরোহী মো. আরাফাতকে (১৮) উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

সিংগাইর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাজহারুল ইসলাম বলেন, নিহত কাউসারের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মানিকগঞ্জ সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

গোপালগঞ্জে যাত্রীবাহী বাস, মাইক্রোবাস ও প্রাইভেটকারের ত্রিমুখী সংঘর্ষে মাইক্রোবাসের চালক নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন। দুর্ঘটনার কারণে প্রায় দেড় ঘণ্টা ঢাকা-খুলনা মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ ছিল।

সোমবার দুপুরে ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার সোনাশুর এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত মাইক্রোবাস চালকের পরিচয় জানা যায়নি।

গোপালগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের উপসহকারী পরিচালক শিপলু আহম্মেদ বলেন, ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা কোটালীপাড়া স্টার এক্সপ্রেসের একটি যাত্রীবাহী বাস ঘটনাস্থলে অপর একটি বাসকে ওভারটেক করতে গেলে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি মাইক্রোবাসের সঙ্গে সংঘর্ষ হয়। এ সময় পেছন থেকে একটি প্রাইভেটকারও সজোরে মাইক্রোবাসটিকে ধাক্কা দেয়। এতে যাত্রীবাহী বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশের খাদে পড়ে যায় এবং মাইক্রোবাস ও প্রাইভেটকার দুমড়ে-মুচড়ে যায়। ঘটনাস্থলেই মাইক্রোবাসের চালক নিহত হন। এ ছাড়া, বাস ও প্রাইভেটকারের অন্তত ১৫ যাত্রী আহত হন।

খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা স্থানীয় লোকদের সহায়তায় হতাহতদের উদ্ধার করে গোপালগঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান। গুরুতর আহত ১৩ জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বাকিদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

জাতীয় এর আরও খবর