বাহরাইনে মার্কিন বিমান ঘাঁটির সদর দপ্তর গুঁড়িয়ে দেওয়ার দাবি ইরানের
ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) দাবি করেছে, বাহরাইনের শেখ ইসা এলাকায় অবস্থিত একটি মার্কিন বিমান ঘাঁটিতে তারা বড় ধরনের হামলা চালিয়েছে। এ অভিযানে ২০টি ড্রোন ও তিনটি ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।
বিপ্লবী গার্ড আইআরজিসির বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এই হামলায় মার্কিন বিমান ঘাঁটির প্রধান কমান্ড এবং সদর দপ্তর ভবন ধ্বংস হয়েছে। পাশাপাশি তাদের জ্বালানি ট্যাঙ্কগুলোতে আগুন লাগানো হয়েছে। এই পদক্ষেপকে ইরান তার সামরিক প্রতিশোধের অংশ হিসেবে উপস্থাপন করেছে।
হামলার বিষয়ে বাহরাইনের পক্ষ থেকে এখনো কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা এ তথ্য জানিয়েছে।
এর আগে, ইরানের সামরিক বাহিনী বাহরাইনে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনীর ঘাঁটিতে হামলার খবর প্রকাশ করেছিল। এই নতুন হামলার দাবি ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলমান উত্তেজনার নতুন মাত্রা যোগ করেছে।ব্রেকিং নিউজ
বিশ্লেষকরা বলছেন, ইরান এই ধরণের হামলার মাধ্যমে মার্কিন সামরিক উপস্থিতি এবং স্থাপনার ওপর চাপ সৃষ্টি করতে চায়। মধ্যপ্রাচ্যে ক্রমবর্ধমান এই উত্তেজনা বৈশ্বিক নিরাপত্তা এবং জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থার জন্যও ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।
আইআরজিসি এই ধরনের হামলাকে সামরিক কৌশলগত প্রতিশোধ হিসেবে দেখিয়েছে। তাদের বক্তব্য, যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্ররা ইরানের কর্মকাণ্ড থামাতে ব্যর্থ হলে এমন আরও হামলা সম্ভব।
বাহরাইনের মার্কিন ঘাঁটিতে হামলার খবর আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকদের নজরে এসেছে। তবে এ পর্যন্ত হামলার প্রভাব এবং ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ স্বাধীনভাবে যাচাই করা যায়নি।
বিশ্লেষকরা সতর্ক করেছেন, এই ধরনের হামলা চলমান উত্তেজনাকে আরও বাড়িয়ে দিতে পারে। সম্ভাব্য পাল্টা প্রতিহারের ফলে মধ্যপ্রাচ্যে নিরাপত্তা পরিস্থিতি দ্রুত অবনতি হতে পারে।
এই ঘটনাকে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র দ্বিপাক্ষিক উত্তেজনার নতুন অধ্যায় হিসেবে ধরা হচ্ছে। সামরিক ও কূটনৈতিক পর্যবেক্ষকরা এ মুহূর্তে পরিস্থিতি ঘনিষ্ঠভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন। তথ্যসূত্র: আল-জাজিরা



















